আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসন থেকে লড়তে প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন ১০ প্রার্থী। আসনটিকে ঘিরে নির্বাচনী মাঠে লড়বেন আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, বিজেপি ও ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের প্রার্থীরা। গুরুত্বপূর্ণ এই আসনটিকে ঘিরে জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। এই আসনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন অভিনয়শিল্পী আকবর হোসেন পাঠান ফারুক। আরো
চট্টগ্রামের ১৬টি আসনে অনেক হেভিওয়েট প্রার্থীর নাম আলোচনায় থাকলেও শেষ মুহূর্তে পাল্টে গেছে অনেক সমীকরণ। বিএনপির প্রার্থী হিসেবে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী আসনে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোর্শেদ খানকে অপ্রতিদ্বন্দ্বী ভাবা হলেও শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন পাননি তিনি। গুরুকে বাদ দিয়ে এ আসনে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন তারই শিষ্য আবু সুফিয়ান। মনোনয়ন বৈধ না হওয়ায় নিজ আরো
ফেনী-১, বগুড়া-৬ ও ৭ আসনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রার্থিতা বাতিল করে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিভক্ত আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত রিটের শুনানি শেষে মঙ্গলবার (১১ ডিসেম্বর) বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহম্মেদ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বিভক্ত আদেশ দেন। আদেশের পর আরো
আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনে ওয়ার্কার্স পাটির পক্ষে ভোট চাইতে এসে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের তোপের মুখে তালা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ঘোষ সনৎ কুমার। সোমবার (১০ ডিসেম্বর) রাত ৮টার দিকে জেলার পাটকেলঘাটা আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা তাকে লাঞ্ছিত করে আরো
আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রচারণার জন্য ২০ জেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনসভা করবেন বলে জানা গেছে। দলীয় সূত্র জানায়, বুধবার (১২ ডিসেম্বর) বিকালে টুঙ্গিপাড়া আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় এবং কোটালীপাড়ায় পৃথক আরেকটি জনসভায় যোগ দেবেন শেখ হাসিনা। টুঙ্গিপাড়ায় নিজ বাড়িতে রাতযাপন শেষে পরদিন বৃহস্পতিবার সড়কপথে মাওয়া হয়ে ঢাকায় ফেরার আরো
জোটবদ্ধ তিনটি নির্বাচনে দেশের একটি আসনে জামায়াত ও বিএনপি কেউ কাউকে ছাড় দিতে রাজি হয়নি। এটি হলো চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর আসন)। এখানে নৌকা নিয়ে আওয়ামী লীগের আবদুল ওদুদের পাশাপাশি ধানের শীষ নিয়ে লড়বেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হারুনুর রশীদ। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আপেল নিয়ে লড়বেন জামায়াত নেতা নুরুল ইসলাম বুলবুল। এই আরো
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ১৯৯১ সাল থেকে আওয়ামী লীগ হেরেছে একবারই। বিএনপি ও জামায়াত জোটবদ্ধ হওয়ার পর ২০০১ সালে সেখানে জেতেন বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। কিন্তু ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ জাতীয় পার্টির সঙ্গে জোট করার পর আবার আসনটি পুনরুদ্ধার করে, জয় পায় ৫৭ হাজার ভোটে। এই আসনটিতে জামায়াত ও জাতীয় পার্টি আরো
৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে অন্তত ৫৭টি আসন আছে, যেখানে ১৯৯১ সালের পর থেকে প্রায় সব নির্বাচনেই জিতে এসেছেন বিএনপির প্রার্থীরা। অবশ্য এসব আসনের মধ্যে ২০০৮ সালে বেশ কিছু তারা হারিয়ে ফেলে আওয়ামী লীগের কাছে। ঢাকা এবং আশপাশের কয়েকটি জেলা, বগুড়া, জয়পুরহাট, রাজশাহীতে প্রথমবারের মতো হার দেখতে হয় দলটিকে। এবার আসনগুলো আরো
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে। এসময় নির্বাচনী অফিস ও কয়েকটি দোকান ভাংচুর করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত দফায় দফায় কবিরহাট বাজারের বিভিন্ন স্থানে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আরো
বগুড়া: বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক এমপি গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের (জিএম সিরাজ) গাড়ি বহরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের ব্যক্তিগত গাড়িসহ অন্তত ১০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। এরমধ্যে কয়েকটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ আরো