<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>অর্থনীতি &#8211; ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</title>
	<atom:link href="https://breakingbdnews24.net/bn/tag/%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://breakingbdnews24.net/bn</link>
	<description>Breaking News of Bangladesh</description>
	<lastBuildDate>Sun, 24 Jun 2018 09:25:24 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.8.3</generator>

<image>
	<url>https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2025/07/cropped-fevcon-32x32.jpg</url>
	<title>অর্থনীতি &#8211; ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</title>
	<link>https://breakingbdnews24.net/bn</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির অর্থনীতি দ্বিতীয়পত্র</title>
		<link>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%b6-%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%b6-%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d/</link>
					<comments>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%b6-%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%b6-%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪]]></dc:creator>
		<pubDate></pubDate>
				<category><![CDATA[শিক্ষা ও সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[বহুনির্বাচনী প্রশ্ন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://breakingbdnews24.net/bn/?p=434728</guid>

					<description><![CDATA[<p>বহুনির্বাচনী প্রশ্ন ১. ব্রিটিশ শাসনামলে বাংলাদেশ ভূখণ্ডের সবচেয়ে মূল্যবান ফসল ছিল কোনটি? ক. ধান খ. চা গ. কাঁচা পাট ঘ. ইক্ষু ২. বাংলাদেশের মোট সীমানা কত কিলোমিটার? ক. ৩৭১৫ খ. ৩৯৯৫ গ. ৮৪২৭ ঘ. ৪৭১২ ৩. বিশ্বায়নের প্রভাবে যে পরিবর্তন সাধিত হবে তা হলো— i. পণ্যের সেবার মূল্য বৃদ্ধি ii. জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন iii. উদারীকরণ &#8230;</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%b6-%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%b6-%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d/">একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির অর্থনীতি দ্বিতীয়পত্র</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><img fetchpriority="high" decoding="async" src="https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2018/06/11-12-cls.jpg" alt="" width="600" height="400" class="alignnone size-full wp-image-434739" /></p>
<p>বহুনির্বাচনী প্রশ্ন</p>
<p>১.         ব্রিটিশ শাসনামলে বাংলাদেশ ভূখণ্ডের সবচেয়ে মূল্যবান ফসল ছিল কোনটি?</p>
<p>            ক. ধান      খ. চা      গ. কাঁচা পাট     ঘ. ইক্ষু</p>
<p>২.         বাংলাদেশের মোট সীমানা কত কিলোমিটার?</p>
<p>            ক. ৩৭১৫    খ. ৩৯৯৫     গ. ৮৪২৭     ঘ. ৪৭১২</p>
<p>৩.         বিশ্বায়নের প্রভাবে যে পরিবর্তন সাধিত হবে তা হলো—</p>
<p>            i. পণ্যের সেবার মূল্য বৃদ্ধি</p>
<p>            ii. জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন</p>
<p>            iii. উদারীকরণ</p>
<p>            নিচের কোনটি সঠিক?</p>
<p>            ক. i ও ii             খ. ii ও iii</p>
<p>            গ. i ও iii            ঘ. i, ii ও iii</p>
<p>৪.         বাংলাদেশে একটি আদর্শ কৃষি খামারের আয়তন কত?</p>
<p>            ক. ৩ একর  খ. ৫ একর   গ. ৮ একর   ঘ. ১০ একর</p>
<p>৫.         বাংলাদেশে কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণের সমস্যা হলো—</p>
<p>            i. কৃষকের দরিদ্রতা  ii. ত্রুটিপূর্ণ ওজন ও পরিমাপ</p>
<p>            iii. দালালদের দৌরাত্ম্য</p>
<p>            নিচের কোনটি সঠিক?</p>
<p>            ক. i ও ii             খ. ii ও iii</p>
<p>            গ. i ও iii            ঘ. i, ii ও iii</p>
<p>৬.         উফশী প্রযুক্তি হলো—</p>
<p>            i. শিল্পে ব্যবহূত নতুন প্রযুক্তি</p>
<p>            ii. কৃষিতে ব্যবহূত বীজভিত্তিক প্রযুক্তি</p>
<p>            iii. কৃষিতে ব্যবহূত কীটনাশকভিত্তিক প্রযুক্তি</p>
<p>            নিচের কোনটি সঠিক?</p>
<p>            ক. i ও ii             খ. ii ও iii</p>
<p>            গ. i ও iii            ঘ. i, ii ও iii</p>
<p>৭.         বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক রপ্তানি শুরু হয় কোন দশকে?</p>
<p>            ক. ৭০-এর দশকে   খ. ৮০-এর দশকে</p>
<p>            গ. ৯০-এর দশকে   ঘ. ৬০-এর দশকে</p>
<p>            উদ্দীপকটি পড় এবং ৮ ও ৯ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও :</p>
<p>            শফিক একজন সৎ, পরিশ্রমী মানুষ। নিজের প্রচেষ্টা ও বন্ধুবান্ধবের সহযোগিতায় কিছু পুঁজি দিয়ে নিজ এলাকায় একটি খাবারের দোকান দেয়। যেখানে তার শ্রমিকের সংখ্যা ২০ জন। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তার দোকানের খ্যাতি চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।</p>
<p>৮.         শফিকের প্রতিষ্ঠিত শিল্পকে কোন ধরনের শিল্প বলা যায়?</p>
<p>            ক. ক্ষুদ্র     খ. বৃহৎ      গ. মাঝারি        ঘ. কুটির</p>
<p>৯.         ওই শিল্পে মূলধনের পরিমাণ হয়—</p>
<p>            i. ৫ লাখ টাকার কম ii. ৫-১০ লাখ টাকার মধ্যে</p>
<p>            iii. ১০ লাখ টাকার ঊর্ধ্বে</p>
<p>            নিচের কোনটি সঠিক?</p>
<p>            ক. i       খ. ii      গ. iii       ঘ. ii, ও iii</p>
<p>১০.       আমদানি বিকল্প শিল্পের উদ্দেশ্য নয় কোনটি?</p>
<p>            ক. পরনির্ভরশীলতা হ্রাস         খ. বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়</p>
<p>            গ. পণ্যের আন্তর্জাতিক চাহিদা পূরণ</p>
<p>            ঘ. আমদানি ব্যয় হ্রাস করা</p>
<p>১১.        কোনটি স্থূল জন্মহার নির্ণয়ের সূত্র?</p>
<p>                            BB</p>
<p>            K. CBR= ___ – 100    </p>
<p>                             P</p>
<p>                             P</p>
<p>            L. CBR= ___ – 100    </p>
<p>                             B</p>
<p>                             B</p>
<p>            M. CBR= ___ – 100   </p>
<p>                             P</p>
<p>                             B</p>
<p>            N. CRB= ___ – 100    </p>
<p>                             চ</p>
<p>১২.        আদমশুমারি গণনা পদ্ধতি কয়টি?</p>
<p>            ক. ১      খ. ২     গ. ৩       ঘ. ৪</p>
<p>১৩.       বাংলাদেশ থেকে কোনো লোক স্থায়ীভাবে আমেরিকায় গমন করলে দেশটির দিক থেকে একে কী বলা হবে?</p>
<p>            ক. অভিগমন          খ. বহির্গমন</p>
<p>            গ. বহিরাগমন         ঘ. অভ্যন্তরীণ গমন</p>
<p>১৪.       খাদ্য নিরাপত্তা বলতে কী বোঝায়?</p>
<p>            ক. বিদেশ থেকে পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য আমদানি</p>
<p>            খ. নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ</p>
<p>            গ. সব আবাদি জমিতে খাদ্যশস্য উৎপাদন</p>
<p>            ঘ. পুষ্টিমান সম্পন্ন খাদ্যের টেকসই জোগান</p>
<p>১৫.       ভোক্তা অধিকার সংক্রান্ত আন্দোলনকারী সংস্থা কোনটি?</p>
<p>            ক. নিখাচা    খ. ক্যাব     গ. ওয়ার্ল্ডভিশন    ঘ. পবা</p>
<p>১৬.        OMS-এর পূর্ণরূপ কী?</p>
<p>            ক. Open Market Szstem</p>
<p>            খ. Open Market Strategy</p>
<p>            গ. Overall Market Strategy</p>
<p>            ঘ. Overall Market Szstem</p>
<p>১৭। ‘বন্ড হলো দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি, যার ভিত্তিতে ঋণগ্রহীতা সুদ ও আসল একটি নির্দিষ্ট তারিখে বন্ড মালিককে ফেরত দিতে অঙ্গীকার করে’—উক্তিটি কার?</p>
<p>            ক. রস ও হেলি       খ. ব্রেগহাম ও রস</p>
<p>            গ. হেলি ও ব্রেগহাম   ঘ. ওয়েস্টার্ন ও ব্রেগহাম</p>
<p>            উদ্দীপকটি পড় এবং ১৮ ও ১৯ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও :</p>
<p>            শাহাদাত সাহেব কিছুদিন আগে একটি স্বনামধন্য কোম্পানির ১০০০টি শেয়ার ক্রয়ের জন্য আবেদন করলে লটারির মাধ্যমে ৮০ টাকা হারে তা ক্রয়ের সুযোগ পান। পরবর্তী সময়ে ওই প্রতিষ্ঠানটির মূলধন বৃদ্ধির জন্য ১ : ১ অনুপাতে ৯০ টাকা হারে শেয়ার বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।</p>
<p>১৮.       জনাব শাহাদাতের ৮০ টাকা হারে ক্রয়কৃত শেয়ারটি কোন ধরনের শেয়ার?</p>
<p>            ক. রাইট   খ. প্রাইমারি   গ. সেকেন্ডারি    ঘ. বোনাস</p>
<p>১৯.        ওই প্রতিষ্ঠানটির ৯০ টাকা হারের নতুন শেয়ারের বৈশিষ্ট্য হলো—</p>
<p>            i. রাইট      ii. বোনাস      iii. প্রাইমারি</p>
<p>            নিচের কোনটি সঠিক?</p>
<p>            ক. i ও ii             খ. ii ও iii</p>
<p>            গ. i ও iii            ঘ. i, ii ও iii</p>
<p>২০.       বাংলাদেশে কখন প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা হয়?</p>
<p>            ক. ১৯৭২ সালে      খ. ১৯৭৩ সালে</p>
<p>            গ. ১৯৭৪ সালে      ঘ. ১৯৭৫ সালে</p>
<p>২১.        মুদ্রাস্ফীতির ফলে সীমিত আয়ের লোকদের ওপর কী প্রভাব পড়ে?</p>
<p>            ক. প্রকৃত আয় কমে  খ. প্রকৃত আয় বাড়ে</p>
<p>            গ. ঋণ বাড়ে          ঘ. জীবনযাত্রার মান বাড়ে</p>
<p>২২.        বৈদেশিক বাণিজ্যের দ্বারা দেশের অভ্যন্তরে কোন কারবারের সম্প্রসারণ রোধ করা যায়?</p>
<p>            ক. অলিগপলি        খ. একচেটিয়া</p>
<p>            গ. ডুয়োপলি          ঘ. প্রতিযোগিতামূলক</p>
<p>২৩.       অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যে দ্রব্যের ওপর কোন শুল্ক ধার্য করা হয়?</p>
<p>            ক. রপ্তানি শুল্ক        খ. আমদানি শুল্ক</p>
<p>            গ. আবগারি শুল্ক      ঘ. বাণিজ্য শুল্ক</p>
<p>২৪.       বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের বৈশিষ্ট্য কোনটি?</p>
<p>            ক. শিল্পজাত পণ্য রপ্তানি       খ. আমদানি ব্যয় কম</p>
<p>            গ. জনশক্তি রপ্তানি   ঘ. বাণিজ্য শক্তি</p>
<p>২৫.       ‘সরকারি অর্থব্যবস্থা সরকারের আয়-ব্যয় এবং তাদের একটির সঙ্গে অন্যটির সামঞ্জস্য বিধানের কার্যাবলি আলোচনা করে।’ উক্তিটি কার?</p>
<p>            ক. এইচ ডাল্টন  খ. মাসগ্রেভ  গ. প্লেহন   ঘ. ক্রাউথেন</p>
<p>২৬.        ‘ঢ’ একটি দেশ। এ দেশের সরকার দেশ পরিচালনা করার জন্য বিভিন্ন সময় ঋণ নিয়ে থাকে। কখনো কখনো এই ঋণ গ্রহণের ফলে জনগণের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পায়। দেশটি কোন উৎস থেকে ঋণ গ্রহণ করার ফলে ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পায়?</p>
<p>            ক. আন্তর্জাতিক       খ. বাণিজ্যিক</p>
<p>            গ. অভ্যন্তরীণ         ঘ. কেন্দ্রীয় ব্যাংক</p>
<p>২৭.       ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো—</p>
<p>            i. আয় বৈষম্য বৃদ্ধি   ii. প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা</p>
<p>            iii. মানব উন্নয়ন</p>
<p>            নিচের কোনটি সঠিক?</p>
<p>            ক. i ও ii             খ. ii ও iii</p>
<p>            গ. i ও iii            ঘ. i, ii ও iii</p>
<p>            উদ্দীপকটি পড় এবং ২৮ ও ২৯ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও :</p>
<p>            পাভেল সাহেব একটি প্রতিষ্ঠানে অনেক বছর ধরে চাকরি করছেন। সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের পে-স্কেল ঘোষণার ফলে তাঁর বেতন বেড়েছে। তিনি কয়েকটি ক্রেডিট কার্ডও ব্যবহার করেন। তবু তিনি তাঁর বাড়তি ভোগ মেটাতে সক্ষম হচ্ছেন না।</p>
<p>২৮.       জনাব পাভেল কোন কারণে চাহিদা পূরণে সক্ষম হচ্ছেন না?</p>
<p>            ক. স্বল্পোৎপাদন     খ. মুদ্রা সংকোচন</p>
<p>            গ. মুদ্রাস্ফীতি         ঘ. রপ্তানি বৃদ্ধি</p>
<p>২৯.        জনাব পাভেলের ব্যয়যোগ্য আয় বৃদ্ধির কারণ হলো—</p>
<p>            i. মঞ্জুরি বৃদ্ধি         ii. ভোগপ্রবণতা বৃদ্ধি</p>
<p>            iii. ঋণের সহজ প্রাপ্যতা</p>
<p>            নিচের কোনটি সঠিক?</p>
<p>            ক. i ও ii             খ. ii ও iii</p>
<p>            গ. i ও iii            ঘ. i, ii ও iii</p>
<p>৩০.       স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার সুবিধা কী?</p>
<p>            ক. কম মূলধন প্রয়োজন হয়</p>
<p>            খ. সাহায্য প্রাপ্তি      গ. ক্ষতি নেই</p>
<p>            ঘ. কাজ সহজে করা যায়</p>
<p>উত্তরমালা : ১. গ ২. ঘ ৩. খ ৪. ক ৫. ঘ ৬. খ ৭. ক ৮. ক ৯. গ ১০. গ ১১. গ ১২. ঘ ১৩. খ ১৪. ঘ ১৫. খ ১৬. ক ১৭. ঘ ১৮. গ ১৯. ক ২০. খ ২১. ক ২২. খ ২৩. গ ২৪. গ ২৫. ক ২৬. ঘ ২৭. খ ২৮. গ ২৯. ক ৩০. ক।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%b6-%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%b6-%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d/">একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির অর্থনীতি দ্বিতীয়পত্র</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%b6-%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%b6-%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গোষ্ঠীতন্ত্রের পছন্দের বাজেট</title>
		<link>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%a0%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%9b%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac/</link>
					<comments>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%a0%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%9b%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪]]></dc:creator>
		<pubDate></pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থ ও বাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[বাজেট]]></category>
		<category><![CDATA[বাজেট ২০১৮-১৯]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://breakingbdnews24.net/bn/?p=427588</guid>

					<description><![CDATA[<p>আমলাদের বেতন খরচের দ্বিতীয় খাত। আর ঋণ করে তা জোগাতে হয় বলে ঋণের সুদাসল পরিশোধ রাজস্ব ব্যয়ের পয়লা খাত। ব্যাংকে নৈরাজ্য থাকার পরও করপোরেট কর কমবে, ব্যাংক কমিশন করে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে না। বিচারহীনতার সংস্কৃতি আর্থিক খাতের অন্য খাত তথা পুঁজিবাজারেও। পাশাপাশি গোষ্ঠীতন্ত্রের তুষ্টির খাতগুলোতে বরাদ্দ সর্বোচ্চ। বাজেট বাস্তবায়নে ধারাবাহিক অবনতি অনেকে বলে থাকেন, &#8230;</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%a0%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%9b%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac/">গোষ্ঠীতন্ত্রের পছন্দের বাজেট</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-427591" src="https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2018/06/bajet-4.jpg" alt="" width="638" height="727" /></p>
<p>আমলাদের বেতন খরচের দ্বিতীয় খাত। আর ঋণ করে তা জোগাতে হয় বলে ঋণের সুদাসল পরিশোধ রাজস্ব ব্যয়ের পয়লা খাত। ব্যাংকে নৈরাজ্য থাকার পরও করপোরেট কর কমবে, ব্যাংক কমিশন করে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে না। বিচারহীনতার সংস্কৃতি আর্থিক খাতের অন্য খাত তথা পুঁজিবাজারেও। পাশাপাশি গোষ্ঠীতন্ত্রের তুষ্টির খাতগুলোতে বরাদ্দ সর্বোচ্চ।</p>
<p><strong>বাজেট বাস্তবায়নে ধারাবাহিক অবনতি</strong><br />
অনেকে বলে থাকেন, বাজেটের আকার বড়। কিন্তু আশপাশের উন্নয়নশীল দেশগুলোর হিসাব তা বলে না। বাংলাদেশের ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট যেখানে জিডিপির ২১ শতাংশের কাছাকাছি, সেখানে ভারতে তা ২৬ ও মালয়েশিয়ায় ২৭ শতাংশ। এ ছাড়া উঠতি উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বাজেট জিডিপির ৩১ শতাংশ। তা ছাড়া কোনো বছরই বাজেট পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয় না। গত অর্থবছরে ২১ শতাংশ বাজেট বাস্তবায়িত হয়নি। এ হিসাবে প্রস্তাবিত বাজেট আসলে ৩ লাখ ৭১ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়ায়। প্রকল্প প্রণয়ন ও দক্ষতার সংকট, ব্যয়ের দক্ষতার সংকটের ফলে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) পুরোপুরি বাস্তবায়িত হচ্ছে না। ফলে প্রকৃত এডিপির আকার কমছে।</p>
<p>বাজেট বাস্তবায়নই বর্তমানে অন্যতম চ্যালেঞ্জ। ২০১১-১২ অর্থবছর থেকে বাজেট বাস্তবায়নের হার ক্রমেই কমছে। ওই বছর বাজেটের ৯৩ শতাংশ বাস্তবায়িত হয়। এভাবে পর্যায়ক্রমে ২০১২-১৩ অর্থবছরে ৯১ শতাংশ, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৮৫ শতাংশ, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৮২ শতাংশ, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৭৯ শতাংশ ও ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৭৮ শতাংশ হয়।</p>
<p><strong>কর-জিডিপি অনুপাত এবং অবাস্তব লক্ষ্যমাত্রা</strong><br />
বাংলাদেশে কর-জিডিপি অনুপাত ২০০৯ সালে ছিল ৯ শতাংশ, যা পরে কমে ২০১৩-১৪ এবং ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৮ দশমিক ৬ শতাংশ হয়। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের কর-জিডিপি অনুপাত হয় ৮ দশমিক ৮ শতাংশ, যেখানে পাশের ভারতে ছিল ১৬ দশমিক ১৬, পাকিস্তানে ১০ দশমিক ৫, শ্রীলঙ্কায় ১১ দশমিক ৮ এবং নেপালে ১৮ দশমিক ৪ শতাংশ। বাংলাদেশে পশ্চাদগামী (রিগ্রেসিভ) কর কাঠামো বিদ্যমান। রাজস্ব আয়ে প্রত্যক্ষ করের চেয়ে পরোক্ষ করের অবদান বেশি। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক সংগৃহীত রাজস্বের অর্ধেকের বেশি আসে ভ্যাট ও আবগারি শুল্ক থেকে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে আয়কর ও ভ্যাট থেকে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে যথাক্রমে ১০০,৭১৯ কোটি ও ১১০,৫৫৫ কোটি টাকা।</p>
<p>২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা। এটা আগের অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের চেয়ে ৭৯ হাজার ৮২৬ কোটি টাকা বা প্রায় ৩১ শতাংশ বেশি। অথচ প্রতি অর্থবছরেই রাজস্ব সংগ্রহে উল্লেখযোগ্য ঘাটতি থাকে। ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ঘাটতি যথাক্রমে ৩১ হাজার ৪৩ কোটি ও ২৪ হাজার ২৫২ কোটি টাকা। আর ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে ঘাটতির পরিমাণ ২৩ হাজার কোটি টাকা।</p>
<p><strong>করের টাকা কোথায় যায়</strong><br />
সরকারি ব্যয়ের বড় অংশ যাচ্ছে প্রধান দুটি অনুৎপাদনশীল খাতে। যথা: ১. সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ২. ঋণের সুদ পরিশোধ। এ বছরের অনুন্নয়ন বাজেটে সবচেয়ে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে সরকারি ঋণের সুদ পরিশোধে (১৮ শতাংশ)। গত বাজেটে তা ছিল ১৬ দশমিক ৯ শতাংশ। এরপরই বরাদ্দ বেশি পেয়েছে শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাত (১৩ দশমিক ৬ শতাংশ)—আগের বছরের চেয়ে প্রায় ১ শতাংশ কম। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের জন্য ৫৩ হাজার ৫৪ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এটি খাতওয়ারি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ। তবে এখানে শিক্ষার মান উন্নয়ন অথবা দক্ষতা বৃদ্ধির বিপরীতে অবকাঠামো খাতের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অনুমেয় যে স্থানীয় সাংসদ ও অন্যান্য রাজনৈতিক সুবিধাভোগী গোষ্ঠীর জন্য এ ধরনের বরাদ্দ।</p>
<p>বাংলাদেশে অবকাঠামো নির্মাণে ব্যয় পৃথিবীতে সর্বোচ্চ। নির্মাণ সময়ও সর্বোচ্চ। নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধির মাধ্যমে জনগণের সম্পদ লুট করা হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, বাংলাদেশে সম্প্রতি মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার জন্য প্রতি কিলোমিটারে ব্যয় করা হয়েছে ৫৪ কোটি টাকা। ইউরোপে একই ধরনের মহাসড়ক নির্মাণে প্রতি কিলোমিটারে গড়ে ব্যয় হয় ২৮ কোটি টাকা। চীনের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় চার লেন মহাসড়কের প্রতি কিলোমিটারের জন্য ব্যয় বরাদ্দ রাখা হয় ১২-১৩ কোটি টাকা এবং দুই লেন মহাসড়কের প্রতি কিলোমিটারে ব্যয় ১০ কোটি টাকা। যথাযথ কারণেই গোষ্ঠীতন্ত্রের তুষ্টিতে এ খাতে বরাদ্দ সর্বোচ্চ।</p>
<p>তারপরে অবস্থান জ্বালানি খাতের। একই রকম কারণে। এ সরকারের আমলে সবচে বেশি ভর্তুকি দিতে হয়েছে বিদ্যুৎ খাতে। রেন্টাল, কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র এবং ভারত থেকে অতি উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ কিনে ভর্তুকি দিয়ে গ্রাহকদের সরবরাহ করা হয়েছে ও হচ্ছে। বিদ্যুতের ইউনিটপ্রতি মূল্য বারবার বাড়ানো হয়েছে। তা সত্ত্বেও বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির পরিমাণ কমানো যাচ্ছে না।</p>
<p>বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতে সরকার অপরিণামদর্শীভাবে একের পর এক ব্যয়বহুল প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য চুক্তি করে চলেছে। এসব প্রকল্প উচ্চসুদে বিদেশি ঋণ গ্রহণের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর ফলে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে, যা জনগণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। যদি কৃত্রিমভাবে গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম কমিয়ে রাখতে হয়, তাহলে প্রতিবছর এ দুটি খাতে যে পরিমাণ অর্থ ভর্তুকি দিতে হবে, তা দেশের অর্থনীতিতে ভয়াবহ প্রভাব ফেলবে।</p>
<p>এতত্সত্ত্বেও বিদ্যুৎ ব্যবস্থার আশাব্যঞ্জক উন্নতি হয়নি। ঢাকা মহানগর ছাড়া দেশের ছোট-বড় শহর/নগর ও গ্রাম এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ অপ্রতুল ও অনিয়মিত। গ্যাস সরবরাহের বেলাতেও একই অবস্থা বিদ্যমান। বাংলাদেশে পর্যাপ্ত সৌরশক্তি থাকা সত্ত্বেও সৌরশক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় অনেক কম।</p>
<p><strong>বরাদ্দ কমে যাওয়ার খাতগুলো</strong><br />
সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ খাতে বরাদ্দ কমেছে। প্রস্তাবিত বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৬ দশমিক ৪ শতাংশ। চলতি বাজেটে আছে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ। পেনশন, অবসর ভাতায় বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৯ দশমিক ১ শতাংশ। দীর্ঘদিন ধরে ইউনিভার্সাল পেনশন স্কিমের প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু এখানে প্রশ্ন হলো আমাদের দেশে ৮৭ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাত। এই আমলাতন্ত্রকে দিয়ে এই বিশাল খাতের জন্য পেনশনের ব্যবস্থা এবং তা বাস্তবায়ন অলীক কল্পনামাত্র বাস্তবায়নের কোনো পদক্ষেপ লক্ষণীয় নয়।</p>
<p><strong>ঋণ করে ঘি খাওয়ার অর্থনীতি</strong><br />
যদি সরকার প্রস্তাবিত ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন করতে যায়, যদিও তার সম্ভাবনা কম, সরকারকে ধার্যকৃত প্রস্তাবিত লক্ষ্যমাত্রার অধিক ঋণ নিতে হবে। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আয় হওয়ার সম্ভাবনা একদিকে যেমন কম এবং অন্যদিকে বৈদেশিক উৎস থেকে প্রস্তাবিত ৫০,০১৬ কোটি টাকার ঋণ ও অনুদান সাহায্য পাওয়ার সম্ভাবনাও কম। তাই অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ঋণ লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় বেড়ে যাবে।</p>
<p>প্রতিবছর বাজেটে ঘাটতি রাখা হয় জিডিপির ৫ শতাংশ। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ জিডিপির ৪ দশমিক ৯ শতাংশ। বাজেট ঘাটতি ৫ শতাংশের মধ্যে রাখতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে বরাদ্দ সীমিত হয়ে পড়ে। অথচ দেখা যায়, বাজেটে বরাদ্দ অর্থের সম্পূর্ণ অংশ বিভিন্ন কারণে ব্যয় করা সম্ভব হয় না, যা বাজেট ঘাটতির পরিমাণ কমায়। বাস্তবে বাজেট ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়ায় ৩ শতাংশের মতো। অথচ শিক্ষা, স্বাস্থ্যের মতো খাতে যেখানে বিনিয়োগ করলে গুণগত প্রভাব তৈরি হয়, সেখানে প্রয়োজনের তুলনায় বরাদ্দ কম রাখা হয়। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ মোট বাজেটের বরাদ্দের অনুপাতে স্থির রয়েছে। বাজেট ঘাটতির হিসাবে ঠিক থাকলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বাড়ে।</p>
<p><strong>বড় প্রকল্পগুলো শেষ হবে তো?</strong><br />
আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) প্রকল্পওয়ারি বরাদ্দ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের অগ্রাধিকার তালিকার একটি প্রকল্পও শেষ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে বড় প্রকল্পগুলোর জন্য অবশ্য বেশি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তালিকায় ১০টি প্রকল্প আছে—পদ্মা সেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মাতারবাড়ী ১২০০ মেগাওয়াট আলট্রা সুপার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ, ঢাকা ম্যাস র&#x200d;্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (মেট্রোরেল প্রকল্প), পদ্মা সেতু রেলসংযোগ, দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু থেকে মিয়ানমারের কাছাকাছি গুনদুম পর্যন্ত সিঙ্গেল লাইন দ্বৈতগেজ রেলপথ, মহেশখালীতে এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্প প্রভৃতি।</p>
<p>আয়-ব্যয়ে স্বচ্ছতা থাকতে হয়। আর্থিক ব্যয় ব্যবস্থায় শৃঙ্খলাও জরুরি। যেসব খাতে বরাদ্দ বাড়ানো অথবা কমানো হয়েছে তা যেমন স্বচ্ছ নয়, তেমন অবস্থা আয় ও ব্যয় ব্যবস্থাপনায়। এতে কার ওপর কত চাপ পড়বে, কোন খাত থেকে বাড়তি টাকা আসবে, সে ব্যাপারেও কোনো পরিষ্কার কৌশল ও ধারণা অনুপস্থিত। সৃজনশীল চিন্তাভাবনার সংকটও প্রকট।</p>
<p><strong>রাজনৈতিক বন্দোবস্তের প্রতিফলন</strong><br />
বাজেটের আকার আয় ও ব্যয় এ দেশের রাজনৈতিক বন্দোবস্তের প্রতিফলন ঘটিয়েছে। রাজনৈতিক বন্দোবস্ত নির্ভর করে ক্ষমতার ভাগাভাগি ও দখলের ওপর। সে কারণেই নিম্ন, গরিব ও সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের ওপর করের চাপ যেমন বেড়েছে, ঠিক ততোধিক হারে ক্ষমতাশ্রয়ী গোষ্ঠীতান্ত্রিক সুবিধাভোগী শ্রেণি সুবিধা পেয়েছে। রাজনীতিক, ব্যবসায়ী ও আমলাদের এই সম্পদ নির্ভরশীল পৃষ্ঠপোষকতাপ্রাপ্ত সিন্ডিকেট তৃণমূল থেকে কেন্দ্র তথা ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত উল্লম্ব কাঠামোতে আবদ্ধ এবং একইভাবে শাসনক্ষমতার প্রতিটি স্তরে তথা ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও কেন্দ্র পর্যন্ত আবার অনুভূমিকভাবে জড়িত। এর মাধ্যমে ওপর-নিচ পর্যায়ে অনেকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ভাগাভাগির অংশীজন হতে পারে। সে কারণেই সর্বস্তরে ভৌত অবকাঠামো তথা রাস্তাঘাট, সেতু, জ্বালানি খাতে বরাদ্দ সর্বাধিক বাড়ানো হয়েছে। একই ধারায় স্থানীয় পর্যায়ে সাংসদদের তত্ত্বাবধানে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা অবকাঠামো নির্মাণে বরাদ্দ দিয়ে রাষ্ট্রীয় সম্পদে বখরার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>ওই একই যুক্তিতে আমলাদের বেতন খরচের দ্বিতীয় খাত। আর ঋণ করে জোগাতে হয় বলে ঋণের সুদাসল পরিশোধ রাজস্ব ব্যয়ের প্রথম খাত। ব্যাংকে নৈরাজ্য থাকার পরও করপোরেট কর কমবে, ব্যাংক কমিশন করে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে না। বিচারহীনতার সংস্কৃতি আর্থিক খাতের অন্য খাত তথা পুঁজিবাজারেও। অর্থাৎ জোরজবরদস্তির মাধ্যমে আদিম পদ্ধতিতে পুঁজির পুঁজিভবন ঘটছে। বেড়ে চলেছে সম্পদ ও আয়ের বৈষম্য। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার—সাম্য, সামাজিক ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদার উল্টোরথ চলছে।</p>
<p><strong>ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর:</strong> অধ্যাপক, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং চেয়ারপারসন, উন্নয়ন অন্বেষণ।</p>
<ul>
<li><em><strong>ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪ / ০৯ জুন ২০১৮ / তানজিল আহমেদ</strong></em></li>
</ul>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%a0%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%9b%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac/">গোষ্ঠীতন্ত্রের পছন্দের বাজেট</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%a0%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%9b%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>দেশের গণতন্ত্র ও অর্থনীতি এখন অনেক শক্তিশালী : প্রধানমন্ত্রী</title>
		<link>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%93-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4/</link>
					<comments>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%93-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪]]></dc:creator>
		<pubDate></pubDate>
				<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://breakingbdnews24.net/bn/?p=422983</guid>

					<description><![CDATA[<p>উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে দেশবাসীর সহায়তা চেয়েছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল গণভবনে ইফতার পূর্ব সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র এখন শক্ত ভিতের ওপর প্রতিষ্ঠিত এবং দেশের অর্থনীতিও এখন যথেষ্ট শক্তিশালী। তিনি বলেন, আমরা সব ক্ষেত্রেই এখন এগিয়ে গিয়েছি এবং আমাদের গণতন্ত্রও এখন শক্ত ভিতের ওপর প্রতিষ্ঠিত, সেইসঙ্গে আমাদের অর্থনীতিও এখন যথেষ্ট &#8230;</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%93-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4/">দেশের গণতন্ত্র ও অর্থনীতি এখন অনেক শক্তিশালী : প্রধানমন্ত্রী</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-422992" src="https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2018/06/pm.jpg" alt="" width="600" height="400" /></p>
<p>উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে দেশবাসীর সহায়তা চেয়েছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল গণভবনে ইফতার পূর্ব সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র এখন শক্ত ভিতের ওপর প্রতিষ্ঠিত এবং দেশের অর্থনীতিও এখন যথেষ্ট শক্তিশালী। তিনি বলেন, আমরা সব ক্ষেত্রেই এখন এগিয়ে গিয়েছি এবং আমাদের গণতন্ত্রও এখন শক্ত ভিতের ওপর প্রতিষ্ঠিত, সেইসঙ্গে আমাদের অর্থনীতিও এখন যথেষ্ট শক্তিশালী। যে চেতনা নিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে সেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে যেন আমরা উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলতে পারি, সে লক্ষ্য নিয়েই আমি কাজ করছি। আগামী ২০২১ সালের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ এবং ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পারি। এ জন্য দেশবাসীর সহায়তা চাই। প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সম্মানে আয়োজিত ইফতারের আয়োজন করেন। প্রতি বছর ইফতারে তিনি বক্তৃতা না করলেও গতকাল ছিল ব্যতিক্রম। বিকাল ৬টায় গণভবনের পশ্চিম মাঠে আসেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে টেবিল ঘুরে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কুশলবিনিময় করেন। এরপর মঞ্চে উঠে মাইক নিয়ে প্রথমে আগত অতিথিদের মাহে রমজান এবং আসন্ন ঈদুল ফিতরের অগ্রিম শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর দল ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে যে দিনবদলের সনদ ঘোষণা করেছিল সেই সনদ অনুযায়ী তাঁর সরকারের বিভিন্ন কার্যকরী পদক্ষেপের ফলে মানুষের দিনবদল  শুরু হয়ে গেছে। যে স্বপ্ন দেখেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু।  বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উঠে এসেছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, পরমাণু বিশ্বে আমাদের প্রবেশ ঘটেছে এবং বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ সফলভাবে উেক্ষপণের মাধ্যমে আমরা মহাকাশেও পৌঁছে গেছি।  তিনি বলেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং এই অগ্রগতির ধারাবাহিকতা যেন বজায় থাকে। যে চেতনা নিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে সেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে যেন আমরা উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলতে পারি।  তিনি বলেন, বাংলাদেশ সব দিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের অর্থনীতির ভিত্তি মজবুত হয়েছে। জাতির পিতা দেশ স্বাধীন করে দিয়েছিলেন। তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যেই আমি কাজ করছি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, এলজিআরডি মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, জাতীয় পার্টি (মঞ্জু) চেয়ারম্যান পানিসম্পদ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, বিএনএ চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা প্রমুখ। পরে ইফতারের আগে দেশ-জাতি এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতে ’৭৫ এর ১৫ আগস্টে শাহাদাত বরণকারী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তার স্ত্রী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব এবং সেদিনের সব শহীদ, জাতীয় চার নেতা, মুক্তিযুদ্ধের সব শহীদ এবং দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আত্মাহুতি দানকারীদের আত্মার শান্তি কামনা করে দোয়া করা হয়।</p>
<p>আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠন, মহিলা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষকলীগ, শ্রমিক লীগ, ১৪ দলীয় জোট, শেখ রাসেল শিশু কিশোর সংসদ ও সদস্যগণ ইফতার মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%93-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4/">দেশের গণতন্ত্র ও অর্থনীতি এখন অনেক শক্তিশালী : প্রধানমন্ত্রী</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%93-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
