শক্তিশালী ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত তুরস্ক ও সিরিয়ায় মৃতের সংখ্যা ১৫ হাজার ছাড়িয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) সকাল পর্যন্ত তুরস্কে ১২ হাজার ৩৯১ জন এবং সিরিয়ায় ২ হাজার ৯৯২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এতে সব মিলিয়ে এখন মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৩৮৩ জনে। ভূমিকম্পে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তুরস্কের আরো
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন গত মঙ্গলবার তার বার্ষিক স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণের প্রস্তুতির সময় তার স্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেনের আলোচিত চুমুর ঘটনা নিয়ে এখন চলছে আলোচনা। জিল বাইডেন যে চুমু খেয়ে বসেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের স্বামী ডাউ এমহফকে! এতেই স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণের আগে আরো
তুরস্ক-সিরিয়া সীমান্তে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে রীতিমতো ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে দেশ দু’টির বহু শহর। এই ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা এরইমধ্যে ৮ হাজার ছাড়িয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন ২০ হাজারের বেশি মানুষ। এদিকে গত দুদিন ধরেই সিরিয়া-তুরস্কে প্রচুর বৃষ্টি ও তুষারপাত হয়েছে। সোমবার ভূমিকম্পের পর থেকে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেই আরো
তুরস্ক-সিরিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা প্রায় ৮ হাজার ছুঁয়েছে। বুধবার সর্বশেষ খবরে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত সাত হাজার ৮০০ জনের মৃত্যুর ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এর মধ্যে তুরস্কে আনুষ্ঠানিকভাবে পাঁচ হাজার ৮৯৪ জন মারা যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে সিরিয়ায় এক হাজার ৯৩২ জন মারা গেছেন বলে জানানো হয়েছে। তবে আরো
তুরস্ক-সিরিয়ার সীমান্ত অঞ্চলে বিধ্বংসী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৮ হাজার জন নিহত হওয়ার খবর জানা গেছে। মৃতের সংখ্যা প্রতি মুহূর্তে বাড়ছে। এখনো ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে আছে অনেকেই। এরই মধ্যে ৪ বছরের এক শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। গুল ইনাল নামের ৪ বছরের শিশুটি ভূমিকম্পের সময় ৩ তলা ভবন আরো
শক্তিশালী ভূমিকম্পে তুরস্ক ও সিরিয়ায় কয়েক হাজার মানুষ হতাহত হয়েছেন। সোমবার ভোরের দিকে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮। সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় হারেম থেকে ভূমিকম্পের খবর জানাচ্ছেন আল জাজিরার সাংবাদিক সুহাইব আল-খালাফ। তিনি জানান, উদ্ধারকারীরা লোকজনকে ধ্বংসস্তূপ থেকে বের করে আনতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি আরো
তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। ইতোমধ্যে মৃতের সংখ্যা পাঁচ হাজারের কোটা ছুঁইছুঁই করছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তুরস্কে মৃত্যু তিন হাজার ছাড়িয়েছে। আর সিরিয়ায় এই সংখ্যা দেড় হাজারের বেশি। মৃতের সংখ্যা দশ হাজার ছাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ধারণা করছে, ভূমিকম্পে আরো
প্রকৃতির কাছে প্রযুক্তি কিংবা সভ্যতা, সবই কতটা অসহায় তারই যেন নৃশংস প্রমাণ তুরস্কের ভূমিকম্প। দফায় দফায় ভূমিকম্পে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, আহতের সংখ্যা অজানা। অজানা এখনো আটকে পড়াদের সংখ্যাও। যার শিকার হয়েছে ক্রীড়াঙ্গনও, নিখোঁজ অসংখ্য খেলোয়াড়। এখন পর্যন্ত নিখোঁজ খেলোয়াড়দের মাঝে বড় নাম ক্রিশ্চিয়ান আতসু। আগের রাতেও আরো
সোমবার ভোরে ঘড়ির কাঁটা স্থানীয় সময় অনুসারে যখন ৪টার ঘরে পৌঁছেছে, ঠিক সেই মুহূর্তে কেঁপে ওঠে তুরস্ক ও সিরিয়ার অধিকাংশ এলাকা। ১৯৩৯ সালের পর তুরস্ক এমন ভয়াবহ ভূকম্প দেখেনি। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮। কম্পনের উৎসস্থল দক্ষিণ তুরস্কে। গাজিয়ানতেপ প্রদেশের পূর্ব দিকে নুরদাগি শহর থেকে ২৬ আরো
তুরস্কে সংগঠিত ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে। তুরস্ক ও সিরিয়ায় এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ৩৬৫ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে তুরস্কেই মারা গেছেন ২ হাজার ৯২১ জন। আর সিরিয়ায় এক হাজার ৪৪৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। দুই দেশে আহত হয়েছেন ১৭ হাজারের বেশি মানুষ। কর্তৃপক্ষের বরাত আরো