কয়েক দশকের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বাবরি মসজিদ-রাম জন্মভূমি নিয়ে করা ঐতিহাসিক অযোধ্যা মামলার রায় শনিবার ঘোষণা করেছেন ভারতের সুপ্রিমকোর্ট। রায়ে অযোধ্যার বিরোধীপূর্ণ বাবরি মসজিদের জমি মন্দির নির্মাণে হিন্দুদের দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আর নতুন একটি মসজিদ নির্মাণে মুসলমান সম্প্রদায়কে শহরেই আলাদা একখণ্ড পাঁচ একরের জমি বরাদ্দ দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আরো
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বিতর্কিত অযোধ্যা মামলার রায়ে বাবরি মসজিদের জমি হিন্দুদের প্রদান করে মুসলিমদের মসজিদ নির্মাণের জন্য সরকারকে পাঁচ একর জমি দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে মুসলিমরা সেই জমি না নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। ভারতজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা জোরদারের মাধ্যমে শনিবার সকালে সুপ্রিম কোর্ট এ আরো
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম জায়গা হচ্ছে আল্লাহর ঘর মসজিদ । কিন্তু ওই ঘর যদি কেউ ভেঙে দেয় তা হবে খুবই নিকৃষ্ট কাজ। বলছিলাম ভারতের অযোধ্যায় অবস্থিত বাবরি মসজিদের কথা। এই মসজিদ ভাঙতে প্রথম আঘাত করেছিলেন যে ব্যক্তি তার নাম বলবির সিং। কিন্তু মহান আল্লাহ’র অশেষ রহমতে সেই বলবির সিং আজ নওমুসলিম মুহাম্মদ আরো
বাবরি মসজিদ মামলার চূড়ান্ত রায়ে ভারতের সর্বোচ্চ আদালত অযোধ্যার বিতর্কিত ওই ভূমিতে একটি মন্দির নির্মাণের নির্দেশনা দিয়েছেন। এর পরিবর্তে অযোধ্যার অন্য কোনও স্থানে মসজিদ নির্মাণের জন্য ৫ একর ভূমি পাবেন মুসলিমরা। শনিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায় বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন দেশটির সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন আরো
ভারতে আলোচিত বাবরি মসজিদ মামলার রায় দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। আজ শনিবার এই মামলার রায় দেন ভারতের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ। আর সেই রায়কে নিয়ে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানে চলছে আলোচনা-সমালোচন।এদিকে, সম্পূর্ণ বিষয়টিকে ‘অসংবেদনশীল’ বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মোহাম্মদ কুরেশি। তিনি বলেন, বাবরি মসজিদ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায় মোদি সরকারের আরো
১৫০ বছর ধরে চলে আসা বাবরি ম’সজিদের বিরোধপূর্ণ এলাকা নিয়ে মা’মলার ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। শনিবার (৯ নভেম্বর) ভারতের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির একটি বেঞ্চ স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় এই রায় ঘোষণা করেছে। ওই রায়ে বলা হয়েছে, বিরোধপূর্ণ জমি একটি ট্রাস্টের অধীনে হিন্দুদের মালিকানায় আরো
সর্বভারতীয় মজলিস-ই-ইত্তিহাদুল মুসলিমিনের প্রধান আসাদুদ্দিন ওয়াইসি বলেছেন, বাবরি মসজিদের মামলায় সুপ্রিম কোর্টের রায়ে তিনি সন্তুষ্ট না। সুপ্রিম প্রকৃতপক্ষে সর্বোচ্চ কিন্তু ভুলের ঊর্দ্ধে না। তিনি বলেন, রায়ে আমি সুন্তুষ্ট না। তবে সংবিধানে আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমাদের বৈধ অধিকার নিয়ে আমরা লড়াই করে যাচ্ছি। দান করা পাঁচ একর জমি আমাদের দরকার আরো
বাবরি মসজিদের জমির মালিকানার পক্ষে সব ধরনের প্রমাণ রয়েছে বলে দাবি করেছেন মামলার মুসলিম পক্ষের আইনজীবী। ভারতের কেন্দ্রীয় সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের এক আইনজীবী বলেন, উত্তর প্রদেশের আজকের অযোধ্যায় ১৫২৮ সালে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল। জায়গাটিতে হিন্দু দেবতার জন্ম নিয়ে যে দাবি করা হয়েছে, তার ভিত্তি নেই বলেও তিনি দাবি করেন। আরো
১৫০ বছর ধরে চলে আসা বাবরি মসজিদের বিরোধপূর্ণ এলাকা নিয়ে মামলার ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। শনিবার (৯ নভেম্বর) ভারতের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির একটি বেঞ্চ স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় এই রায় ঘোষণা করেছে। ওই রায়ে বলা হয়েছে, বিরোধপূর্ণ জমি একটি ট্রাস্টের অধীনে হিন্দুদের মালিকানায় আরো
বলবীর সিং ও যোগেন্দ্র পাল বাবরি মসজিদ ভাঙার অগ্রসেনানী ছিলেন। ২৫ বছর আগে তারা দু’জন বাবরি মসজিদের গম্বুজের চুঁড়ায় ওঠে দু’হাতে চালিয়েছেন শাবল। তারা উভয়েই এখন মুসলিম। রেখেছেন দাঁড়ি। বলবীর সিং মুহাম্মদ আমির নাম ধারণ করেছেন বলে জানা যায়। দীর্ঘ ২৫ বছর আগে বলবীর সিংহ ও তার বন্ধু যোগেন্দ্র পাল আরো