<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>রাতের গল্প &#8211; ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</title>
	<atom:link href="https://breakingbdnews24.net/bn/category/nightstory/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://breakingbdnews24.net/bn</link>
	<description>Breaking News of Bangladesh</description>
	<lastBuildDate>Sat, 10 Oct 2020 17:24:17 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.8.3</generator>

<image>
	<url>https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2025/07/cropped-fevcon-32x32.jpg</url>
	<title>রাতের গল্প &#8211; ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</title>
	<link>https://breakingbdnews24.net/bn</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>ট্রেন মিস করা কি’শোরী’কে সা’রারা’ত পা’লা’ক্রমে ধ’র্ষ’ণ</title>
		<link>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b8-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b8-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪]]></dc:creator>
		<pubDate></pubDate>
				<category><![CDATA[viralnews]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[রাতের গল্প]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://breakingbdnews24.net/bn/?p=514571</guid>

					<description><![CDATA[<p>মা’মা’র বাড়ি’তে যাওয়ার পথে কি’শোরী (১৫) গণ’ধর্ষ’ণের অ’ভি’যোগ তু’লে লা’লম”নির’হাটের কা’লীগ’ঞ্জ থানায় ৪ জন’কে আ’সা’মি করে মা’ম’লা ক’রেছে। এ ঘট’নায় অভি’যান চা’লিয়ে একজ’নকে গ্রে’ফ’তার ক’রেছে পুলিশ। অ’ভি’যোগ উ’ঠে’ছে স্থা’নীয় মা’তব্বর’রা বৈঠকে ব’সে গণ’ধ’র্ষ’ণের ঘটনা ধা’মা’চাপা দিতে মোটা অংকের টাকা নিয়ে’ছেন ধ”র্ষ’ক’দের কাছ থেকে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকে”লে কা’লীগ’ঞ্জ প্রেস’ক্লা’ব এলাকা থেকে কি’শো’রীকে উ’দ্ধা’র করে হেফা’জ’তে &#8230;</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b8-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%87/">ট্রেন মিস করা কি’শোরী’কে সা’রারা’ত পা’লা’ক্রমে ধ’র্ষ’ণ</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>মা’মা’র বাড়ি’তে যাওয়ার পথে কি’শোরী (১৫) গণ’ধর্ষ’ণের অ’ভি’যোগ তু’লে লা’লম”নির’হাটের কা’লীগ’ঞ্জ থানায় ৪ জন’কে আ’সা’মি করে মা’ম’লা ক’রেছে। এ ঘট’নায় অভি’যান চা’লিয়ে একজ’নকে গ্রে’ফ’তার ক’রেছে পুলিশ।</p>
<p>অ’ভি’যোগ উ’ঠে’ছে স্থা’নীয় মা’তব্বর’রা বৈঠকে ব’সে গণ’ধ’র্ষ’ণের ঘটনা ধা’মা’চাপা দিতে মোটা অংকের টাকা নিয়ে’ছেন ধ”র্ষ’ক’দের কাছ থেকে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকে”লে কা’লীগ’ঞ্জ প্রেস’ক্লা’ব এলাকা থেকে কি’শো’রীকে উ’দ্ধা’র করে হেফা’জ’তে নেয় কালী’গঞ্জ থানা পুলিশ।’</p>
<p>পুলিশ ও ওই কি’শোরী জানা’য়, রংপু’রের কা’উ’নিয়া এলাকা’র মা’মা’র বা’ড়ি থেকে এতিম কিশোরী (১৫) গত সো’মবার (৫ অক্টোবর) লা’লম’নিরহা’টের পাটগ্রামে খালার বাড়ি বে’ড়াতে আসে। সেখান থেকে পর’দিন স’ন্ধ্যায়</p>
<p>লাল’মনি’রহাটগা’মী আ’ন্তঃন’গর কর’তো’য়া এক্সপ্রেস ট্রেনে কাউ’নি’য়ার উদ্দে’শ্যে রওনা দেয়। ট্রেন কালীগঞ্জের কা’কিনা স্টেশনে দাঁ’ড়ালে ওই কিশো’রী পানি নি’তে ট্রে’ন থে’কে নে’মে পড়ে।</p>
<p>এ সময় কা’কি’না স্টেশনে নি’জে’কে রকি পরি’চয় দি’য়ে এক ছেলে জান’তে চাই’লে ওই কি’শোরী কাউ’নিয়া যা”চ্ছে বলে পরিচয় দিলে যু’বক রকিও নি’জেকে কাউ’নি’য়ার বাসিন্দা বলে পরি’চয় দেয়।</p>
<p>এরই মাঝে ট্রে’ন স্টে’শন ছে’ড়ে গে’লে রকি অ”টোরি’কশা যোগে কাউ’নিয়া যাবেন এবং সেই অ’টোরি’কশায় তাকে বা’ড়ি পৌঁ’ছে দে’য়ার প্রতি’শ্রু’তি দেয়।</p>
<p>সেই মো’তাবেক একটি অ”টোরিকশা’যো’গে রকি না’মের ওই যু’বক কি’শো’রী’কে নিয়ে কা’উনিয়া যাও’য়ার কথা বলে বিভি’ন্ন সড়’কের ঘু’রে ম’ধ্যরা’তে এ’কটি সেচ পা’ম্পের নির্জন ঘ’রে নিয়ে রকি’র আরও তিন বন্ধু’সহ চার যুব’ক মি’লে পা’লা’ক্র’মে কি’শো’রী’কে ধ”র্ষ’ণ করে।</p>
<p>প’রদিন বুধবার (৭ অক্টোবর) সকা’লে মুখ না খো’লা’র শ’র্তে কি’রী’কে মু’ক্তি দেয় চার যু’বক। প’রে অ’সুস্থ কি’শো’রী পথ ভু’লে চল’তে থা’কলে স্থা’নীয়’দের জি’জ্ঞা’সা’বাদে বিষয়টি স্বী’কার করে সে। প’রে স্থা’নী’য়দের সহা’য়তা’য় এক গ্রাম পু’লিশ সদ’স্যের বা’ড়িতে আ’শ্রয় নেয় ও’ই কি’শোরী।</p>
<p>বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রা’তে বি’ষয়টি নিয়ে স্থানী’য় মাতব্বররা বৈ’ঠকে ব’সে ধ’র্ষ’ণকা’রী যুব’কদে’র শ’না’ক্ত করে মো’টা অংকের টাকা জ’রিমা’না আ’দায় করেন বলেও ওই কি”শো’রী দাবি করে। জ’রি’মানার টাকা কি’শো’রীকে</p>
<p>না দি’য়ে উ’ল্টো তাকে হু’ম’কি ধা’ম’কি দিয়ে পথ’খর’চ দুই হা’জার টা’কা দিয়ে মা’তব্ব’ররা তাকে পা’ঠিয়ে দেয় বলে অভি’যো’গ করেন ধ’র্ষি’তা।</p>
<p>পরে শুক্র’বার (৯ অক্টোবর) দুপুরে ‘স্থানী”য়দের মাধ্যমে ওই কি’শো’রী কা’লী’গঞ্জ প্রেস’ক্লা’বে আশ্র’য় নেয়। প্রে’সক্লাবে ঘট’নার লো’ম’হ’র্ষক এ বর্ণ’না শুনে সাংবা’দিক’রা থানা পুলিশ’কে অ’বগত করলে কা’লী’গঞ্জ থানা</p>
<p>পু’লিশ ওই কি’শোরী’কে উ’দ্ধার করে হে’ফাজ’তে নেয়। ধ’র্ষি’তার দে’য়া তথ্য’ম’তে প্রা’থমি’ক ত’দন্ত শুরু করে কা’লীগ’ঞ্জ থানা পুলিশ। রাত ৯টার দিকে ৪ জন’কে আ’সা’মি করে থা’না’য় একটি মা’ম’লা দা’য়ে’র করেন।</p>
<p>কালী’গঞ্জ থানা পু’লিশের ভারপ্রা”প্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) ফ’রহা’দ হোসেন বলেন, কিশো’রী’র দেয়া ত’থ্যে’র</p>
<p>প্রাথমিক ত’দন্ত করে একটি মা’ম’লা নে”য়া হয়েছে। আ’সা’মি’দের মধ্যে এক’জ’নকে গ্রে’ফ’তার করা হ’য়েছে। বা’কিদের ধর’তে মাঠে পুলিশ নে’ছেন। দ্রুত বাকি আ’সা’মিদে’র ধ’রা হবে ব’লেও তিনি জা’নান।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b8-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%87/">ট্রেন মিস করা কি’শোরী’কে সা’রারা’ত পা’লা’ক্রমে ধ’র্ষ’ণ</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b8-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>একদিন  হঠাৎ বিছানায় গিয়ে বুঝতে পারলাম আমার স্বামী হিজড়া</title>
		<link>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%a0%e0%a6%be%e0%a7%8e-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%97%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%ac/</link>
					<comments>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%a0%e0%a6%be%e0%a7%8e-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%97%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%ac/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪]]></dc:creator>
		<pubDate></pubDate>
				<category><![CDATA[রাতের গল্প]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://breakingbdnews24.net/bn/?p=504140</guid>

					<description><![CDATA[<p>আধুনিক ভারতীয় নারীদের চিন্তাভাবনা &#8211; বিবেচনা নিয়ে শুরু হয়েছে বিবিসি হিন্দির বিশেষ ধারাবাহিক প্রতিবেদন &#8216;হার চয়েস।&#8217; ১২ জন ভারতীয় নারীর বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা, তাদের আকাঙ্ক্ষা, বিকল্পের সন্ধান &#8211; এ সবই উঠে এসেছে তাদের মুখ থেকে। আজ দক্ষিণ ভারতের এক নারীর জীবনকথা। তিনি বলছিলেন একজন নপুংসকের সঙ্গে তার বিয়ের অভিজ্ঞতার কথা। বিবিসি সংবাদদাতা ঐশ্বর্যা রভিশঙ্করের সঙ্গে &#8230;</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%a0%e0%a6%be%e0%a7%8e-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%97%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%ac/">একদিন  হঠাৎ বিছানায় গিয়ে বুঝতে পারলাম আমার স্বামী হিজড়া</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><img decoding="async" src="https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2019/07/কত-300x163.jpeg" alt="" width="300" height="163" class="alignnone size-medium wp-image-504141" srcset="https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2019/07/কত-300x163.jpeg 300w, https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2019/07/কত.jpeg 755w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" /><br />
আধুনিক ভারতীয় নারীদের চিন্তাভাবনা &#8211; বিবেচনা নিয়ে শুরু হয়েছে বিবিসি হিন্দির বিশেষ ধারাবাহিক প্রতিবেদন &#8216;হার চয়েস।&#8217; ১২ জন ভারতীয় নারীর বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা, তাদের আকাঙ্ক্ষা, বিকল্পের সন্ধান &#8211; এ সবই উঠে এসেছে তাদের মুখ থেকে।<br />
আজ দক্ষিণ ভারতের এক নারীর জীবনকথা। তিনি বলছিলেন একজন নপুংসকের সঙ্গে তার বিয়ের অভিজ্ঞতার কথা। বিবিসি সংবাদদাতা ঐশ্বর্যা রভিশঙ্করের সঙ্গে ওই নারীর কথোপকথনের ভিত্তিতে লেখা এই প্রতিবেদন। তার অনুরোধেই নাম পরিচয় গোপন রাখা হলো।</p>
<p>&#8220;সেটা ছিল আমার বিয়ের প্রথম রাত। প্রথমবার কোনো পুরুষের সঙ্গে অন্তরঙ্গ হতে চলেছিলাম আমি। প্রাণের বান্ধবীদের কাছ থেকে শোনা কিছু কথা আর কয়েকটা পর্ন ভিডিও দেখে আমার মনের মধ্যে প্রথম রাতের যে ছবিটা বারে বারে মনে পড়ছিল, ইচ্ছাগুলোও জেগে উঠছিল সেরকমভাবেই।</p>
<p>মাথা ঝুঁকিয়ে, হাতে দুধের গ্লাস নিয়ে আমি যখন শোবার ঘরে প্রবেশ করলাম, ততক্ষণ পর্যন্ত সেই ছবির মতোই সব কিছু চলছিল। আমি তখনও জানতাম না যে তার কিছুক্ষণের মধ্যেই আমার সেই স্বপ্নগুলো ভেঙ্গে যাবে।</p>
<p>প্রথম রাতের স্বপ্নে এরকমটা হওয়ার ছিল-আমি ঘরে আসার পরে স্বামী আমাকে জড়িয়ে ধরবে, চুম্বনের স্রোতে ভাসিয়ে দেবে, আর সারা রাত ধরে আমাকে ভালবাসবে।</p>
<p>কিন্তু বাস্তব যে ছবিটা দেখলাম তা হলো, আমি ঘরে ঢোকার আগেই আমার স্বামী ঘুমিয়ে পড়েছেন। ওই মুহূর্তে মনে হলো আমার অস্তিত্বটাই যেন আমার স্বামী সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করলেন। আমার বয়স সেই সময়ে ছিল ৩৫। আমি কৌমার্য হারাই নি তখনও।</p>
<p>স্বপ্নভঙ্গ: কলেজে পড়ার সময়ে, বা তার পরে যখন চাকরি করি, তখনও দেখতাম আমারই কাছের কোনো ছেলে আর মেয়ের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠছে। তারা একে অন্যের হাত ধরে, বা কাঁধে মাথা রেখে ঘুরে বেড়াতো। আমি মনে মনে ভাবতাম, আহা, যদি আমারও এরকম কোনও সুযোগ আসতো।</p>
<p>আমারও তো ইচ্ছা হতো ওইভাবে কারও ঘনিষ্ঠ হতে! আমাদের পরিবারটা বেশ বড় ছিল &#8211; চার ভাই, এক বোন, বয়স্ক বাবা-মা। তবুও আমার সবসময়েই একা লাগতো।আমার ভাই-বোনদের সবারই বিয়ে হয়ে গিয়েছিল।</p>
<p>তাদের সকলের পরিবার ছিল। কোনো সময়ে এটাও মনে হতো যে ভাই-বোনরা কি আমার জন্য একটুও চিন্তা করে? তাদের কি মনে হয় না যে আমারও বয়স হচ্ছে, তবুও আমি ততোদিনও একা?</p>
<p>আমারও তো প্রেম করতে ইচ্ছা করতো। একাকীত্ব গ্রাস করছিল আমাকে। কখনো কখনো মনে হতো যে আমি খুব মোটা &#8211; সেজন্যই আমার ইচ্ছাগুলো পূরণ হয়ে না। কিন্তু পুরুষ মানুষরা কি মোটা মেয়ে পছন্দ করে না?</p>
<p>শুধু কি আমার ওজনের জন্য আমার পরিবার জীবনসঙ্গী খুঁজে পাচ্ছে না? তাহলে কি চিরজীবন আমাকে একাই কাটাতে হবে? এই সব প্রশ্ন আমার মনের মধ্যে সবসময়ে ঘুরপাক খেতো।</p>
<p>অতঃপর বিয়ে: শেষমেশ, আমার যখন ৩৫ বছর বয়স, তখন বছর চল্লিশেকের একজন আমাকে বিয়ে করতে এগিয়ে এলো। যখন প্রথম দেখা করি তার সঙ্গে, তখনই আমার মনের মধ্যে থাকা চিন্তাগুলো তাকে জানিয়েছিলাম।</p>
<p>সে কোনো কথারই জবাব দেয় নি। আমার মনে হতো আমার কথাগুলো যেন মন দিয়ে শুনছেই না। সবসময়ে নিচের দিকে তাকিয়ে থাকতো সে। কোনো কথারই জবাব দিতো না, শুধু মাথা নাড়িয়ে উত্তর দিতো। আমি ভাবতাম আজকাল মেয়েদের থেকেও অনেক বেশী লজ্জা পায় পুরুষ মানুষরা।</p>
<p>আমার হবু স্বামীও বোধহয় সেরকম। তাই আমার কোনো কথারই জবাব দিচ্ছে না। কিন্তু বিয়ের পরে প্রথম রাতের ঘটনায় আমি চিন্তায় পড়ে গেলাম। আমি শুধু ভাবছিলাম সে কেনো ওরকম আচরণ করল।</p>
<p>পরের দিন সকালে আমি যখন জিজ্ঞাসা করলাম, সে জবাব দিল যে তার শরীর ভালো ছিল না। কিন্তু তার থেকে আর একটা শব্দও বার করতে পারি নি। প্রথম রাতের পরে দ্বিতীয়, তৃতীয় রাতও কেটে গেল একইভাবে।</p>
<p>সব গোপন করা হয়: আমি শাশুড়ির কাছে বিষয়টা জানালাম। কিন্তু তিনিও ছেলের পক্ষ নিয়ে বলতে লাগলেন। &#8220;ও লজ্জা পাচ্ছে। ছোট থেকেই মেয়েদের সঙ্গে কথা বলতে অস্বস্তি বোধ করে ও। ছেলেদের স্কুলে পড়াশোনা করেছে তো, সেই জন্য।</p>
<p>ওর কোনও দিদি বা বোন নেই, কোনো মেয়ে বন্ধুও নেই। সেজন্যই এরকম আচরণ,&#8221; বলেছিলেন আমার শাশুড়ি। সাময়িক স্বস্তি পেয়েছিলাম কথাটা শুনে। কিন্তু ব্যাপারটা আমার মাথা থেকে কিছুতেই গেল না।</p>
<p>ওদিকে আমার সব ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন এক এক করে ভেঙ্গে যাচ্ছিল। শুধু যে শারীরিক চাহিদাই আমাকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছিল তা নয়। আমার স্বামী কোনো কথাই বলতো না। আমার মনে হতে লাগলো যে সব সময়েই যেন আমাকে উপেক্ষা করা হচ্ছে। আমার থেকে সে পালিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।</p>
<p>যখন কোনো নারী পোশাক ঠিক করে, তখনও পুরুষ মানুষরা আড়চোখে সেই দিকে তাকিয়ে থাকে। কিন্তু আমি যদি রাতে সব পোশাক খুলেও ফেলি, তাহলেও আমার স্বামী সম্পূর্ণ উদাসীন থাকতেন।</p>
<p>তাহলে কি আমার ওজন তার এই ব্যবহারের কারণ? কোনও চাপে পড়ে আমাকে বিয়ে করেছে সে? এইসব প্রশ্ন আমার মনের মধ্যে আসতে শুরু করেছিল তখন। কিন্তু এইসব কথা কারও সঙ্গে যে শেয়ার করব, সেই উপায় নেই।</p>
<p>আর কতো অপেক্ষা : আমার পরিবারের কারও সঙ্গে এই নিয়ে কথা বলার উপায় ছিল না, কারণ সেখানে সবাই মনে করতে শুরু করেছিল যে আমি খুব ভাল আছি। এদিকে আমার অপেক্ষার সীমারেখা ভাঙ্গার দিকে চলেছে। আমাকে এই সমস্যার সমাধান নিজেকেই বার করতে হবে।</p>
<p>বেশিরভাগ ছুটির দিনেও আমার স্বামী বাড়িতে থাকতো না। হয় কোনো বন্ধুর বাড়িতে চলে যেতো, বা বয়স্ক বাবা-মাকে নিয়ে কোথাও যেতো। ঘটনাচক্রে সেদিন বাড়িতেই ছিল আমার স্বামী।</p>
<p>আমি ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে সরাসরি জানতে চাইলাম, &#8220;আমাকে কি পছন্দ নয় তোমার? আমরা দুজনে একবারের জন্যও অন্তরঙ্গ হইনি এতদিনে। তোমার সমস্যাটা কি?&#8221;</p>
<p>জলদি জবাব দিয়েছিল, &#8220;আমার তো কোনো সমস্যা নেই!&#8221; এই উত্তর পেয়ে আমার মনে হল এটাই সুযোগ তার সঙ্গে অন্তরঙ্গ হওয়ার।</p>
<p>আমি আকর্ষণ করার চেষ্টা করছিলাম তাকে। কিন্তু কোনো ফলই হচ্ছিল না। কোনোভাবেই তাকে উত্তেজিত করতে পারলাম না। আমি বুঝতে পারছিলাম না যে এটা নিয়ে কার সঙ্গে কথা বলব। একদিন হঠাৎ করেই জানতে পারলাম যে সে হিজড়া।</p>
<p>বিয়ের আগেই ডাক্তাররা এটা তাকে নিশ্চিত করেছিল। সে নিজে আর তার বাবা-মা &#8211; সবকিছুই জানতেন। কিন্তু আমাকে কিছু জানানো হয় নি। আমাকে ধোঁকা দেওয়া হয়েছে। আমি সত্যিটা জেনে ফেলেছিলাম, কিন্তু তার কোনো লজ্জা ছিল না এটা নিয়ে। তারপরেও কখনো সে নিজের ভুলটা স্বীকার করে নি।</p>
<p>কেউ শুনলো না আমার কথা : সমাজ তো নারীদের সামান্য ভুলচুককেও বড় করে তুলে ধরে। কিন্তু কোনো পুরুষের যদি কোনো ভুল হয়, সেই ক্ষেত্রেও দোষটা আসে মেয়েদের ওপরেই। আমার আত্মীয়রা পরামর্শ দিল, &#8220;শারীরিক মিলনটাই তো জীবনের সব কিছু নয়।</p>
<p>তুমি বাচ্চা দত্তক নেয়ার কথা ভাবছ না কেন?&#8221;আমার শ্বশুরবাড়ির লোকরা হাতজোড় করে বলল, &#8220;সত্যিটা যদি জানাজানি হয়ে যায় তাহলে লজ্জায় আমাদের মাথা কাটা যাবে।&#8221; আমার পরিবার বলে দিলো, &#8220;এটা তোমার ভাগ্য।&#8221;</p>
<p>তবে যে কথাটা আমার স্বামী বললো, তাতে আমি হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। &#8220;তোমার যা ভাল লাগে করতে পার। যদি মনে করো, তাহলে অন্য কোনো পুরুষের সঙ্গেও শুতে পারো। আমি তোমাকে বিরক্ত করব না, কাউকে কিছু বলবোও না।</p>
<p>তা থেকে যদি তোমার সন্তান জন্ম নেয়, মেনে নেব।&#8221; কোনো মেয়ে কি তার স্বামীর কাছ থেকে এসব শুনতে পারে? সে একটা বেইমান। নিজের আর পরিবারকে লোকলজ্জা থেকে বাঁচানোর জন্য ওইসব বলছিল।</p>
<p>আমার পা জড়িয়ে ধরে স্বামী বলেছিল &#8220;প্লিজ, এটা কাউকে বলো না। আমাকে ডিভোর্সও দিও না।&#8221; সে যেসব উপদেশ দিয়েছিল, আমি সেগুলো কল্পনাও করতে পারি না।</p>
<p>আমার ভবিষ্যৎ : আমার সামনে দুটো রাস্তা খোলা ছিল &#8211; হয় তাকে ত্যাগ করা অথবা তাকে নিজের জীবনসঙ্গী রেখে দিয়ে আমার নিজের ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষাগুলোকে ত্যাগ করা। শেষমেশ আমারই জয় হলো।</p>
<p>সেই তথাকথিত স্বামীর ঘর থেকে বেরিয়ে এলাম আমি। আমার বাবা-মা কিন্তু আমাকে ফিরিয়ে নেয় নি। কয়েকজন বন্ধুর সাহায্যে আমি একটি মেয়েদের হস্টেলে চলে যাই। বিয়ের আগে চাকরিটা ছেড়ে দিয়েছিলাম। কিছুদিনের চেষ্টায় একটা নতুন চাকরিও যোগাড় করলাম।</p>
<p>খুব ধীরে হলেও আমার জীবনটা আবার নিজের ছন্দে ফিরতে শুরু করছিলো। আমি কোর্টে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা ফাইল করলাম। সেখানেও আমার স্বামী আর তার পরিবার নির্লজ্জের মতো সত্যটা গোপন করে বিয়ে ভাঙ্গার জন্য আমার ওপরেই দোষারোপ করে। এমনকি বিয়ের পরে অন্য সম্পর্ক গড়ে তোলার দোষও দেয় আমার ওপরে।</p>
<p>লড়াই করে গেলাম: আমি লড়াইটা থামাই নি। নিজের মেডিক্যাল পরীক্ষা করাই। তিনবছর লেগে গিয়েছিল বিবাহ বিচ্ছেদ পেতে। আমার যেন পুনর্জন্ম হল। আজ আমার ৪০ বছর বয়স, কিন্তু আমি এখনও কুমারী। এর মধ্যে বেশ কয়েকজন পুরুষের সঙ্গে আমার সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।</p>
<p>তবে তাদের সকলেরই ভালোবাসাটা ছিল শারীরিক। কেউ বিয়ে করা বা দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ক গড়ে তোলায় ইচ্ছুক ছিল না। কিন্তু এখন আমি পুরুষদের কাছ থেকে একটু দূরে থাকারই চেষ্টা করি।</p>
<p>আমি শুধু সেইসব পুরুষের সঙ্গেই বন্ধুত্ব রাখতে চাই, যারা আমার খেয়াল রাখবে, আমার মনের ইচ্ছাগুলোকে বোঝার চেষ্টা করবে, জীবনভর আমার সঙ্গে চলার, সঙ্গে থাকার অঙ্গীকার করবে। এখনও সেরকম পুরুষের অপেক্ষায় আছি।</p>
<p>আর যতোদিন না সত্যিকারের সেরকম পুরুষ পাচ্ছি, ততোদিন ওয়েবসাইটই আমার সবথেকে অন্তরঙ্গ বন্ধু।&#8221;</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%a0%e0%a6%be%e0%a7%8e-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%97%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%ac/">একদিন  হঠাৎ বিছানায় গিয়ে বুঝতে পারলাম আমার স্বামী হিজড়া</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%a0%e0%a6%be%e0%a7%8e-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%97%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%ac/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কনডম গুনে গুনে টাকার হিসাব নেয় স্বামী আর যদি&#8230;..</title>
		<link>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%95%e0%a6%a8%e0%a6%a1%e0%a6%ae-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%be-2/</link>
					<comments>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%95%e0%a6%a8%e0%a6%a1%e0%a6%ae-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%be-2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪]]></dc:creator>
		<pubDate></pubDate>
				<category><![CDATA[রাতের গল্প]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://breakingbdnews24.net/bn/?p=499772</guid>

					<description><![CDATA[<p>‘প্রতি রাতে স্বামী কনডম গুনে গুনে হাতে ধরিয়ে দেয়। স্বামীর দেয়া কনডম নিয়েই রাস্তায় দাঁড়াই। তার হিসাব এখানেই। এক কনডম, এক খদ্দের। আর এক খদ্দের একশ টাকা। ভোরে যখন বাসায় যাই, তখন ফের কডমের হিসাব নেয়। রাতে দশটি কনডমের ব্যবহার হলে স্বামীকে এক হাজার টাকা গুনে দিতে হয়। এক টাকা কম হলে রক্ষা নেই।’ যৌনকর্মী &#8230;</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%95%e0%a6%a8%e0%a6%a1%e0%a6%ae-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%be-2/">কনডম গুনে গুনে টাকার হিসাব নেয় স্বামী আর যদি&#8230;..</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><img decoding="async" src="https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2019/06/া-6-300x129.jpg" alt="" width="300" height="129" class="alignnone size-medium wp-image-499773" srcset="https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2019/06/া-6-300x129.jpg 300w, https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2019/06/া-6.jpg 700w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" />‘প্রতি রাতে স্বামী কনডম গুনে গুনে হাতে ধরিয়ে দেয়। স্বামীর দেয়া কনডম নিয়েই রাস্তায় দাঁড়াই। তার হিসাব এখানেই। এক কনডম, এক খদ্দের। আর এক খদ্দের একশ টাকা। ভোরে যখন বাসায় যাই, তখন ফের কডমের হিসাব নেয়। রাতে দশটি কনডমের ব্যবহার হলে স্বামীকে এক হাজার টাকা গুনে দিতে হয়। এক টাকা কম হলে রক্ষা নেই।’</p>
<p>যৌনকর্মী সীমার জীবন খাতার হিসাব এটি। বয়স ৩৩ -এর ঘরে। তবে নিজ হিসাব মেলাতে পারিনি একটি দিনের জন্যও। রাতের বেলায় প্রায় প্রকাশ্যে যৌন পেশায় লিপ্ত হয়ে গতর খাটা আয়েও অধিকার নেই সীমার। যেন জীবনের ঘানি টানতেই তার জন্ম। আর সে জীবনের স্বাদ তার কাছে বরাবরই ফ্যাকাশে।</p>
<p>ফার্মগেট, চন্দ্রিমা উদ্যান আর বিজয় সরণি এলাকায় রাতে যেসব ভাসমান যৌনকর্মীদের দেখা মেলে, সীমা তাদের মধ্যে অতিপরিচিত। সিগারেটে আসক্তি থাকলেও অন্য নেশায় টান নেই এই নারীর। মূলত খদ্দের টানতেই নেশার ঘোরে শরীরের গাঁথুনি নষ্ট করতে চাননি তিনি। ঝটপটে, চঞ্চল, ঠিক যেন হরিণের মতো। এ পাড়ায় সকল খদ্দের তার চেনা প্রায়। সীমা দাঁড়ালে অন্যের ভাগে খদ্দের মেলা ভার।</p>
<p>এ দিনেও কথা বলার সময় ছিল না তার। গাছের গোড়ায় কাপড় টেনে ঘর বানিয়ে একের পর এক খদ্দের টানছেন সেখানে। কিন্তু অবেলায় বৃষ্টি বাগড়া বাধায়। মধ্যরাতে খানিক বৃষ্টি হয়ে ছুট দেয় বটে, তবে খদ্দেরের আনাগোনা কমে গেছে ওটুকু বৃষ্টিতেই। বৃষ্টির কারণেই অলস সময় কাটছিল রনি, তানিয়া আর সীমার।</p>
<p>খুলনার তালুকদার বংশের মেয়ে সীমার শৈশব কেটেছে সুখের আদলে। কিন্তু ডানপিটে স্বভাবের হওয়ায় সে সুখে স্থির হওয়া হয়নি। পড়ালেখায় ইতি টেনে মনের খেয়ালে শৈশবে একবার চলে যায় সিলেট হযরত শাহজালাল (র.) এর মাজারে। সেখানে কয়েক দিন কাটিয়ে ট্রেনে করে চলে আসে কমলাপুর স্টেশনে। ২০০১ সালের কথা। আর এখানেই নিভতে শুরু করে জীবনের স্বপ্নময় আলো। স্টেশনেই পরিচয় হয় এক ভাসমান যৌনকর্মীর সঙ্গে। সে সীমাকে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। জোর করে ওই নারী তার স্বামীর বিছানায় শুইতে দেয় সীমাকে। কিশোরী সীমার সঙ্গে রাতভর চলে ধস্তাধস্তি। তবুও যৌন কাজে বাধ্য করাতে পারে না- বলছিলেন সীমা।</p>
<p>পরের দিন এক দালালের কাছে বিক্রি করে দেয়া হয়। দালাল নিয়ে যায় পল্টনের এক আবাসিক হোটেলে। বাধ্য করায় যৌন পেশায়। এরপর আবারও বিক্রি। বাড়ির সঙ্গেও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এ সময়। এরপর আরেক হোটেলে বিক্রি। অন্ধকার জীবনের এ গলি থেকে ও গলি। কিন্তু বাড়ি আর ফেরা হয় না। হোটেলেই এক খদ্দেরের সঙ্গে পরিচয়। পরিচয় থেকেই দিনে দিনে প্রেম জমে ওঠে। প্রেমিকের হাত ধরেই হোটেল থেকে মুক্তি। কিন্তু নিষিদ্ধ পাড়া থেকে আর মুক্তি মেলে না। স্ত্রী হিসেবে ঘরে এনে দেহ ব্যবসায় বাধ্য করেন। দেহ ব্যবসার জন্যই নারায়ণগঞ্জ বাসা নেয়া বিয়ের মাস খানিক পর। সে বাড়িতে শ্বশুর-শাশুড়িও অবস্থান করতেন। তারাও বাধ্য করত এ পেশায়।</p>
<p>বছর দুই পর ভাটা পড়ে নারায়ণগঞ্জের বাড়িতে সীমার দেহ ব্যবসায়। স্বামী নিয়ে আসে ঢাকার তেজগাঁওয়ে। ঘটনার সময় আর স্থান বদলায় বারবার, কিন্তু সীমার জীবনের রঙ বদলায় না আর। তবে এবার আর ঘরে নয়, সীমার দেহ ব্যবসার জন্য ঠাঁই হয় উন্মুক্ত জায়গা। আর আবাসিক হোটেলে ঠাঁই মেলেনি তার। ১৭ বছরের যৌন পেশার ১৪ বছরই কেটেছে ফার্মগেট পার্ক, বিজয় সরণি আর চন্দ্রিমা উদ্যানে। বিয়ের পর খুলনায় বাবার বাড়ি গিয়েছিলেন দু’বার। কিন্তু স্বামী নিজেই গিয়ে বদনাম ছড়িয়ে দিয়েছে সীমার গ্রামে। আর থাকা হয়নি বাবার বাড়ি। ঢাকায় ফিরে ফের স্বামীর হাত ধরেই যৌন পেশায়। এরমধ্যে এক ছেলে এক মেয়েও জন্ম নেয় তার ঘরে। নেশায় আসক্ত স্বামীর আয়ের উৎস স্ত্রী সীমার দেহটিই।</p>
<p>এখন দিনের আলো খুব কম দেখা মেলে সীমার। সারারাত গতর খেটে ঘুমান দিনভর। ছেলেমেয়ে জানে, তাদের মা একটি হাসপাতালে কাজ করেন। সন্তানদের পড়ালেখা, বাড়ি ভাড়া, সংসার আর স্বামীর নেশার টাকার সবই আসে সীমার দেহব্যবসা থেকে। রাতে রাস্তার পাশেই এক খদ্দেরের হাত থেকে আরেক খদ্দেরের হাত পড়ে সীমা। কিন্তু নিয়ন্ত্রণ থাকে স্বামীর হাতেই।</p>
<p>সীমা বলেন, ‘অনেকবার চেষ্টা করেছি স্বামীকে ছেড়ে দেয়ার। ও আমার জীবনের অভিশাপ। বাবা-মায়ের মুখও দেখতে পারি না। ভোরে গিয়ে টাকা হাতে না দিতে পারলে মারপিট করে। পালিয়ে থেকেও রক্ষা পাইনি। সব নেশাই করে। এখন সে মরলেই বাঁচি। সন্তান নিয়ে দেশে চইলা যামু।’</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%95%e0%a6%a8%e0%a6%a1%e0%a6%ae-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%be-2/">কনডম গুনে গুনে টাকার হিসাব নেয় স্বামী আর যদি&#8230;..</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%95%e0%a6%a8%e0%a6%a1%e0%a6%ae-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%be-2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>একদিন এক স্ত্রী তার স্বামীকে পরীক্ষা করার জন্য খাটের নিচে লুকিয়ে পরল তারপর…</title>
		<link>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%8f%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%ae/</link>
					<comments>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%8f%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%ae/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪]]></dc:creator>
		<pubDate></pubDate>
				<category><![CDATA[রাতের গল্প]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://breakingbdnews24.net/bn/?p=498286</guid>

					<description><![CDATA[<p>একদিন এক স্ত্রী তার স্বামীকে পরীক্ষা করার জন্য সিদ্ধান্ত নিলো ! স্বামীর ঘরে ঢোকার শব্দ পেয়ে স্ত্রী খাটের নিচে লুকিয়ে পরল ! পাশেই একটা টেবিলে একটা চিরকুট দেখতে পেয়ে ভদ্রলোকটি পড়তে শুরু করলেন … স্ত্রী : তুমি এখন আর আমার কেয়ার নাওনা …ভালোবাসোনা… সময় দাওনা.. মনে হচ্ছে তোমার জীবনে অন্য কোনো মেয়ের আগমন ঘটেছে ! &#8230;</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%8f%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%ae/">একদিন এক স্ত্রী তার স্বামীকে পরীক্ষা করার জন্য খাটের নিচে লুকিয়ে পরল তারপর…</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><img decoding="async" src="https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2019/06/FG-300x141.jpg" alt="" width="300" height="141" class="alignnone size-medium wp-image-498287" srcset="https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2019/06/FG-300x141.jpg 300w, https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2019/06/FG.jpg 640w" sizes="(max-width: 300px) 100vw, 300px" />একদিন এক স্ত্রী তার স্বামীকে পরীক্ষা করার জন্য সিদ্ধান্ত নিলো ! স্বামীর ঘরে ঢোকার শব্দ পেয়ে স্ত্রী</p>
<p>খাটের নিচে লুকিয়ে পরল ! পাশেই একটা টেবিলে একটা চিরকুট দেখতে পেয়ে ভদ্রলোকটি পড়তে শুরু</p>
<p>করলেন … স্ত্রী : তুমি এখন আর আমার কেয়ার নাওনা …ভালোবাসোনা… সময় দাওনা.. মনে হচ্ছে</p>
<p>তোমার জীবনে অন্য কোনো মেয়ের আগমন ঘটেছে ! দূরে সরে যাওয়ার চেষ্টা করছো ! তোমার আর</p>
<p>কষ্ট করা লাগবেনা ! আমি ই তোমার থেকে দূরে সরে যাচ্ছি! ভালো থেকো তুমি ! চিড়কুট টি পড়ার</p>
<p>পড়ে স্বামী পকেট থেকে ফোন বের করে কানে দিয়ে ই বলতে শুরু করলো… জানু… আপদটা বিদায়</p>
<p>হয়েছে..এখন রিলাক্সে থাকতে পারব !</p>
<p>আমি এখন ই আসছি তোমার সাথে দেখা করতে… ! এসব বলে ফোনটা কেটে দিয়ে ড্রেস চেইঞ্জ করে</p>
<p>রুম থেকে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে পরল ! এসব শুনতে শুনতে স্ত্রী মুখ চেপে কান্না করতে লাগলেন ! স্বামী</p>
<p>চলে যাওয়ার পরে কিছুক্ষণ পরে খাটের নিচ থেকে বেরিয়ে এলেন ! খাটের উপর একটি চিড়কুট</p>
<p>পেলেন… লেখাটা পড়ে অবাক হয়ে গেলেন ! তাতে লেখা ছিলো… পাগলী বউ একটা ! খাটের নিচে</p>
<p>তোমার পা গুলো দেখা যাচ্ছিল্লো … আমি তো তোমার জন্য ই কাজকর্মে যাই..তোমার সুখের জন্য ই</p>
<p>তো এত কষ্ট করি ! তবু তুমি ভুল বুঝো ! আমি তোমায় অনেক ভালোবাসি ! আমি কাউকে ই ফোন করিনি !</p>
<p>বাজার থেকে মাংস আনতে যাচ্ছি… তুমি খাবার রেডি করতে থাকো .. তারপর একসাথে বসে খাবো</p>
<p>কেমন ! আমার পাগলী একটা ! উম্মাহ্ ! লেখাটি দেখে স্ত্রী বসে পরলেন … কাদতে শুরু করলেন .. কি</p>
<p>ভুলটা ই না করতে যাচ্ছিলেন তিনি ! বি.দ্র : ভালোবাসায় সন্দেহ নয় ..বিশ্বাস রাখতে হয় ! একটা ছেলে</p>
<p>যত কষ্ট করে তা তার প্রিয়জনকে সুখী রাখার জন্যই করে !।।।।।।।।।। #সংগৃহীত</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%8f%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%ae/">একদিন এক স্ত্রী তার স্বামীকে পরীক্ষা করার জন্য খাটের নিচে লুকিয়ে পরল তারপর…</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%8f%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%ae/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিয়ের রাতে এক নারীর বিভীষিকাময় যৌন মিলনের অভিজ্ঞতা</title>
		<link>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a7%80-2/</link>
					<comments>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a7%80-2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪]]></dc:creator>
		<pubDate></pubDate>
				<category><![CDATA[রাতের গল্প]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://breakingbdnews24.net/bn/?p=497607</guid>

					<description><![CDATA[<p>কিছু প্রাচীন ঐতিহ্যের কারণে নারীদের জন্য তার বিয়ের দিনটি হয়ে পড়ে বিভীষিকাময়। ‘বিয়ের পর যখন তিনি আমার সামনে পোশাক খুলতে শুরু করেন, তখন আমি ভয়ে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিলাম,’ বলছিলেন এলমিরা (ছদ্মনাম)। ‘আমি বার বার নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করছিলাম যে এখন আমার বিয়ে হয়ে গেছে। তাই আমার সাথে এগুলোই হবে।’ এলমিরার তখন বয়স ছিল ২৭ বছর। &#8230;</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a7%80-2/">বিয়ের রাতে এক নারীর বিভীষিকাময় যৌন মিলনের অভিজ্ঞতা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><img loading="lazy" decoding="async" src="https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2019/06/জব-1-300x199.png" alt="" width="300" height="199" class="alignnone size-medium wp-image-497608" srcset="https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2019/06/জব-1-300x199.png 300w, https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2019/06/জব-1.png 582w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" />কিছু প্রাচীন ঐতিহ্যের কারণে নারীদের জন্য তার বিয়ের দিনটি হয়ে পড়ে বিভীষিকাময়। ‘বিয়ের পর যখন তিনি আমার সামনে পোশাক খুলতে শুরু করেন, তখন আমি ভয়ে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিলাম,’ বলছিলেন এলমিরা (ছদ্মনাম)।</p>
<p>‘আমি বার বার নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করছিলাম যে এখন আমার বিয়ে হয়ে গেছে। তাই আমার সাথে এগুলোই হবে।’ এলমিরার তখন বয়স ছিল ২৭ বছর। সবেমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ শেষ করে একজন দোভাষী হিসেবে কাজ শুরু করেছেন। এলমিরার স্বামীকে বেছে নিয়েছিলেন তার বাবা-মা। এলমিরা সেই বিয়েতে সম্মতিও জানিয়েছিলেন। শুধুমাত্র তার মাকে খুশি করতে।</p>
<p>এলমিরা বলেন, ওই লোকটি ছিল আমাদের প্রতিবেশী, আমরা একেবারে আলাদা মানুষ ছিলাম সে শিক্ষিত ছিল না, আমাদের মধ্যে কোন কিছুতেই কোন মিল ছিল না।</p>
<p>আমার ভাই, আমাকে তার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল, এবং তারা আমাকে বলেছিল সে একজন ভাল লোক। প্রতিবেশীকে বিয়ে করছি দেখে, মা খুব খুশি ছিলেন। কারণ আমি তার কাছাকাছি থাকতে পারবো, সে আমার খোঁজ খবর নিতে পারবে।</p>
<p>বাড়িতে বিয়ের প্রসঙ্গ উঠতেই এলমিরা তার মাকে অনেকভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন যে তিনি এখনই বিয়ে করতে চাননা। এলমিরার মা এই বিষয়টি আত্মীয় স্বজনদের জানিয়ে দিলে তারা এলমিরাকে চাপ দিতে থাকেন। অনেকেই সন্দেহ করছিলেন যে এলমিরা হয়তো কুমারী নন।</p>
<p>কিন্তু সত্যিটা হল বিয়ের রাতেই এলমিরা প্রথমবার যৌনমিলন করেছিলেন। প্রথম রাতেই তিনি জানতে পারেন যে তার স্বামী তার অনুভূতি এবং আত্ম-সম্মানবোধকে বিন্দুমাত্র পরোয়া করেন না।</p>
<p>‘তিনি শুধু আমার উপর হামলে পড়েন, যখন আমার মাথা আলমারির সঙ্গে ধাক্কা লাগতে থাকে, তখনই শুনি দরজায় টোকা পড়ছে আর পাশের ঘর থেকে নারী কণ্ঠ ভেসে আসছে ‘অ্যাই আস্তে, চুপচাপ থাকো।’ বিষয়টা কি জঘন্য! বলেন এলমিরা।</p>
<p>আসলে দরজার পিছনে ছিলেন এলমিরার মা, দুই ফুফু/খালা, তার শাশুড়ি, এবং আরেকজন দূরবর্তী আত্মীয় (যিনি দরজায় টোকা দিয়ে চেঁচিয়েছিলেন)।</p>
<p>স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী বিয়ের রাতে বর কনের ঘরের বাইরে দুই পরিবারের সদস্যদের বাধ্যতামূলকভাবে উপস্থিত থাকতে হয়, যেন নববধূর কুমারীত্ব প্রমাণ করা যায়।</p>
<p>আমার সেই দূরবর্তী আত্মীয় ‘ইঙ্গি’ এর ভূমিকা পালন করছিলেন: ইঙ্গি বলতে বোঝায় এমন একজন বিবাহিতা নারীকে যিনি নবদম্পতির সঙ্গে বরের বাড়িতে যান। তার কাজ হলো সারা রাত নবদম্পতির শোবার ঘরের পাশে বসে থাকা। তার দায়িত্বগুলোর মধ্যে একটি হল পরামর্শ দেয়া।</p>
<p>ধারণা করা হয়, যৌনমিলনে অনভিজ্ঞ নববধূ হয়তো রাতের বেলা শোবার ঘরের বাইরে বেরিয়ে অভিজ্ঞ নারীদের থেকে পরামর্শ চাইতে পারেন। ইঙ্গির আরেকটি দায়িত্ব হল বিয়ের প্রথম রাতের পর নবদম্পতির বিছানার চাদর সংগ্রহ করা।</p>
<p>‘আমি একইসঙ্গে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিলাম আবার বিব্রত বোধ করছিলাম। ভাবছিলাম, বিয়ে মানে কি এগুলোই?’ বিশ্বের ২০টি দেশে এখনও বিছানার চাদর দেখে নববধূর কুমারীত্ব পরীক্ষার চল রয়েছে।</p>
<p>‘বিয়ের রাত অনেকের জন্য রহস্যে ঘেরা থাকে’</p>
<p>বিয়ের প্রথম রাতের পরে যখন সকাল হয়, তখন বিছানার চাদর দেখাতে হয়। ককেশাসে এটাই বিয়ের একটি প্রচলিত প্রথা। বিছানার সেই চাদরে রক্তের দাগ থাকলে, সব আত্মীয় স্বজনের সামনে প্রমাণিত হয় মেয়ের কুমারীত্ব। আর এর মাধ্যমেই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার ইতি টানা হয়।</p>
<p>এই দাগ দেখার পরই পরিবারের সদস্যরা নব দম্পতিকে তাদের বিয়ের জন্য অভিনন্দন জানান। কেননা, শুধুমাত্র এই কুমারীত্ব প্রমাণের মাধ্যমেই বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে বলে বিবেচনা করা হয়।</p>
<p>‘এ কারণে বিয়ের রাত অনেকের জন্য রহস্যে ঘেরা থাকে।- যে সকালে বিছানার চাদর কি অবস্থায় থাকবে।’ বলেন শখলা ইসমাইল, তিনি আজারবাইজানে নারীর অধিকার নিয়ে গবেষণা করছেন।</p>
<p>যদি চাদরে দাগ না থাকে, তবে নববধূকে একঘরে করা হয়। মেয়েটিকে ত্রুটিযুক্ত বলে তার মা-বাবার বাড়িতেও পাঠিয়ে দেয়া হয়। তারপরে, ওই নারীকে তালাকপ্রাপ্ত বলে মনে করা হয়, এবং প্রায়শই এই নারীদের জন্য আরেকটি বিয়ে করা কঠিন হয়ে পড়ে।</p>
<p>আর এসব কারণে মেয়েটিকে তার নিজ বাড়িতে মা বাবার নানা গঞ্জনা শুনে জীবন কাটিয়ে দিতে হয়। আজারবাইজানের মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন যে বিয়ের এই প্রথা দেশের গ্রামাঞ্চলে এখনও বিস্তৃত। অনেক সময়, মেয়েটি এখনও কুমারী কিনা তা দেখতে ‘বিশেষজ্ঞ দিয়ে পরীক্ষা করানো হয়। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অন্তত ২০টি দেশে এসব প্রথা এখনও চলছে বলে জানায় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা।</p>
<p>এ ধরণের প্রথাকে নারীদের জন্য অপমানজনক এবং আঘাতমূলক দাবি করে জাতিসংঘ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রথাগুলো বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে।</p>
<p>তাছাড়া, চিকিৎসা বিজ্ঞানেও নারীর ‘কুমারীত্ব’ প্রমাণের বিষয়টিকে বানোয়াট হিসেবে ধরা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি কেবল সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং ধর্মীয় চিন্তাভাবনায় বিদ্যমান।</p>
<p>আধুনিক যুগেও এখনও অনেক গ্রামাঞ্চলে এবং ছোট শহরে এমন নানা প্রথা প্রচলিত রয়েছে।</p>
<p>‘ভয় পরিণত হয় লজ্জায়’</p>
<p>ভয়, ব্যথা, এবং লজ্জা- বিবাহের রাতকে, এই তিনটি অনুভূতি দিয়ে ব্যাখ্যা করেন এলমিরা। সারা রাত আমি ভয় আর যন্ত্রণায় ঘুমাতে পারিনি। আমার স্বামী এগুলো নিয়ে বিন্দুমাত্র পরোয়া করেননি। এরপর সকালে যখন ইঙ্গি, বিছানার চাদর নিতে আমার ঘরে আসেন- তখন রাতের ভয় কয়েকগুণ বেশি লজ্জায় পরিণত হয়।</p>
<p>এই ঐতিহ্য প্রতি বছর নারীদের জন্য আরও মানসিক আঘাতমূলক হয়ে উঠছে বলে জানান মনোবিজ্ঞানী এলাডা গরিনা। আজারবাইজানের কিছু গ্রামের পরিস্থিতি আরও গুরুতর। নেগার এমনই এক গ্রামে থাকতেন। তার বিয়ের রাতে তার শোবার ঘরের পাশে কয়েকজন ‘পরামর্শদাতা’ নয়, বরং হাজির ছিল ‘পুরো গ্রাম’।</p>
<p>আমি জীবনে এর চাইতে বেশি বিব্রতকর অবস্থার মুখে পড়িনি। দরজার পিছনে এতো মানুষকে দেখে বিয়ের রাতে আমাদের দুজনের কারোই যৌনমিলনের কোনও ইচ্ছা ছিল না। কিন্তু সকালে বিছানার চাদর দেখানোর চাপে আমরা বাধ্য ছিলাম।</p>
<p>সেই সময় নেগারের বয়স ছিল মাত্র ১৮ বছর। এখন তার বয়স ৩০, তালাকপ্রাপ্ত এবং রাজধানী বাকুতে বসবাস করছেন। তিনি তার আত্মীয়দের এখন ‘বিকৃত মনের’ বলে উল্লেখ করে।</p>
<p>পিতৃতান্ত্রিক সমাজে নারীদের এমন হেনস্থার পরিবর্তন অনেক ধীরে আসছে বলে তিনি আক্ষেপ করেন। অনেক সময় লাল আপেলের ইঙ্গিত দিয়ে নববধূর কুমারীত্বকে প্রমাণ করতে হতো।</p>
<p>‘লাল আপেল’</p>
<p>পার্শ্ববর্তী আর্মেনিয়া, জর্জিয়া এমন রাশিয়ার উত্তরাঞ্চলেও বিছানার চাদর দেখার এই প্রথা প্রচলিত রয়েছে। তবে আর্মেনিয়াতে দরজার বাইরে কোন সাক্ষী থাকেনা। সেখানে, ঐতিহ্যটিকে ‘লাল আপেল’ বলা হয়, যার মাধ্যমে কুমারীত্ব বোঝানো হয় আপেলের সূক্ষ্ম ইঙ্গিত দিয়ে।</p>
<p>রাজধানী ইরেভান শহরের বাইরে এই ঐতিহ্য এখনও চলছে। যাদের বেশিরভাগ কোন পরিবর্তন চাননা- এমনটাই বলছেন মানবাধিকার কর্মী নিনা কারাপেটিয়ানস।</p>
<p>তিনি বলেন, কখনও কখনও বাবা মায়েরা তাদের কন্যাকে ‘পবিত্র ও শুদ্ধ’ প্রমাণ করার জন্য তাদের সব আত্মীয়স্বজন এবং প্রতিবেশীদের আমন্ত্রণ জানান। পুরো গ্রাম এই অপমানের অনুষ্ঠানে অংশ নেয়।</p>
<p>গ্রামে মেয়ের বয়স ১৮ হলেই তাদের বিয়ে দেয়া হয়। সে বয়সে বেশিরভাগের কোন দক্ষতা থাকেনা। যদি এই মেয়েটি আপেল পরীক্ষায় পাস না হয়, তার বাবা-মা তাকে ত্যাজ্য করতে পারে।</p>
<p>‘আমরা সেই রাতের ব্যাপারে কিছু বলিনা’</p>
<p>এলাডা গরিনার মতে, কিছু নারী এই ঐতিহ্যকে সহজভাবে সামলাতে পারলেও, বেশিরভাগ নারীকে বছরের পর বছর মানসিক ট্রমার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়।</p>
<p>এমনও ঘটনা আছে যে, চাদরে কোন রক্তের দাগ না থাকায় মাঝ রাতে স্বামীর পুরো পরিবার মেয়েটি কুমারী কিনা তা পরীক্ষা করার জন্য ডাক্তারের কাছে নিয়ে গিয়েছিল।</p>
<p>একজন নারীর গোপনীয়তার ওপর এ ধরণের আক্রমণ তার ওপর সহিংসতার সামিল। কারণ এটি তাকে দীর্ঘমেয়াদে আক্রান্ত করে।</p>
<p>বিয়ের ছয় মাস পর এলমিরার স্বামী মারা যান। এই পুরো সময় তিনি তার বিয়ের প্রথম রাতের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা কাউকে বলতে পারেননি।</p>
<p>এলমিরা বলেন, আমি আবার বিয়ে করার জন্য এমনকি কারও সঙ্গে দেখা করার জন্যও প্রস্তুত ছিলাম, কিন্তু আমার আগের অভিজ্ঞতা আমাকে থামিয়ে দেয় … যদি আমার সেই অভিজ্ঞতা না থাকতো, তাহলে আমার আচরণ আজকে সম্পূর্ণ আলাদা হতো। সূত্র: বিবিসি বাংলা</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a7%80-2/">বিয়ের রাতে এক নারীর বিভীষিকাময় যৌন মিলনের অভিজ্ঞতা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a7%80-2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ঢাকার প্রত্যেকটা মসজিদে এসি অথচ ফুটপাতে অসংখ্য অভুক্ত বনী আদম</title>
		<link>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%a2%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%a2%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪]]></dc:creator>
		<pubDate></pubDate>
				<category><![CDATA[রাতের গল্প]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://breakingbdnews24.net/bn/?p=493903</guid>

					<description><![CDATA[<p>ঢাকার প্রায় প্রত্যেকটা মসজিদে এসি, ফ্লোরে দামী মারভেল পাথর। অথচ ফুটপাতে অসংখ্য বনী আদম অভুক্ত, বস্ত্রহীন। এর জন্য দায়ী এই শহরের পেশাদার ইমাম শ্রেণি। এরা বেছে বেছে মসজিদে দান-সদকা বিষয়ক হাদিস শুনায়, আর মুসল্লিদের বলে মসজিদে দান করতে। এমনকি সরকারি মসজিদগুলিতেও টাকা তোলা হয় পাবলিকের কাছ থেকে। মসজিদ কমিটি ইমাম নিয়োগ দেয়ার সময় খেয়াল করে &#8230;</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%a2%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%87/">ঢাকার প্রত্যেকটা মসজিদে এসি অথচ ফুটপাতে অসংখ্য অভুক্ত বনী আদম</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><img loading="lazy" decoding="async" src="https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2019/05/ববব-2-300x151.jpg" alt="" width="300" height="151" class="alignnone size-medium wp-image-493904" srcset="https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2019/05/ববব-2-300x151.jpg 300w, https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2019/05/ববব-2-768x386.jpg 768w, https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2019/05/ববব-2.jpg 800w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" />ঢাকার প্রায় প্রত্যেকটা মসজিদে এসি, ফ্লোরে দামী মারভেল পাথর। অথচ ফুটপাতে অসংখ্য বনী আদম অভুক্ত, বস্ত্রহীন। এর জন্য দায়ী এই শহরের পেশাদার ইমাম শ্রেণি।</p>
<p>এরা বেছে বেছে মসজিদে দান-সদকা বিষয়ক হাদিস শুনায়, আর মুসল্লিদের বলে মসজিদে দান করতে। এমনকি সরকারি মসজিদগুলিতেও টাকা তোলা হয় পাবলিকের কাছ থেকে। মসজিদ কমিটি ইমাম নিয়োগ দেয়ার সময় খেয়াল করে ইমাম টাকা সংগ্রহ করতে পটু কিনা।</p>
<p>আল্লাহ সুরা সফে বলেছেন, নিজে যে কাজ কর না, তা অন্যকে করতে বলো না, অধিকাংশ ইমাম এই আয়াতের উল্টাটা করে, নিজে কখনো দান করে না, পাবলিকরে বলে দান করতে। আমি কদাচিৎ দেখেছি কোনো মসজিদের ইমাম সেই মসজিদে দান করেছে, আপনি দেখেছেন কাউকে? পাবলিকের সেন্টিমেন্টটাই এরা চেঞ্জ করে ফেলেছে। পাবলিক ৫০০ টাকা দান করলে ৪৯৯ টাকা করে মসজিদে, ১ টাকা দেয় মসজিদের সামনে দাঁড়ানো ভিক্ষুককে। অথচ হওযার কথা ছিল উল্টোটা।<br />
ইমামদের এই ভূমিকার কারণ কি? কারণ সহজ, মসজিদের ফান্ড বাড়লে তাদের বেতনও বাড়বে। তারা মসজিদে পেশাদার ইমাম। কে ফুটপাতে থাকল, কে ল্যাংটা থাকল সেটা তাদের দেখার বিষয় না।</p>
<p>আপনি যদি জরিপ করেন, দেখবেন মসজিদের দানের শতকরা ৯০ টাকা হচ্ছে অবৈধ রোজগারের টাকা, ঘুষখোর বা দুর্নীতিবাজদের টাকা। এরা দান করে রাতে ভালোমত ঘুমানোর জন্য। সকালে ৫ লাখ ঘুষ খেয়ে এশার নামাজে মসজিদে ৫০ হাজার দান করে মনের খুতখুতানি দূর করার জন্য। ইমাম নিজেও জানে, এই টাকা ঘুষের টাকা, তবু জোরেসোরে আলহামদুলিল্লাহ বলে। এইসব অবৈধ রোজগারের টাকায় ইমামের বেতন বাড়ে, ইমাম তাই মনের ভুলেও জুমার খুতবায় ঘুষের বিরুদ্ধে হাদিস শুনায় না।</p>
<p>&#8220;আপনি যা খাবেন, আপনার চরিত্রে তার প্রভাব পড়বে।&#8221; you eat junk food, you behave junky. এটা স্বতসিদ্ধ। এর বাস্তব দৃষ্টান্ত বাংলাদেশের এইসব ইমামরা। এদের রিযিক হালাল না, তাই এদের চরিত্রে মোসাহেবি স্বভাব বিদ্যমান। এরা কথা বলে বিলাইর মত মিউ মিউ করে। কারো বিরুদ্ধে না যায় এমন কোনো টপিক নিয়ে আসে জুমার খুতবায়। দেখেন না রাজনৈতিক নেতারা তাদের দাঁড়া করিয়ে মিম্বারে বসে থাকে।</p>
<p>চেতিয়েন না, কড়া কথা বললাম। কাউকে না কাউকে তো বলতেই হবে। আমিই না হয় বললাম। তবে হা, সব ইমাম এরকম না, ব্যতিক্রম আছেন। কিন্তু তাদের সংখ্যা এত কম যে হাতের কড়ে গোনা যায়। দুঃখটা এখানে।</p>
<p>আমার সাথে ইমামদের জমি-জমার ক্যাচাল নাই। আমি নিজেই পার্টটাইম ইমামতি করেছি নানা জায়গায়। আমার বাবাও মসজিদের ইমাম, খতিব, তবে পেশাজীবী না। ৩০ বছরের অধিক সে বিনা টাকায় ইমামতি করেন। নিজেই মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা। এ কারণে কথা বলার সময় মোসাহেবি করা লাগে না তার।</p>
<p>আরবি শব্দ ইমাম মানে হল নেতা, লিডার। লিডার কথা বলবে সিংহের মত, বিড়ালের মত মিউ মিউ করে না। সিংহ কখন মিউ মিউ করে জানেন?<br />
যখন সে বিড়ালের মত ছানাভাত বা উচ্ছিস্ট খায় তখন। যে যা খাবে তার চরিত্রে তার প্রভাব পড়বেই পড়বে।ঢাকার প্রত্যেকটা মসজিদে এসি অথচ ফুটপাতে অসংখ্য অভুক্ত বনী আদম</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%a2%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%87/">ঢাকার প্রত্যেকটা মসজিদে এসি অথচ ফুটপাতে অসংখ্য অভুক্ত বনী আদম</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%a2%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পতিতা’দের জীবন কেমন হয়?অবশেষে ফাসঁ হলো আসল রহস্য!</title>
		<link>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%85/</link>
					<comments>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%85/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪]]></dc:creator>
		<pubDate></pubDate>
				<category><![CDATA[রাতের গল্প]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://breakingbdnews24.net/bn/?p=487588</guid>

					<description><![CDATA[<p>কারা সেই ক্রেতা, যাঁরা আসেন মুন্নিদের কাছে? মুন্নি জানাচ্ছে, বেশিরভাগই আসে কলেজছাত্র। তবে আইনজীবী, রেস্তোরাঁ মালিক, ট্যাক্সি চালক থেকে শুরু করে ছাপোষা মধ্যবিত্ত, কিছু বিদেশি পর্যন্ত আসেন তাদের কাছে। সমাজ তাঁদের চিহ্নিত করেছে ‘পতিতা’ নামে। তাঁদের বসতিস্থলও তাই চিহ্নিত ‘পতিতাপল্লি’ হিসেবে। কিন্তু তাতে তাঁদের মানবিক পরিচিতিটুকু ক্ষুণ্ণ হয় না। তাঁদের আশা-আকাঙ্ক্ষা আনন্দ-বেদনা— সবকিছুই আর পাঁচটা &#8230;</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%85/">পতিতা’দের জীবন কেমন হয়?অবশেষে ফাসঁ হলো আসল রহস্য!</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><img loading="lazy" decoding="async" src="https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2019/02/JPEG_20190111_092234_403783889-300x156.jpg" alt="" width="300" height="156" class="alignnone size-medium wp-image-487590" srcset="https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2019/02/JPEG_20190111_092234_403783889-300x156.jpg 300w, https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2019/02/JPEG_20190111_092234_403783889-480x250.jpg 480w, https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2019/02/JPEG_20190111_092234_403783889.jpg 750w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" />কারা সেই ক্রেতা, যাঁরা আসেন মুন্নিদের কাছে? মুন্নি জানাচ্ছে, বেশিরভাগই আসে কলেজছাত্র। তবে আইনজীবী, রেস্তোরাঁ মালিক, ট্যাক্সি চালক থেকে শুরু করে ছাপোষা মধ্যবিত্ত, কিছু বিদেশি পর্যন্ত আসেন তাদের কাছে।</p>
<p>সমাজ তাঁদের চিহ্নিত করেছে ‘পতিতা’ নামে। তাঁদের বসতিস্থলও তাই চিহ্নিত ‘পতিতাপল্লি’ হিসেবে। কিন্তু তাতে তাঁদের মানবিক পরিচিতিটুকু ক্ষুণ্ণ হয় না। তাঁদের আশা-আকাঙ্ক্ষা আনন্দ-বেদনা— সবকিছুই আর পাঁচটা মানুষের মতোই।তারাও তো রক্তে মাংসে গড়া মানুষ। তারা আমাদের মতনই মানুষ, ভিনগ্রহের প্রাণী নয়।</p>
<p>কেমন‌ রয়েছেন নিষিদ্ধপল্লির সেই মেয়েগুলি? কেউ কি খোঁজ রাখে!!<br />
সেখানকারই এক পতিতা মুন্নি। মুন্নি আসলে বাংলাদেশের মেয়ে। বাংলাদেশের মুন্নি যখন ১৩ বছরের ,তখনই এক রঙিন জীবনের স্বপ্ন দেখিয়ে আর বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক যুবক তাকে তার মা বাবার থেকে আলাদা করে বাংলাদেশ থেকে কলকাতার সোনাগাছিতে তাকে পাচার করে দেয়। তার পর থেকে সোনাগাছিতেই কেটে গিয়েছে তার পাঁচ বছর।</p>
<p>বাবা-মার কথা এখন সে ভুলে গিয়েছে প্রায়। আজ তার মহিলা দালালটিকেই ‘মা’ বলে ডাকে সে। তিনি ভালবাসেন তাঁকে। প্রতি বছর দুর্গাপুজোয় কিনে দেন শাড়ি। এখন মু্ন্নির বয়স ১৮। কিন্তু দালাল ‘মা’-এর পরামর্শে ‘খদ্দের’দের কাছে সে নিজের বয়স বলে ২০ বছর।</p>
<p>সোনাগাছিতে আসার পরে একেবারে প্রথম দিনগুলির অভিজ্ঞতা এখনও ভুলতে পারে না মু্ন্নি। সোনাগাছিতে এক মাসির ঘরে এনে তোলে মুন্নিকে। সেই মাসি প্রথম কয়েকদিনেই ভাল ভালে পোশাক-আশাক আর খাবার-দাবারের বিনিময়ে মন জয় করে নিয়েছিলেন মুন্নির। মুন্নি বোঝেওনি কী উদ্দেশ্যে তাকে আনা হয়েছে এখানে। কিন্তু সোনাগাছিতে আসার তৃতীয় দিনে মুন্নিকে আরও জনা কুড়ি মেয়ের সঙ্গে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হল রাস্তায়।</p>
<p>প্রথমটায় মুন্নি ভেবেছিল নতু‌ন কোনও বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য তৈরি করা হচ্ছে বুঝি তাদের। কিন্তু একটু পরেই ভুল ভাঙে তার, সে বুঝতে পারে ‘খদ্দের’ ধরার জন্য দাঁড় করানো হয়েছে তাকে। বোঝা মাত্রই পালানোর চেষ্টা করেছিল সে। কিন্তু মাসির লোকজন তাকে ধরে ফেলে। একটা অন্ধকার ঘরে বেশ কয়েকদিন বন্দি করে রাখা হয় তাকে। একটা মোটা লাঠি দিয়ে মারধোরও করা হয়। মানসিক নির্যাতন করা হতো। তবে এখনও মনে আছে মুন্নির, কিছুতেই তার মুখ, বুক বা উরুতে কোনওরকম আঘাত করা হত না। ওইসব জায়গায় আঘাতের দাগ পড়লে শরীরের বাজারে ‘দাম’ পড়ে যাবে যে তার।</p>
<p>মুন্নি জানাচ্ছে, বছর দু‌য়েক আগেও প্রতি ক্রেতার কাছ থেকে ঘন্টা প্রতি হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা পারিশ্রমিক পেত সে। তেমন তেমন মেয়েরা পেত ঘন্টা প্রতি ছয়-সাড়ে ছয় হাজার টাকা। কিন্তু এই দু’বছরে পরিস্থিতি অনেক বদলেছে। ব্যবসা আর এখন আগের মতো চলে না। তাই মাসির নির্দেশে সব মেয়েই এখন তাদের ক্রেতাদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে নেয়। রোজগারের ৫০ শতাংশ দিতে হয় মাসিকে।</p>
<p>কারা সেই ক্রেতারা যাঁরা আসেন মুন্নিদের কাছে? মুন্নি জানাচ্ছে, কর্মচারী ,আইনজীবী, রেস্তোরাঁ মালিক, ট্যাক্সি চালক থেকে শুরু করে ছাপোষা মধ্যবিত্ত, এমনকী কিছু বিদেশি পর্যন্ত আসেন তাদের কাছে।</p>
<p>সোনাগাছিতে তো এখন অনেক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা যৌনকর্মীদের অধিকার নিয়ে কাজ করছে বলে শোনা যায়। তাদের কথা জানে মুন্নি? মুন্নি বলল, জানে সে। এনজিও-গুলি নিয়মিত প্রচারসভা, অনুষ্ঠান ইত্যাদি আয়োজন করে সোনাগাছিতে। এইচআইভি, বা এইডস-এর মতো রোগ নিয়ে চালায় সচেতনতা অভিযান। তাদের কথা শুনে ক্রেতাদের কন্ডোম ব্যবহারে বাধ্য করার চেষ্টা করে মুন্নিরা। বেশি টাকা দিলে সে কন্ডোম ব্যবহারের বাধ্যবাধ্যতা থেকে মুক্তি মেলে মুন্নিদের ক্রেতাদের।</p>
<p>ড্রাগ-আসক্তরা আসে মুন্নিদের কাছে? মুন্নি জানিয়েছে, আসে। শুধু তাই নয়, তারা জোর করে মুন্নিদেরও ড্রাগ সেবনে বাধ্য করে। একদিনের ঘটনা মনে পড়়ে মুন্নির। সেবার এক মাদকাসক্ত জোর করে মুন্নির গলায় ঢেলে দিয়েছিল মাদক। অসুস্থ হয়ে বেশ কয়েকদিন বিছানায় শুয়ে থাকতে হয়েছিল মুন্নিকে।</p>
<p>সোনাগাছি থেকে বেরিয়ে আসার স্বপ্ন দেখে না মুন্নি? প্রশ্ন শুনে বলে যে ওদের স্বপ্ন দেখা মানা। রোজ খরিদ্দারের আনা গোনা, পতিতা শব্দটা তার নামের সঙ্গে জুড়ে গেছে। স্বপ্ন দেখলেও পূরন হওয়ার আশা রাখি না ঠিক। তা ছাড়া এখান থেকে বেরিয়ে মুন্নি যাবেই বা কোথায়? এই নির্মম সত্যটা আঠারো বছর বয়সেই বুঝে গিয়েছে মুন্নি যে, সে যা-ই করুক না কেন, যত টাকাই রোজগার করুক না কেন, ‘পতিতা’বৃত্তির কলঙ্ক তার গা থেকে কোনওদিন ঘুচবে না। পুরুষতান্ত্রিক সমাজের কাছে সে চিরকাল ‘পণ্য’ হয়েই থাকবে। তাহলে এখন কি আর কোনও স্বপ্নই নেই মুন্নির চোখে? আছে। তার ঘরে প্রায়শই আসে এক ট্যাক্সি ড্রাইভার।</p>
<p>মুন্নিকে বিয়ে করতে চায় সে। আপত্তি নেই মুন্নিরও। সেই পুরষকে নিয়ে ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখে মুন্নি। আর মনে মনে গড়ে তোলে সংকল্প— কোনও দিন যদি কন্যা সন্তানের মা হয় সে, তা হলে সেই মেয়েকে যেন কিছুতেই মুন্নির মতো আর একটা বিড়ম্বিত জীবন কাটাতে না হয়। আসলে মুন্নি তো পতিতাপল্লি নিবাসী অজস্র মেয়ের একজন প্রতিনিধিমাত্র।</p>
<p>মুন্নির মতোই আশা ও আশঙ্কার দোলাচলে দিন গুজরান হয় আরও হাজার হাজার মুন্নির। ক’জন ভাবে তাদের কথা</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%85/">পতিতা’দের জীবন কেমন হয়?অবশেষে ফাসঁ হলো আসল রহস্য!</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%85/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>&#8216;তুমি একটা কাপুরুষ, সে সারা রাত নিঃশব্দে কাঁদলো&#8217;</title>
		<link>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪]]></dc:creator>
		<pubDate></pubDate>
				<category><![CDATA[রাতের গল্প]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://breakingbdnews24.net/bn/?p=480508</guid>

					<description><![CDATA[<p>এক রাতে কাজ শেষে বাসায় ফেরার পর আমার স্ত্রি প্রতিদিনের মত আমাকে নিয়ে রাতের খাবার খেতে বসলো। তখন আমি তার হাতটি জড়িয়ে ধরলাম এবং বললাম, “আমি তোমাকে কিছু কথা বলতে চাই।” সে আমার চোখের দিকে শান্ত ভাবে তাকালো… আমি বুঝতে পারছিলাম না যে তাকে আমি কথাগুলো কিভাবে বলবো। কিন্তু তাকে আমার জানানো উচিৎ যে, আমি &#8230;</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be/">&#8216;তুমি একটা কাপুরুষ, সে সারা রাত নিঃশব্দে কাঁদলো&#8217;</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>এক রাতে কাজ শেষে বাসায় ফেরার পর আমার স্ত্রি প্রতিদিনের মত আমাকে নিয়ে রাতের খাবার খেতে বসলো। তখন আমি তার হাতটি জড়িয়ে ধরলাম</p>
<p>এবং বললাম, “আমি তোমাকে কিছু কথা বলতে চাই।” সে আমার চোখের দিকে শান্ত ভাবে তাকালো… আমি বুঝতে পারছিলাম না যে তাকে আমি কথাগুলো কিভাবে বলবো।</p>
<p>কিন্তু তাকে আমার জানানো উচিৎ যে, আমি তার সাথে আর সংসার করতে চাই না। আমি খুব ধীরে, শান্তভাবে বিষয়টি তুললাম। সে আমার কথায় কোনরকম বিরক্ত প্রকাশ না করে ধীরে ধীরে জিজ্ঞেস করল, “কেন?” আমি তার প্রশ্ন এড়িয়ে গেলাম। এতে সে রেগে গেলো। টেবিলের উপর থেকে সবকিছু ছুড়ে ফেলে দিয়ে চিৎকার করে বললো, “তুমি একটা কাপুরুষ।” সেই রাতে আমাদের আর কথা হল না। সে সারা রাত নিঃশব্দে কাঁদলো। হয়তো ও বুঝার চেষ্টা করছিল কেন আমি এমনটা চাইলাম। কিন্তু আমি তাকে বলতে পারিনি যে, আমি আর একটা মেয়েকে ভালোবেসে ফেলেছি।</p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" src="https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2019/01/tomiakta.jpg" alt="" width="769" height="462" class="aligncenter size-full wp-image-480509" srcset="https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2019/01/tomiakta.jpg 769w, https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2019/01/tomiakta-300x180.jpg 300w, https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2019/01/tomiakta-768x461.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 769px) 100vw, 769px" />আমি নিজেকে খুব অপরাধী মনে করেছিলাম, আর ঐ অপরাধবোধ নিয়েই আমি ডিভোর্স লেটার লিখলাম, যেখানে উল্লেখ ছিল, আমাদের বাড়ি, আমাদের গাড়ি, এবং আমার ব্যবসায়ের ৩০% এর মালিক সে হবে। তার হাতে কাগজটি যাওয়ার সাথে সাথে ছিঁড়ে টুকরা টুকরা করে ফেললো।</p>
<p>যে মানুষটার সাথে আমি ১০ টা বছর সংসার করলাম, আজকে আমি তাকেই আর চিনি না। তার এতগুল সময়, সম্পদ, এবং শক্তি নষ্ট করার জন্য আমার খুব খারাপ লাগছিলো, কিন্তু এখন আমি আর তাকে ফেরত নিতে পারবো না কারণ, আমি ফারহানা কে ভালোবাসি।</p>
<p>অবশেষে সে আমার সামনে চিৎকার করে কান্না করে দিল, যা আমি আশা করছিলাম। আমার কাছে তার কান্না একরকম মুত্তির চিহ্নের মত লাগছিল। তখন মনে হচ্ছিল, এবার আমি আসলেও সফল। পরের দিন, আমি অনেক দেরী করে বাসায় ফিরি। দরজায় ঢুকতেই দেখি, ও ডাইনিং রুমে টেবিলে কিছু<br />
লিখছিল। আমি আর খাবার খেতে গেলাম না এবং সরাসরি ঘুমাতে চলে গেলাম, কারণ সারাদিন ফারহানাকে নিয়ে অনেক ঘুরেছি এবং এখন আমি ক্লান্ত। আমি ঘুমিয়ে গেলাম। যখন আমার ঘুম ভাঙ্গলো, তখনো ও লিখছিল।</p>
<p>আমি গ্রাহ্য করলাম না এবং আবার ঘুমিয়ে পরলাম। সকালে সে আমাকে কিছু শর্ত দিল, যেখানে লেখা ছিল, “আমি তোমার থেকে কিছুই চাইনা, কিন্তু আলাদা হয়ে যাওয়ার আগে শুধু এক মাস সময় চাই। এই একমাসে আমরা জতটুকু সম্ভব স্বাভাবিক জীবন জাপন করবো, কারণ আর একমাস বাদেই আমাদের ছেলেটার পরীক্ষা। ওর যাতে কোন ক্ষতি না হয় তাই আমি এমনটা চাইছি।”</p>
<p>আমি মেনে নিলাম। কিন্তু সে আমার কাছে আরও কিছু চেয়েছিল… ও আমাকে মনে করতে বললো, বিয়ের দিন আমি তাকে যেভাবে কোলে করে নিয়ে ঘরে ঢুকে ছিলাম।</p>
<p>ও আমাকে অনুরোধ করলো, যাতে এই একমাস আমি তাকে প্রতি সকালে কোলে করে আমাদের শোবার ঘর থেকে বাইরের দরজা পর্যন্ত নিয়ে যাই।</p>
<p>আমি ভাবলাম, ও পাগল হয়ে গেছে। যাই হোক, এই শেষ সময়ে যাতে আর ঝামেলা না হয়, তাই আমি তার অনুরোধ মেনে নিলাম। আমি ফারহানাকে আমার স্ত্রির দেয়া শর্তগুলোর কথা বলেছিলাম। শুনার পর সে অট্ট হাসিতে ফেটে পড়লো, যা খুবই অযৌক্তিক লাগলো আমার কাছে। তখন ফারহানা আমার স্ত্রির উপর ঘৃণা এবং রাগ নিয়ে বললো, “সে যতই ছলনা করুক আর মায়া কান্না দেখাক, তাকে ডিভোর্স নিতেই হবে।”</p>
<p>আমাদের বিবাহবিচ্ছেদের উদ্দেশ্য স্পস্টভাবে প্রকাশ হওয়ার পর থেকে আমার স্ত্রি এবং আমার মধ্যে আর কোন শরীরী যোগাযোগ ছিল না। যাই হোক, যেদিন আমি প্রথম তাকে কোলে তুললাম, তখন আমরা দুজনেই খুব বিব্রতবোধ করছিলাম। আমাদের ছেলেটা পেছন থেকে তালি বাজাচ্ছিল আর বলছিল, “আব্বু আম্মুকে কোলে তুলেছে, কি মজা কি মজা।” ছেলেটার কথা শুনে কেন জেন আমার খারাপ লাগতে শুরু করলো। শোবার ঘর থেকে ড্রইংরুম, ড্রইংরুম থেকে বাইরের দরজা পর্যন্ত আমি ওকে কোলে করে নিয় গেলাম।</p>
<p>সে তার চোখ বন্ধ করলো এবং ফিস ফিস করে বললো, “আমাদের ছেলেটাকে আমাদের ডিভোর্সের কথাটা কখনও জানতে দিওনা।” আমি ওকে দরজার বাইরে নামিয়ে দিলাম। সে তার কাজে চলে গেল, আর আমি অফিসে চলে গেলাম। দ্বিতীয় দিন, আমরা দুজনেই খুব স্বাভাবিক আচরন করলাম। সে আমার বুকে মাথা রাখলো। আমি তার চুলের গন্ধ পাচ্ছিলাম।</p>
<p>আমার মনে হল, আমি কতদিন এই মানুষটাকে একটু ভালোভাবে দেখিনি, বুঝার চেষ্টা করিনি। দেখলাম, ওর কত বয়স হয়ে গেছে। চেহারায় বয়সের ছাপ পড়ে গেছে… চুলে কাঁচাপাকা রঙ ধরেছে। কিছু মুহূর্তের জন্য মনে হল আমি তার সাথে কি করেছি। চতুর্থ দিন, যখন আমি তাকে কোলে তুললাম, তখন বুঝতে পারলাম আবার আমাদের অন্তরঙ্গতা ফিরে আসছে। এটাই সেই মানুষ, যে তার জীবনের ১০ টা বছর আমার সাথে পার করেছে। পঞ্চম এবং ষষ্ঠ দিন আমার আবারো মনে হল যে, আমাদের সম্পর্কটা আবার বেড়ে উঠছে। আমি এসব বিষয়ে ফারহানাকে কিছুই বলিনি।</p>
<p>যতই দিন যাচ্ছিল, ততই খুব সহজে আমি আমার স্ত্রিকে কোলে তুলতে পারতাম। সম্ভবত, প্রতিদিন কোলে নিতে নিতে অভ্যাস হয়ে গিয়েছিল। একদিন সকালে বাইরে যাওয়ার জন্য সে পছন্দের কাপড় খুঁজছিল। প্রায় অনেকগুলো কাপড় সে পরে দেখল, কিন্তু একটাও তার ভালো লাগছিলো না। সে স্থির হয়ে বসলো এবং দীর্ঘনিঃশ্বাস ছেড়ে বললও, “আমার সব গুলো কাপড় ঢিলে হয়ে গেছে…।</p>
<p>” তখন আমি বুঝতে পারলাম সে অনেক শুকিয়ে গেছে এবং এ জন্যই আমি তাকে খুব সহজে কোলে তুলতে পারতাম। হঠাৎ এটা আমাকে খুব আঘাত করলো… সে তার মনে অনেক কষ্ট চাপা দিয়ে রেখেছে। মনের অজান্তেই আমি আমি ওর কাছে যাই এবং ওর মাথায় হাত দেই। ঐ মুহূর্তে আমাদের ছেলেটাও চলে এল এবং বললও, “আব্বু, আম্মুকে কোলে তুলার সময় হয়েছে।” আমার স্ত্রি ছেলেটাকে ইশারায় কাছে আসতে বলল এবং তাকে কিছুক্ষণের জন্য খুব শক্ত করে জড়িয়ে ধরল। আমি অন্য দিকে তাকালাম, কারণ আমার ভয় হচ্ছিল, এই শেষ মুহূর্তে জেন আমার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর আমি তাকে কোলে নিলাম। শোবার ঘর থেকে ড্রইং রুম, ড্রইং রুম থেকে বাইরের দরজা পর্যন্ত তাকে নিয়ে গেলাম। সে তার হাত দিয়ে আলতো ভাবে আমার গলা জড়িয়ে ছিল।</p>
<p>আমিও তাকে খুব হাল্কাভাবে কোলে নিয়ে ছিলাম… ঠিক জেন বিয়ের প্রথম দিনের মত। কিন্তু তার এই এত হাল্কা ওজন আমাকে অনেক কষ্ট দিয়েছিল… প্রায় অনেক আগে যেদিন আমি তাকে কোলে নিয়েছিলাম, সেদিন তাকে নিয়ে কিছু দূর হাটতেই আমার অনেক কষ্ট হচ্ছিলো। আমাদের ছেলেটা স্কুলে চলে গেছে। আমি আমার স্ত্রিকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বললাম, আমি বুঝতে পারিনি যে, আমাদের মধ্যে এতটা অন্তরঙ্গের অভাব ছিল। এ কথা বলেই আমি অফিসে চলে গেলাম। অফিস থেকে ছুটি নিয়েই বেরিয়ে গেলাম। চলে গেলাম সোজা ফারহানার বাসায়।</p>
<p>সিঁড়ি বেয়ে দ্রুত উপরে উঠে গেলাম। আমি খুব তাড়াহুড়ো করছিলাম, ভয় পাচ্ছিলাম যাতে আমার মন আবার পরিবর্তন হয়ে যায়। ফারহানা দরজা খুলতেই আমি তাকে বললাম, ফারহানা, আমাকে মাফ করে দিও… আমি আমার স্ত্রির সাথে ডিভোর্স চাইনা।” ফারহানা আমার দিকে খুব অবাক হয়ে তাকাল এবং আমার কপালে হাত দিয়ে জিজ্ঞেস করলো, “আচ্ছা তুমি ঠিক আছো তো?? তোমার কি জ্বর আসছে??”</p>
<p>আমি ওর হাত আমার কপাল থেকে সরালাম এবং আবারো বললাম, “ফারহানা, আমি ওকে ডিভোর্স দিতে চাই না। তুমি পারলে আমাকে মাফ করে দিও। আমাদের বৈবাহিক সম্পর্কটা হয়তো বিরক্তিকর ছিল, কারণ আমরা আমাদের জীবনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মুহূর্ত গুলোকে মুল্য দেইনি, কিন্তু এর মানে এই না যে আমরা কখনো একে অপরকে ভালোবাসিনি। কিন্তু এখন আমি বুঝি যে, যেদিন আমি তাকে বিয়ে করেছিলাম, সেদিন আমি প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, যে মৃত্যু পর্যন্ত আমি তার সাথে থাকবো।” তখন ফারহানা আমাকে খুব জোরে একটা চড় মারলো এবং আমার মুখের উপর দরজা লাগিয়ে দিয়ে ভেতরে চিৎকার করে কান্নায় ভেঙে পড়লো। আমি বাসার নিচে নেমে এলাম এবং চলে আসলাম।</p>
<p>পথেই একটা ফুলের দোকান পেলাম এবং একটা ফুলের তোড়া কিনলাম আমার স্ত্রির জন্য। আমাকে দোকানদার জিজ্ঞেস করলো, “স্যার কার্ডের উপর কি লিখবো?” আমি একটু মৃদু হাসলাম এবং লিখতে বললাম, “আমি প্রতিদিন সকালে তোমাকে কোলে নিব… আমার মৃত্যু পর্যন্ত” ঐ দিন সন্ধ্যায় আমি বাসায় ফিরি, আমার হাতে ফুলের তোড়া, আমার চেহারায় সুখের হাসি, আমি সোজা আমার শোবার ঘরে চলে যায় এবং দেখি আমার স্ত্রি আর নেই। সে আমাকে ছেড়ে চলে গেছে… সারা জীবনের জন্য চলে গেছে… যেখান থেকে আর কখনো ফেরা সম্ভব না।</p>
<p>আমার স্ত্রির ক্যান্সার ছিল, অথচ আমি ফারহানাকে নিয়ে এতটাই ব্যস্ত ছিলাম যে, এদিকে খেয়ালই করিনি। সে জানতো যে সা মারা যাচ্ছে… কিন্তু সে আমাকে বুঝতে দেয়নি, কারণ আমাদের ছেলের পরীক্ষা ছিল এবং আমাদের ডিভোর্স হয়েছে এটা জানলে আমাদের ছেলেটার মন- মানষিকতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। সে মারা গেলে আমাদের আর আলাদা হয়ে বেঁচে থাকতে হবে না। সে আমার ছেলের কাছে প্রমান করে দিয়ে গেল, আমি খুব ভালো স্বামী ছিলাম, যে তার স্ত্রির অনেক খেয়াল করতো।</p>
<p>সম্পর্কের এই ছোট ছোট ব্যাপারগুলো আসলেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এই বড় রাজপ্রাসাদ, গাড়ি, সম্পত্তি, টাকা এগুলো সব কিছুই ভালো থাকার পরিবেশ তৈরি করে কিন্তু নিজেরা কোন সুখ দিতে পারে না। তাই কিছু সময় বের করুন আপনার স্বামী বা স্ত্রির জন্য। তার বন্ধু হন। এবং কিছু কিছু ছোট ছোট মুহূর্ত তৈরি করুন যা আপনাদের সম্পর্ককে আরও কাছের করবে। কারণ, এটাই সত্য “পরিবার পৃথিবীতে সব চাইতে দামি।” আপনি যদি এখন কোন সম্পর্কতে নাও থাকেন, তারপরেও দ্বিতীয় বারের মত অথবা তার চাইতেও বেশী চিন্তা করুন, কারণ এখনো দেরী হয়ে যায় নি… এখনো অনেক সময় আছে।</p>
<p>আপনি যদি এই পোস্টটি না শেয়ার করেন, তাতে কোনই সমস্যা নেই। কিন্তু যদি শেয়ার করেন, তাহলে হয়তো আপনি একটি সম্পর্ক আবার জোড়া লাগাতে পারেন। জীবনে অনেক মানুষই বুঝতে পারে না যে, তারা সফলতার কত কাছাকাছি আছে।</p>
<p>যদি ভালো লাগে তাহলে আরো ভাল ভাল গল্প পড়তে আমাদের সাথে থাকুন। সংগৃহীত</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be/">&#8216;তুমি একটা কাপুরুষ, সে সারা রাত নিঃশব্দে কাঁদলো&#8217;</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আঙ্কেল আমাকে লেপের ভিতরে নিয়ে….</title>
		<link>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%86%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%86%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[হাসান]]></dc:creator>
		<pubDate></pubDate>
				<category><![CDATA[রাতের গল্প]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://breakingbdnews24.net/bn/?p=470066</guid>

					<description><![CDATA[<p>যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তুলতে সারা বিশ্বে আলোড়ন তোলা #মিটু আন্দোলনের সমর্থনে এবার মুখ খুলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাবেক ছাত্রী মুমতাহানা ইয়াসমিন তন্বী। বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০১১-১২ সেশনের এই শিক্ষার্থী বতর্মানে জার্মানিতে আছেন। ১২ নভেম্বর, সোমবার তিনি সামাজিক যোগযোগের মাধ্যম ফেসবুকে যৌন হয়রানি নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা লিখেছেন। পাঠকের জন্য তার স্ট্যাটাস হুবহু তুলে &#8230;</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%86%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%87/">আঙ্কেল আমাকে লেপের ভিতরে নিয়ে….</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><img loading="lazy" decoding="async" src="https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2018/11/ankl-300x169.jpg" alt="" width="300" height="169" class="alignnone size-medium wp-image-470067" srcset="https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2018/11/ankl-300x169.jpg 300w, https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2018/11/ankl-768x432.jpg 768w, https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2018/11/ankl-375x211.jpg 375w, https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2018/11/ankl.jpg 800w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /><br />
যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তুলতে সারা বিশ্বে আলোড়ন তোলা #মিটু আন্দোলনের সমর্থনে এবার মুখ খুলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাবেক ছাত্রী মুমতাহানা ইয়াসমিন তন্বী। </p>
<p>বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০১১-১২ সেশনের এই শিক্ষার্থী বতর্মানে জার্মানিতে আছেন। ১২ নভেম্বর, সোমবার তিনি সামাজিক যোগযোগের মাধ্যম ফেসবুকে যৌন হয়রানি নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা লিখেছেন।</p>
<p>পাঠকের জন্য তার স্ট্যাটাস হুবহু তুলে ধরা হলো।</p>
<p>তখন সম্ভবত সপ্তম-অষ্টম শ্রেণিতে পড়ি। ছোটবেলা থেকেই প্রচণ্ড দুরন্ত আর ছটফটে মেয়ে হওয়া সত্ত্বেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমি ছিলাম বড্ড আনাড়ি। নবম-দশম শ্রেণিতে থাকাকালীনও আমাকে পঞ্চম/ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীর মতো দেখতে লাগত। ছোট-খাটো শুকনা একটা মেয়ে ছিলাম আমি। আমার ছোট মামা আমাকে আদর করে ‘‘লিলিপুট’’ ডাকত। এমনকি আমার পিরিয়ডও হয় অনেক দেরিতে।</p>
<p>এসএসসি পরীক্ষার কিছুদিন আগে মাত্র। এ জন্যই হয়ত নারী-পুরুষের জৈবিক ব্যাপার-স্যাপার নিয়ে আমার কোনো ধারণাই হয়নি তখনো। ধর্ষণ, যৌন-হয়রানি, টিজ এসব শব্দের সাথে পরিচিত নই তখনো। আমি আগেও বলেছি কয়েকবার, আমি খুবই অজপাড়াগাঁয়ের মেয়ে।</p>
<p>প্রথম ঘটনা: সময়কাল (২০০৪-২০০৫)</p>
<p>যে অমানুষটার কথা আমি বলব, তার নামটা সঙ্গত কারণেই নিচ্ছি না। নাম নিলে লোকে জানবে, কিন্তু কেউ তাকে অপরাধী বলবে না। সম্পর্কে সে আমার ‘‘আঙ্কেল’’ শ্রেণির।</p>
<p>কোনো একদিন শুক্রবারের সকাল। ধরি, অমানুষটার নাম ‘‘শুয়োর’’ (বয়সে আমার থেকে ১৫-১৬ বছরের বড় হবে)। ছোটবেলা থেকে এই শুয়োরের কোলে-পিঠে বড় হয়েছি। শুক্রবার হওয়ায় ওই দিন স্কুল ছুটি। খেলা করতে শুয়োরদের বাড়িতে গিয়েছি। শুয়োরের বাড়ির কেউ একজন বললেন, ‘‘দ্যাখ তো তোর আঙ্কেল এখনো ঘুম থেকে উঠেনি, ডেকে দে।’’ আমি ডাকতে গেলাম শুয়োরকে। </p>
<p>শীত থাকায় আমাকে বলল, ‘‘আয় লেপের ভেতর ঘুমা, এত সকালে উঠে কাজ নাই।’’ আমি তখন তসলিমা নাসরিন পড়িনি। তাই আমি জানি না, শুয়োর প্রজাতি ঘরেও থাকে। আমার সেই ছোট্ট শরীরে সে কী করেছিল, তা আমি ঠিক বলতে পারব না। শুধু বলতে পারব, আমি ব্যথা পেয়েছিলাম।</p>
<p>ঘটনা দুই : সময়কাল (২০০৮-২০০৯)</p>
<p>আমি তখন কলেজে পড়ি। আমাকে এখন দেখে হিসাব মিলাতে কষ্ট হবে জানি। তবুও বলি, এই আমি তখনো আঁতলামি পর্যায়ের কেউ ছিলাম। কলেজের হোস্টেলে থাকতাম যশোরে।</p>
<p>আমার ছোট আন্টি তখন চাকরির সুবাদে যশোর থাকত। আমি প্রায়ই আন্টির বাসায় যেতাম। যেহেতু শুয়োর নামের লোকটি আমাদের পরিবারের লোক, তাই সেও মাঝে মাঝে যশোর আসলে আমার হোস্টেলে আসত। আম্মু খাবার-টাবার দিত, তাই নিয়ে আসত।</p>
<p>আমি পূর্বের ঘটনার জন্য তাকে তখনো কেন জানি দোষী মনে করিনি বা খারাপ মানুষ মনে করিনি। কারণ তখনো আমি বুঝে উঠতে পারিনি, সে আমার সাথে যা করেছে, তা জঘন্যতম আচরণ।</p>
<p>তখন নতুন নতুন প্রেম প্রেম ভাব হয়েছে একটা ছেলের সাথে। কেমনে কেমনে শুয়োর জেনে গেল আমি প্রেম করি। যেহেতু আমি প্রেম করি, সেহেতু আমি খারাপ মেয়ে। সুতরাং আমার সাথে আরও খারাপ কিছু করা যায়।</p>
<p>ছোট আন্টির বাসায় আমার আরেকজন কাজিন (আমার সমবয়সী) এসেছে। আমার কাজিনের শখ আমার হোস্টেল দেখবে। ওকে নিয়ে শুয়োর আমার হোস্টেলে আসল। আন্টি আমাকে ফোন করে বলল, ওদের সাথে যেন আন্টির বাসায় চলে আসি।</p>
<p>আমরা তিনজন রিকশাতে উঠব। আগেই বলেছি, আমি দেখতে তখনো অনেক ছোটখাটো, পিচ্চি ছিলাম। তিনজন রিকশাতে উঠতে হলে আমাকেই কোলে বসতে হবে। রিকশাতে কিছুক্ষণ বসার পর টের পেলাম, শুয়োরের হাত আমার শরীরের স্পর্শকাতর জায়গাতে। আমার ছোট্ট শরীরটা রিকশার ২০ মিনিট সময়ে ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছিল।</p>
<p>আমি আজও রাগে-দুঃখে ফেটে পড়ি কেন সেদিন আমি রিকশা থেকে নেমে পড়িনি, কেন প্রতিবাদ করিনি। আমার চোখ ফেঁটে কান্না বের হয়ে আসে আজও, এখনো। বুকের ভেতরটা তছনছ হয়ে যায়। একটা শুয়োর প্রজাতির মানুষ আমার শরীর স্পর্শ করছে, এটা ভাবতেই আমার গা গুলিয়ে আসে।</p>
<p>নাহ! আমি সেদিনও কাউকেই বলতে পারিনি সেসব কথা। প্রতিবাদও করতে পারিনি আমি। অথচ এমন কোনোদিন যায়নি আমার, যেদিন আমি ঘৃণায় কুঁকড়ে গেছি। অথচ তারপরও আমি সেই শুয়োর লোকটির সাথে কথা বলেছি, স্বাভাবিক আচরণ করেছি।</p>
<p>আগেও একদিন বলেছিলাম, ঢাকায় প্রথম এসে আমি একটা বাসায় সাবলেট ছিলাম। রুমে আরেকজন আপু ছিল, যে কিনা রাত ১০/১১টায় তার বয়ফ্রেন্ডকে রুমে ডেকে নিয়ে আসত।</p>
<p>আমার অস্বস্তি হয়, এটা জানালেই তার সাথে আমার ব্যাপক কথাকাটাকাটি হয়। ঘটনার দিন মেয়েটি আমাকে জানাল, তার বয়ফ্রেন্ড রাতে থাকবে। তারা নিচেই ঘুমাবে, আমি খাটে ঘুমাব।</p>
<p>ভয়ে আমি বাসা থেকে রাত প্রায় ১০টার দিকে বের হয়ে প্রথমেই ফোন দিই আমার ফুফাত ভাইকে (ধরি তার নাম ‘‘শুয়োর-২’’), যে কিনা আমার আপন ভাইয়ের মতো, ঢাকায় পড়াশোনা ও চাকরি করে। সে আমার থেকে বয়সে ৬/৭ বছরের বড় হবে।</p>
<p>শুয়োর-২-কে ফোন করে খুব কান্নাকাটি করে ঘটনা খুলে বললাম। আমার থাকার জায়গা নেই, সে আমাকে তার বড় ভাই-ভাবীর বাসায় রেখে আসতে পারবে কি না বা কোন বাসে উঠতে হবে আমাকে বলতে পারবে কি না, এটা বলে কান্নায় ভেঙে পড়লাম।</p>
<p>শুয়োর জানায়, সে পুরান ঢাকার আশেপাশেই আছে। সে আমাকে এসে নিয়ে যেতে পারবে। তাকে আমি ভরসা করি, আমার আব্বুর আরেক ছেলে সে। (এখানে বলে রাখা ভালো, আব্বু তার তিন ভাগ্নেকে কলিজার টুকরো মনে করে)।</p>
<p>তার জন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে অপেক্ষা করি আমি। রাত ১১টা বাজে। সে এসে আমাকে নিয়ে বাসে উঠল। (এখানে আরেকটা কথা বলা উচিত। ঢাকায় তখন নতুন এসেছি আমি। ভর্তি, বাসা ভাড়া সব মিলে অনেক টাকা খরচ হয়েছে আব্বুর। আমরা মোটামুটি গরিব পরিবার। যেখানে টুকিটাকি সংসার চলে আমাদের, সেখানে আমার বাপের শখ করে মেয়েকে ঢাকা শহরে পড়ানোর মত মেধাবী হয়ে গিয়েছিলাম আমি। তবুও আমি খুব দায়িত্বশীল মেয়ে। আব্বুর খুব বেশি টাকা খরচ হয়েছে আমি বেশ বুঝতে পারি। </p>
<p>যাতে বেশি খরচ না হয়, তাই দিনে একবেলা-দুবেলা খাই। নতুন এসেই টিউশনি খুঁজি। মাস দুয়েক ঢাকায় এসে শুকিয়ে কেমন যেন রোগাটে হয়ে গিয়েছি আমি। তা ছাড়া গত কয়েকদিন ধরে রুমমেটের সাথে ঝামেলা হওয়াতে ঠিকমতো খাওয়ার সময়টাও পাইনি, এমন একটা পরিস্থিতি আমার)।</p>
<p>আমার মোশন সিকনেস আছে। গাড়িতে উঠলে বমি হয়। সদরঘাট থেকে গুলিস্তানে আসতেই কয়েকবার বমি হয়ে গেল আমার। ক্লান্ত আমি শুয়োর নামক ভাইয়ের কাঁধেই ঘুমিয়ে গেলাম। আমার ভাই, আহা কত নিশ্চিন্ত জায়গা!</p>
<p>ঘুম থেকে উঠলাম রামপুরা-বাড্ডা এলাকাতে। শুয়োর নামক ভাইয়ের অফিস সম্ভবত ওই এলাকাতে। আমি তখনো ঢাকার কিছুই চিনি না। জিজ্ঞেস করলাম মিরপুর পৌঁছাতে আর কতক্ষণ? যেহেতু তখন অনেক রাত, (১২টার বেশি) সে আমাকে বলল, মিরপুরের রাস্তায় জ্যাম অনেক। তা ছাড়া হুটহাট করে কেউ বাসায় গেলে ভাবী বিরক্ত হয়। তা ছাড়া মিরপুরে গেলে সকালে উঠে অফিস যেতে পারবে না। আর তার বাসায় আরও ছেলেরা থাকে (মেস), সুতরাং সেখানেও যাওয়া যাবে না।</p>
<p>ঢাকায় আমার আর কেউ নাই। আমি অসহায়ের মতো বললাম, ‘‘তাহলে আমাকে গাবতলীতে কোনো একটা বাসে তুলে দেন, আমি বাড়ি চলে যাই।’’</p>
<p>শুয়োর বলে, ‘‘এমনি এমনিই চলে যাবি? তোর ওই বদমায়েশ রুমমেটকে কিছু না বলেই চলে যাবি কেন? আমি কাল তোকে নিয়ে ওই বদমায়েশ মেয়েটার সাথে কথা বলতে যাব, তার এত সাহস হয় কেমনে।’’</p>
<p>‘‘কিন্তু থাকব কোথায়?’’ সে বলে পাশেই একটা আবাসিক হোটেল আছে, আজকের রাত এখানে থাক। হোটেল শুনে ভয় পেয়ে গেলাম। ভাইটি আমার মাথায় হাত রেখে বলল, ‘‘মনি এত ভয় পেলে চলে?’’ (আমাকে সে মনি বলেও ডাকত।) জীবনটা খুব কঠিন। কখন কী হয় তার মোকাবেলা করতে হবে।’’</p>
<p>আমার ভাই সে। আপন না হোক, ভাই তো!! অপরিচিত রুমমেটের বয়ফ্রেন্ডের সাথে এক বাসায় থাকতে সমস্যা। কিন্তু এ তো আমার ভাই। মায়ের পেটের না হোক, আমার ভাই। ঢাকায় আপাতত এই ভাইটিই আমার একমাত্র আপন।</p>
<p>আমার কাছে তো বেশি টাকাও নাই, সেও খুব ভালোভাবেই জানতো তার মামার গরিবি হাল। আমাকে বলে, ‘‘এখন ঢাকায় এসেছিস ভালো জামা-কাপড়, ভালো জুতা না পরলে হয়? কী জুতা পরেছিস, ছিড়ে গেছে প্রায়!! আচ্ছা কাল আমি অফিস থেকে ছুটি নিয়ে তোর রুমমেটকে গিয়ে ঠিকমতো ঝাড়ি দিয়ে আসব। আর আমি তো জানি, মামার এখন টাকা-পয়সার সমস্যা চলছে, তোকে আমি শপিং করে দিব।’’</p>
<p>বড় ভাই আমার!! আমার কত আপনজন!! আমার কত খেয়াল করে!! চোখে আমার পানি চলে আসল। ছোটবেলা থেকেই গরিবি হালে বড় হয়েছি। কেউ কিছু দিলে খুশিতে চোখ জ্বলজ্বল করত।</p>
<p>বড় ভাই আমার, অভিভাবক আমার। তার সাথে বাড্ডার একটা হোটেলে উঠলাম। একটাই রুম!! এটাই আমার সেদিনের রাতের সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা, নিরাপদ মানুষের সাথে।</p>
<p>জ্বি! আমার এখনকার জ্ঞান দিয়ে আমার সেই সতের/আঠার বছরের আমিকে বিচার করবেন না আশা রাখি।</p>
<p>আমার কাছে এটাই স্বাভাবিক ছিল। রুমে একটাই বিছানা, আরেকটা সোফা আর একটা টিভি। ভাই বলল, তুই কোনটাই শুবি? আমি বললাম, ‘‘আমি টিভি দেখি। আপনি বিছানায় ঘুমিয়ে পড়েন।’’</p>
<p>(আমাদের বাড়িতে টিভি ছিল না, তাই টিভির প্রতি আমার বেশ আকর্ষণ ছিল। টিভি পেলে আমি সারা রাত দিন কাটিয়ে দিতে পারতাম।)</p>
<p>ভাই শুয়ে পড়ল। আমি বসে বসে টিভি দেখি। হঠাৎ তার কী মনে হলো, সে আমাকে টানতে টানতে খাটে নিয়ে গেল। আমার চিৎকার, আমার আর্তনাদ তার কানেই গেল না। আমি হতবাক হয়ে গেলাম৷ সমস্ত শক্তি দিয়ে আমি চিৎকার করলাম।</p>
<p>আমার সামান্য চুপ থাকাতে কলেজে রিকশার ভেতর শুয়োর নামের লোকটি যে আচরণ আমার সাথে করেছিল, সেটা আমি দ্বিতীয়বার আমার সাথে ঘটতে দিতে পারি না।</p>
<p>আমি সমস্ত শক্তি দিয়ে তাকে ঠেলে ফেলে রুমের সাথে এটাস্ট বাথরুমে গিয়ে ছিটকিনি লাগিয়ে দিলাম। ধস্তাধস্তিতে অনেক শব্দ হয়েছিল। সাথে সাথেই হোটেল কর্তৃপক্ষ দরজাতে করাঘাত করতে থাকল। দরজা খুলে সে হয়ত বলতে চেয়েছিল কিছু হয়নি। তৎক্ষণাৎ বুদ্ধি খাটিয়ে আমিও বাথরুমের দরজা খুলে ওই লোকটিকে বললাম ঘটনাটা।</p>
<p>ভয় ছিল, না জানি এই লোকটা আমাকে বিশ্বাস করবে কি না। লোকটির হয়তো আমার নিরীহ চেহারা দেখে মায়াবোধ হলো। সে আমার পরিস্থিতি বুঝল। একটা বারও বলল না, আমি নিজেই তো তার সাথে হোটেলে আসলাম। সুতরাং এটা আমারই দোষ। অথচ এখনো একটা মেয়ের সাথে অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো ঘটনা ঘটলে শিক্ষিত শ্রেণির লোকেরাও মেয়ের দিকে আঙুল তোলে!!</p>
<p>সেই রাতে হোটেলের অপরিচিত লোকটার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ, সে আমাকে বিশ্বাস করল। আমার হয়ে শুয়োর নামের ভাইটিকে একটা থাপ্পড় মেরেছিল।</p>
<p>সে এই শিক্ষিত নামধারী শুয়োর নয়। ওই লোকটি আমার পরিস্থিতি বুঝল। আমাকে আলাদা রুমে পাঠিয়ে, সে হোটেলের আর দুইটা মহিলা কর্মচারীকে ডেকে আমাকে সাহস দিলেন।</p>
<p>ইতোমধ্যে আমার সাবেক প্রেমিক এবং আমার বড় ভাইয়ের এক বন্ধুকে ফোন দিলাম। তারা ঢাকায় থাকাতে আমাকে নিতে আসল, সেই রাত ২টার দিকে। ভয়ে আমি জ্ঞান হারিয়েছিলাম। জ্বরে গা পুড়ে যাচ্ছিল। ওই রাতটা আমার জন্য কতটা ভয়ঙ্কর ছিল, কতটা কালরাত ছিল, তা হয়ত আমার লেখাতে বোঝা গিয়েছে কি না জানিনা। তবে গত এক সপ্তাহ ধরে আমি লিখছি আর ভাবছি, আমি ভেবেই যাচ্ছি, আমার সাথে তিন তিন বার এই ঘটনা ঘটল। আমার জীবনের সর্বশেষ কালরাত সেটা।</p>
<p>তারপর অনেক দিন, অনেকগুলো মাস, বছর পেরিয়েছে। আমিও একটু একটু করে বড় হয়েছি, কঠোর হয়েছি, শক্তিশালী হয়েছি, সাহসী হয়েছি। আমি সেই ছোট্ট ভোলাভালা মেয়েটি থেকে কঠিন হয়েছি।</p>
<p>এই যে আমি এত সাহসী, এত স্পষ্টভাষী, এত নিষ্ঠুর, এত তেজি, এটা আসলে একদিনে হইনি। আমাকে হতে হয়েছে। আর এই তেজি মেয়েটিকে যেই মানুষটা আরও বেশি সাহসী বানিয়েছে, সেই মানুষটি জাহিদ। সবাই জানে, আমি জাহিদ বলতেই পাগল। আসলে সবাই সবটা জানে না।</p>
<p>জাহিদও হয়তো সবটা জানে না, এই তেজি, সাহসী আর নিষ্ঠুর মেয়েটা তাকে অসম্ভব ভালোবাসে। সেই যে আমার স্বপ্ন দেখা মানুষটি, যার জন্য আমি সব ছেড়ে দিতে পারি!!!</p>
<p>এরপর অনেক দিন গিয়েছে। এইসব ঘটনা আম্মুকে বলতে পেরেছি কিছুদিন আগে। অথচ আম্মুর ভীতসন্ত্রস্ত প্রথম প্রশ্ন ছিল, ‘‘জাহিদকে বলেছিস নাকি?’’</p>
<p>আমি বললাম, ‘‘কেন বলব না?’’</p>
<p>আম্মুর ভয়, জাহিদ জানলে কবে না জানি খোঁটা শুনাবে। যদি আমাকে ছেড়ে যায়।</p>
<p>আমি মনে মনে হাসলাম, পৃথিবীতে শুয়োর প্রজাতির পুরুষ ছাড়াও আরও এক প্রজাতির পুরুষ আছে। যারা এই ক্ষত-বিক্ষত, পচা-দুর্গন্ধ সমাজ থেকে কয়েক মিলিয়ন মাইল দূরত্বে বসবাস করে।</p>
<p>হয়তো জাহিদ কোনোকালে আমাকে ছেড়ে গেলেও যেতে পারে, হয়তো আমরা আলাদা হয়ে যেতেও পারি, সম্ভাবনা থাকতেও পারে। কিন্তু আমি জানি সেটা এই কারণে নয়। তবুও আমি জাহিদকেই ভালোবাসব। ওকে সম্মান করব। এই যে আমাকে তুলতুলে মেয়ে থেকে কঠিন মেয়ে হতে সাহায্য করেছে, তার জন্য আমার সম্মান চিরকাল থেকে যাবে।</p>
<p>তারপরও আরও দিন গিয়েছে….. আমি জানি জাহিদ আমাকে সম্মান করে। এই যে আমি আজ মুখ ফুটে বলতে পেরেছি, তাতে জাহিদ আরও সম্মানিত বোধ করবে, ওর অর্ধাঙ্গী সাহসী। ওর গর্ব হবে, আর কোনো পুরুষ নামক শুয়োর ওর প্রেমিকাকে ছুঁতে পারা তো দূরে থাক, চোখ দিয়ে কুদৃষ্টিও দিতে পারবে না। পুরুষ নামক শুয়োরদের শাস্তি দেবার মতো ক্ষমতা জাহিদের প্রেমিকার আছে।</p>
<p>এরপর আরও দিন যাবে, কোনো মা ভয় পাবে না। কোনো মা মেয়েকে চুপ করিয়ে দিবে না। ‘তোর বরকে বলিস না’ বলে আদেশও দিবে না। মায়েরা সন্তানের পাশে দাঁড়িয়ে ধর্ষকদের শাস্তি দিবে।</p>
<p>এই সমাজ, এই রাষ্ট্র সবাই ধিক্কার জানাবে, শাস্তি দিবে, ঘৃণা করবে, তাদের ময়লা ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলবে। আমি জানি, আমি বেশ জানি।’</p>
<p>হলিউডের প্রযোজক হার্ভি ওয়েনস্টেইনের বিরুদ্ধে একের পর এক যৌন হয়রানির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে #মিটু আন্দোলন। হলিউডের পর বলিউডের কিছু অভিনেত্রীও ইতোমধ্যে হেনস্তার স্বীকার হওয়ার কথা জানিয়ে পোস্ট দিয়েছেন। যৌন হয়রানির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পদত্যাগ করেছেন প্রতিমন্ত্রী ও আলোচিত সাংবাদিক এম জে আকবর।</p>
<p>বাংলাদেশেও কয়েকজন নারী যৌন হয়রানির স্বীকার হওয়ার অভিযোগ এনেছেন। ‘মিস আয়ারল্যান্ড’ মাকসুদা আক্তার প্রিয়তি ২৯ অক্টোবর প্রথম একটি পোস্ট দিয়ে অভিযোগ করেন যে, বাংলাদেশের রংধনু শিল্প গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ২০১৫ সালে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছিলেন।</p>
<p>প্রিয়তি বিবিসি বাংলাকে জানান, এ ঘটনা নিয়ে আইরিশ পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি, যা ইন্টারপোলের মাধ্যমে বাংলাদেশে যাবে।</p>
<p>নারী অধিকার কর্মী ও সাংবাদিক সুপ্রীতি ধরের মেয়ে শুচিস্মিতা সীমন্তি সাংবাদিক প্রণব সাহার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনে ৩০ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন।এরপর থেকেই এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়। ঘটনার এক সপ্তাহ পর ফেসবুকে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন প্রণব।</p>
<p>এই দুটি ঘটনার পর আরও কয়েকজন নারী বিভিন্ন সময় হেনস্তা হয়েছেন বলে দাবি করেছেন।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%86%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%87/">আঙ্কেল আমাকে লেপের ভিতরে নিয়ে….</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%86%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>যুবকের গোপনাঙ্গ কেটে নিলেন গৃহবধূ, তারপর&#8230;</title>
		<link>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b2/</link>
					<comments>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[হাসান]]></dc:creator>
		<pubDate></pubDate>
				<category><![CDATA[রাতের গল্প]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://breakingbdnews24.net/bn/?p=469614</guid>

					<description><![CDATA[<p>ঘটনাটি ভারতের ওড়িশার হরিচন্দনপুরের। আক্রান্ত যুবকের নাম রাজেন্দ্র নায়েক। বুধবার রাতে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনায় অভিযোগের তীর এক গৃহবধূর দিকে। সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বুধবার রাতে অফিস থেকে ফিরে ওই মহিলার বাড়ি যান রাজেন্দ্র। সেখানে রাজেন্দ্র অন্য এক মহিলার সঙ্গে ফোনে কথা বলতে থাকেন, যা দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে যান ওই গৃহবধূ। অভিযোগ, এর &#8230;</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b2/">যুবকের গোপনাঙ্গ কেটে নিলেন গৃহবধূ, তারপর&#8230;</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><img loading="lazy" decoding="async" src="https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2018/11/zubok-300x169.jpg" alt="" width="300" height="169" class="alignnone size-medium wp-image-469615" srcset="https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2018/11/zubok-300x169.jpg 300w, https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2018/11/zubok-768x432.jpg 768w, https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2018/11/zubok-375x211.jpg 375w, https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2018/11/zubok.jpg 800w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /><br />
ঘটনাটি ভারতের ওড়িশার হরিচন্দনপুরের। আক্রান্ত যুবকের নাম রাজেন্দ্র নায়েক। বুধবার রাতে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনায় অভিযোগের তীর এক গৃহবধূর দিকে।</p>
<p>সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বুধবার রাতে অফিস থেকে ফিরে ওই মহিলার বাড়ি যান রাজেন্দ্র। সেখানে রাজেন্দ্র অন্য এক মহিলার সঙ্গে ফোনে কথা বলতে থাকেন, যা দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে যান ওই গৃহবধূ। অভিযোগ, এর পরেই রাজেন্দ্রকে জোর করে মদ্যপান করান ওই মহিলা। তার পরেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার গোপনাঙ্গ কেটে দেন ওই বধূ।</p>
<p>এর পরেই আর্তনাদ শুরু করেন রাজেন্দ্র। চিৎকার শুনে এলাকাবাসীরা এসে তাকে উদ্ধার করেন। হাসপাতালে আপাতত স্থিতিশীল রয়েছেন রাজেন্দ্র। পুলিশের কাছে রাজেন্দ্র ওই মহিলাকে নিজের বন্ধু বলেই পরিচয় দিয়েছেন। ওই মহিলাকে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ। ঠিক কী কারণে ওই মহিলা এমন নৃশংস আচরণ করলেন, তা-ও জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b2/">যুবকের গোপনাঙ্গ কেটে নিলেন গৃহবধূ, তারপর&#8230;</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
