<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>স্বাস্থ্য &#8211; ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</title>
	<atom:link href="https://breakingbdnews24.net/bn/category/health/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://breakingbdnews24.net/bn</link>
	<description>Breaking News of Bangladesh</description>
	<lastBuildDate>Thu, 18 Jan 2024 08:13:06 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.8.3</generator>

<image>
	<url>https://breakingbdnews24.net/bn/wp-content/uploads/2025/07/cropped-fevcon-32x32.jpg</url>
	<title>স্বাস্থ্য &#8211; ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</title>
	<link>https://breakingbdnews24.net/bn</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>দেশে ফের বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, টিকা দিতে নির্দেশনা</title>
		<link>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95/</link>
					<comments>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[sifat sifat]]></dc:creator>
		<pubDate></pubDate>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://breakingbdnews24.net/bn/?p=587062</guid>

					<description><![CDATA[<p>দেশে আবারও বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। নতুন কোনো ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা না থাকলেও দ্রুত টিকা দিতে নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বুধবার (১৭ জানুয়ারি) অধিদপ্তরের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনা টাস্কফোর্স বিভাগের সদস্য সচিব ডা. মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, দেশব্যাপী করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে ফাইজার কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কার্যক্রমের &#8230;</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95/">দেশে ফের বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, টিকা দিতে নির্দেশনা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>দেশে আবারও বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। নতুন কোনো ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা না থাকলেও দ্রুত টিকা দিতে নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।</p>
<p>বুধবার (১৭ জানুয়ারি) অধিদপ্তরের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনা টাস্কফোর্স বিভাগের সদস্য সচিব ডা. মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>এতে বলা হয়, দেশব্যাপী করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে ফাইজার কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কার্যক্রমের ১ম, ২য় এবং বুস্টার ডোজ (৩য়, ৪র্থ ডোজ) বিতরণ এবং প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। শিগগিরই কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রম শুরু করতে হবে।</p>
<p>নির্দেশনায় আরও বলা হয়, ভ্যাকসিন প্রদানের ক্ষেত্রে সম্মুখসারির স্বাস্থ্যকর্মী, ৬০ বছর এবং তদূর্ধ্ব বয়সী জনগোষ্ঠী, দীর্ঘমেয়াদী রোগে আক্রান্ত ১৮ বছর এবং তদূর্ধ্ব বয়সী জনগোষ্ঠী, স্বল্প রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রাপ্ত বয়স্ক (১৮ বছর এবং তদূর্ধ্ব) জনগোষ্ঠী ও গর্ভবতী নারীদের প্রাধান্য দেওয়া হবে।</p>
<p>প্রাথমিক পর্যায়ে ঢাকা শহরের ৮টি কেন্দ্রে বুস্টার ডোজ অর্থাৎ ৩য় এবং ৪র্থ ডোজ ফাইজার ভিসিভি ভ্যাকসিন প্রদান করা হবে। কেন্দ্রগুলো হলো— বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিডফোর্ড হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, শেখ রাসেল জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, ফুলবাড়িয়া সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল।</p>
<p>পরে ধাপে ধাপে ঢাকার বিভিন্ন বিশেষায়িত ইন্সটিটিউট ও সরকারি হাসপাতাল, ঢাকার বাইরের সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং জেলা পর্যায়ের হাসপাতালসমূহে ভ্যাকসিন বিতরণের মাধ্যমে কোডিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে।</p>
<p>কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ১ম এবং ২য় ডোজের ক্ষেত্রে ফাইজার আরটিইউ ভ্যাকসিন ব্যবহার করতে হবে। প্রাথমিকভাবে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতাল, মহাখালী এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নয়াবাজার ঢাকা মহানগর জেনারেল হাসপাতালে এই টিকা প্রদান করা হবে।</p>
<p>ফাইজার ভিসিভি এবং আরটিইউ টিকার ডোজের পরিমাণ- ০.৩ এম এল (০৬ ডোজের ভায়াল) টিকা প্রদানের জন্য ব্যবহৃত সিরিঞ্জ: ০.৩ এম এল প্রয়োগপথ: ডান বা বাম বাহুর উপরিভাগের ডেল্টয়েড মাংসপেশির মধ্যভাগে ৯০ ডিগ্রি কোণে পরিবহনের তাপমাত্রা: +২০ থেকে ৮০ সেলসিয়াস সংরক্ষণ: গলানোর তারিখ থেকে ৭০ দিন পর্যন্ত ২০ থেকে ৮০ সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এই ভ্যাকসিন সংরক্ষণ এবং ব্যবহার করা যাবে। গলানো ভ্যাকসিন কোনভাবেই পুনরায় জমানো যাবে না। ভায়াল খোলার ০৬ ঘণ্টার মধ্যে ভ্যাকসিন ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। টিকা পরবর্তী বিরূপ প্রতিক্রিয়ার (এইএফআই) ক্ষেত্রে পূর্বে সরবরাহকৃত এইএফআই গাইডলাইনের নির্দেশনা মোতাবেক যথাযথ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।</p>
<p>১ম এবং ২য় ডোজ টিকা পাবার প্রমাণস্বরূপ ভ্যাকসিনের নাম এবং তারিখ উল্লেখপূর্বক কোভিড-১৯ টিকাদান কার্ড সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে প্রদান করা হবে। ৩য় এবং ৪র্থ ডোজ টিকার ক্ষেত্রে সুরক্ষা ওয়েবসাইট অথবা অ্যাপ থেকে টিকাকার্ড ডাউনলোড করে সাথে আনতে হবে; এমআইএস, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পূর্ব নির্ধারিত উপায়ে কোভিড-১৯ ভ্যাক্সিনেশনের রিপোর্ট প্রদান করতে হবে।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95/">দেশে ফের বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, টিকা দিতে নির্দেশনা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>তেইশেও বিপর্যস্ত ডেঙ্গুতে, হুঁশ ফিরবে কি চব্বিশে?</title>
		<link>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%93-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a4/</link>
					<comments>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%93-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a4/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[sifat sifat]]></dc:creator>
		<pubDate></pubDate>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://breakingbdnews24.net/bn/?p=586379</guid>

					<description><![CDATA[<p>করোনাভাইরাসের পাশাপাশি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও মৃত্যু নিয়ে খুবই আলোচিত ছিল ২০২২ সাল। সে বছর টিকার সাফল্যে করোনা থেকে স্বস্তি ফিরলেও ডেঙ্গুতে অনেকটা নাজেহাল ছিল স্বাস্থ্য খাত। ২০২৩ সালে করোনামুক্ত নতুন বিশ্বে এসে ডেঙ্গু মোকাবিলা করাই ছিল স্বাস্থ্য বিভাগের অন্যতম লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে এবারও ডেঙ্গুতে বিপর্যস্ত হতে হয়েছে মানুষকে। বিদায়ী বছরে বারবার গণমাধ্যমের &#8230;</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%93-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a4/">তেইশেও বিপর্যস্ত ডেঙ্গুতে, হুঁশ ফিরবে কি চব্বিশে?</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>করোনাভাইরাসের পাশাপাশি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও মৃত্যু নিয়ে খুবই আলোচিত ছিল ২০২২ সাল। সে বছর টিকার সাফল্যে করোনা থেকে স্বস্তি ফিরলেও ডেঙ্গুতে অনেকটা নাজেহাল ছিল স্বাস্থ্য খাত। ২০২৩ সালে করোনামুক্ত নতুন বিশ্বে এসে ডেঙ্গু মোকাবিলা করাই ছিল স্বাস্থ্য বিভাগের অন্যতম লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে এবারও ডেঙ্গুতে বিপর্যস্ত হতে হয়েছে মানুষকে।</p>
<p>বিদায়ী বছরে বারবার গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছে ডেঙ্গুতে মানুষের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, ডাব-স্যালাইনের সিন্ডিকেট, রোগীদের ‘জিম্মি’ করে ওষুধপত্রের দাম বৃদ্ধিসহ নানা বিষয়। জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর– এক বছরে স্বাস্থ্য খাতে আলোচিত-সমালোচিত কিছু ঘটনা ফিরে দেখার চেষ্টা করেছে ঢাকা পোস্ট।</p>
<p>বিদায়ী বছরে বারবার গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছে ডেঙ্গুতে মানুষের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, ডাব-স্যালাইনের সিন্ডিকেট, রোগীদের ‘জিম্মি’ করে ওষুধপত্রের দাম বৃদ্ধিসহ নানা বিষয়।<br />
সংশ্লিষ্টদের মতে, গত এক বছরে ডেঙ্গুতে যে পরিমাণ আক্রান্ত ও মৃত্যু হয়েছে, আগের কোনো বছরে এমনটা ঘটেনি। অতীতের অভিজ্ঞতা কাজে না লাগানো, বিশেষজ্ঞদের মতামত উপেক্ষা এবং ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে সুনির্দিষ্ট জাতীয় পরিকল্পনা না থাকায় বর্তমান পরিণতি অবধারিত ছিল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।</p>
<p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য থেকে জানা যায়, চলতি বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে এখন (২২ ডিসেম্বর) পর্যন্ত তিন লাখ ২০ হাজার ১৫৮ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর আগে ২০২২ সালে দেশে সর্বমোট ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছিল ৬১ হাজার ৭৬৩ জনের। ওই বছর মৃত্যু হয়েছিল ২৮১ জনের।</p>
<p>দেশে ২০০০ সালে প্রথম ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়। এরপর থেকে প্রতি বছরই ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হচ্ছে। তবে, প্রথমবারের মতো এর ব্যাপকতা দেখা দেয় ২০১৯ সালে। শনাক্ত হয় সর্বোচ্চসংখ্যক ডেঙ্গু রোগী। ওই বছর রোগীর সংখ্যা ছিল এক লাখ এক হাজার ৩৫৪ জন। মৃত্যু হয় ১৭৯ জনের। ২০২১ সালে রোগী ছিল ২৮ হাজার ৪২৯ জন, মৃত্যু হয়েছিল ১০৫ জনের।</p>
<p>একটা সময় ডেঙ্গুর সংক্রমণকে শহরের রোগ হিসেবে বিবেচনা করা হলেও এখন সেটি ছড়িয়ে পড়েছে গ্রাম এলাকাতেও। রাজধানীর চেয়ে তিনগুণের বেশি রোগী শনাক্ত হচ্ছে গ্রামে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত তিন লাখ ২০ হাজার ১৫৮ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় এক লাখ নয় হাজার ৭৪৩ জন। ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছেন দুই লাখ ১০ হাজার ৪১৫ জন।</p>
<p>বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ভর্তি থাকা ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা এক হাজার ১৯৩ জন। ঢাকার বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৩৬৭ জন এবং ঢাকার বাইরে ৮২৬ জন। চলতি বছরের এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন তিন লাখ ১৭ হাজার ২৭৩ জন।</p>
<p>এ বিষয়ে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মোশতাক হোসেন ঢাকা পোস্টকে বলেন, ডেঙ্গু ইতোমধ্যে সারা দেশে ছড়িয়ে গেছে। একটা সময় ছিল ঢাকাতে সবচেয়ে বেশি রোগী পাওয়া যেত। এখন প্রায় সমান হয়ে গেছে। ২০২৩ সালের আউটব্রেকে আমরা দেখছি, ঢাকা শহরের প্রায় সব এলাকাতে ডেঙ্গু রোগী। মোট রোগীর ৩৫ শতাংশ ঢাকা এবং ৪৪ শতাংশ ঢাকার বাইরের। এমনকি ৮৬ শতাংশ রোগী শনাক্ত হয়েছে হাসপাতালের চারপাশের দুই কিলোমিটারের মধ্যে।</p>
<p>একসময় বর্ষার সিজন এলেই দেশে ডেঙ্গুর উপস্থিতি পাওয়া যেত। তবে, ডেঙ্গু এখন সারা বছরের রোগে পরিণত হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশে এখন ১২ মাসই ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী পাওয়া যাচ্ছে। এর অন্যতম কারণ জলবায়ু পরিবর্তন। এ ছাড়া, বৃষ্টির বাইরে বছরব্যাপী চলা নানা উন্নয়নমূলক কাজসহ বিভিন্ন কারণে জন্ম নিচ্ছে এডিস মশা। এ কারণে বিপদ এড়াতে দেশজুড়ে সারা বছর মশক নিধন কার্যক্রম চালানোর তাগিদ দিয়েছেন তারা।</p>
<p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৬৬ জন, মারা গেছেন ছয়জন। ফেব্রুয়ারিতে আক্রান্ত হয়েছেন ১৬৬ জন, মারা গেছেন তিনজন। মার্চে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১১১ জন। এপ্রিলে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৪৩ জন, মারা গেছেন দুজন। মে মাসে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৩৬ জন, মারা গেছেন দুজন। জুন মাসে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন পাঁচ হাজার ৯৫৬ জন, মারা গেছেন ৩৪ জন। জুলাইয়ে শনাক্ত ৪৩ হাজার ৮৫৪ জন, মারা গেছেন ২০৪ জন। আগস্টে ৭১ হাজার ৯৭৬ জন শনাক্ত, প্রাণহানি ৩৪২ জনের। সেপ্টেম্বরে শনাক্ত রোগী ৭৯ হাজার ৫৯৮ জন, মারা গেছেন ৩৯৬ জন। অক্টোবরে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৬৭ হাজার ৭৬৯ জন, মারা যান ৩৫৯ জন। নভেম্বরে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৪০ হাজার ৭১৬ জন, মারা গেছেন ২৭৪ জন। ডিসেম্বরের ২২ দিনে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা আট হাজার ২৬৭ জন, মারা গেছেন ৭০ জন।</p>
<p>জ্যেষ্ঠ জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. আবু জামিল ফয়সাল ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘আমি মনে করি, ডেঙ্গু এখন সারা বছরই চলবে। সারা বছর চলা মানে প্রতিদিন পাঁচ/সাতজন করে মারা যাবে। ফলে বছর শেষে ডেঙ্গুতে বহু মানুষের মৃত্যু হবে। বর্তমানে দেশের আবহাওয়ার যে অবস্থা, ভালো করে শীতও নেই, আবার গরমও নেই। অল্প একটু ঠান্ডা লাগে সকালে আর শেষ রাতে। আবহাওয়ার এমন আচরণের মধ্যে মশার প্রজনন কিন্তু ঠিকই চলতে থাকবে।’</p>
<p>এ বিষয়ে ডা. মোশতাক হোসেন বলেন, ‘ডেঙ্গু এখন আর কোনো টাইম ফ্রেমে নেই। এ বছরের পুরোটা সময় আমরা ডেঙ্গুর সংক্রমণ দেখেছি। হয়তো এখন থেকে এভাবে চলবে। তবে, এ বছরের মে, জুন, জুলাই– এ তিন মাসে এডিসের প্রজনন হার অনেকটা বেশি ছিল। এ সময়ে বৃষ্টিও বেশি হয়। কাজেই আমরা যদি মশা নিয়ন্ত্রণ করতে চাই, তাহলে এ সময়ের আগেই মশা নিয়ন্ত্রণের কাজটা করতে হবে।’</p>
<p>দেশের ইতিহাসে রেকর্ড ডেঙ্গু সংক্রমণের বছরে সীমাহীন ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে রোগীদের। হাসপাতালগুলোতে নির্ধারিত শয্যা পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় ফ্লোরে বিছানা পেতে চিকিৎসা নিতে হয়েছে অনেক সংকটাপন্ন রোগীকে। এদিকে, রোগীর তুলনায় অবকাঠামো এবং জনবলের সীমাবদ্ধতা থাকায় চিকিৎসা দিতেও হিমশিম খেতে হয়েছে চিকিৎসক-নার্সসহ সংশ্লিষ্টদের।</p>
<p>বছরব্যাপী ডেঙ্গু চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনায় রোগীদের জন্য ভরসার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। রাজধানীর যেকোনো এলাকায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে রোগীরা ছুটে আসেন মুগদা হাসপাতালে।</p>
<p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য মতে, রাজধানীর সরকারি হাসপাতালগুলোর মধ্যে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ১৩ হাজার ৪৬৯ ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এরপর ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে আট হাজার ৯৪৩ জন, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালে আট হাজার ৮৮৪ জন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আট হাজার ৬০১ জন, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে সাত হাজার ৭৫৯ জন, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চার হাজার ৩৫৬ রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন।</p>
<p>এ ছাড়া, বেসরকারি হাসপাতালগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালে। সেখানে এখন পর্যন্ত দুই হাজার ৫৪৯ ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। এ ছাড়া, ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালে দুই হাজার ১৮৩ জন, উত্তরা আধুনিক মেডিকেল হাসপাতাল এক হাজার ৯৭৫ জন, আজগর আলী হাসপাতালে এক হাজার ৮৫৮ জন, ইবনে সিনা হাসপাতালে এক হাজার ৬৬২ ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন।</p>
<p>২০২৩ সালের জুন, জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে ডেঙ্গু সংক্রমণের হার তুলনামূলক বেশি থাকায় সে সময় রোগীদের রক্ত ও প্লাটিলেটের চাহিদা বেড়ে যায়। দিনদিন ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ায় রাজধানীর ব্লাড ব্যাংক ও স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে রক্ত ও প্লাটিলেটের জন্য জমতে থাকে ভিড়। হঠাৎ চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সরবরাহ নিয়ে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয় এসব প্রতিষ্ঠানকে।</p>
<p>রক্তে প্লাটিলেট ৪০-৫০ হাজারের মধ্যে এলেই রোগীর স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দেখা যায়। যদিও বাস্তবতা হলো, প্লাটিলেট যদি ২০ থেকে ১০ হাজারের মধ্যে নেমে আসে— এমন অবস্থায়ও রোগীর প্লাটিলেট নাও লাগতে পারে। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বরাবরই বলে এসেছেন, ডেঙ্গুতে প্লাটিলেটের ভূমিকা প্রধান নয়। এ নিয়ে অযথা ভয়ে থাকে মানুষ। ডেঙ্গুজনিত মৃত্যুঝুঁকি কমাতে প্লাটিলেট নিয়ে চিন্তিত না হয়ে অন্য কিছু লক্ষণের দিকে নজর রাখতে বলেছেন তারা।</p>
<p>বিশিষ্ট ব্লাড ট্রান্সফিউশন বিশেষজ্ঞ এবং শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ডা. আশরাফুল হক বলেন, আমরা বর্তমান ডেঙ্গু পরিস্থিতিতে প্লাটিলেটের চাহিদাটা গভীরভাবে উপলব্ধি করেছি। কিন্তু যখন দেখছি যে, সংকটময় পরিস্থিতিতেও এর অপব্যবহার হচ্ছে, সেটি আমাদের জন্য খুবই কষ্টদায়ক। সে সময়টায় প্লাটিলেটের ডোনার সহজলভ্য ছিল না। আমরা ডোনারের তীব্র সংকট দেখেছি। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও ঠিক মতো ডোনার পাচ্ছিলাম না। সেই পরিস্থিতিতেও প্লাটিলেটের অযাচিত ব্যবহার হয়েছে।</p>
<p>‘প্লাটিলেট পাঁচ হাজার কাউন্টেও অনেকে ভালো থাকেন। দেখা যায়, তার কোনো ধরনের লক্ষণ নেই, কোনো প্রকার রক্তক্ষরণ নেই। প্লাটিলেটের সঙ্গে কিন্তু রক্তক্ষরণের সম্পর্ক নেই। তার মানে হলো, প্লাটিলেট পাঁচ হাজার কাউন্টেও যেমন রোগীকে খারাপ বলা যায় না, আবার এক লাখ থাকলেও ভালো বলা যায় না। অর্থাৎ কারও ক্ষেত্রে এক লাখেও রক্তক্ষরণ হতে পারে, আবার কারও ক্ষেত্রে পাঁচ হাজারেও রক্তক্ষরণ হয় না।’</p>
<p>বছরের শেষের দিকে ডেঙ্গু বেড়ে গেলে দেশে স্যালাইন নিয়ে হুলুস্থুল কাণ্ড ঘটে। চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় হঠাৎ বাজারে স্যালাইনের সংকট দেখা দেয়। ফলে নির্ধারিত দামের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি দামে স্যালাইন বিক্রি হয়। এতে বিপাকে পড়েন দরিদ্র রোগী ও তাদের স্বজনরা। ওই সময় সরেজমিনে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল-সংলগ্ন একাধিক ফার্মেসিতে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিটি ফার্মেসিতে স্যালাইনের সংকট। কিছু ফার্মেসিতে পাওয়া গেলেও ৯০ টাকার স্যালাইন তখন বিক্রি হয় ২০০ থেকে ৪০০ টাকায়।</p>
<p>বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন নিশাত মেডিসিনের এক বিক্রয়কর্মী তখন বলেছিলেন, আমরা তো স্যালাইন পাচ্ছি না। কোম্পানিগুলোকে বারবার চাহিদা দিয়েও পাচ্ছি না। অনেক সময় এক কার্টন অর্ডার দিলে ১০ পিস দিয়ে যায়। রোগীরা এলে তাদের চাহিদা মতো দিতে পারছি না। কেউ কেউ এ সুযোগে দাম বাড়িয়ে বেশি দামে বিক্রি করছে।</p>
<p>এদিকে, স্যালাইন সংকটের কথা স্বীকার করলেও যেন অনেকটাই অসহায় ছিল ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। তাদের ভাষ্য মতে, কোনো লিডিং ফার্মাসিউটিক্যালস স্যালাইন বা কোনো ওষুধ সরবরাহ বন্ধ করেনি। কারণ, এটা তাদের বাজারে টিকে থাকার প্রতিযোগিতা। চাহিদা বাড়ার কারণে প্রতিদিন ওরিয়ন ৩০ হাজার লিটার, অপসোনিন ২৭ হাজার লিটার, বেক্সিমকো ও পপুলার তাদের স্বাভাবিক উৎপাদন চালু রেখেছে। এমনকি শুক্রবার বন্ধের দিনেও তারা স্যালাইন উৎপাদন ও সরবরাহ করেছে।</p>
<p>বিক্রেতাদের ওপর দায় চাপিয়ে ওই সময় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নুরুল আলম সাংবাদিকদের জানান, যখন চাহিদা বেশি থাকে, তখন কোম্পানির পক্ষ থেকে সাপ্লাই বন্ধ করার কোনো প্রশ্নই আসে না। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এ সংকট বিক্রেতারা তৈরি করেন। ওষুধ মজুত রেখে তারা কৃত্রিম সংকট দেখান, যেটার প্রমাণ আমরা অনেকবার অভিযানে গিয়ে পেয়েছি।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, এভাবে সংকট দেখানোর পেছনে একটা দুষ্টু চক্র কাজ করছে। এরা একটা সিন্ডিকেট তৈরি করেছে। ডেটা থেকেই বোঝা যায়, কোনো সংকট নেই।</p>
<p>ডাব, মাল্টার দাম বাড়িয়ে ডেঙ্গু রোগীদের ‘জিম্মি’</p>
<p>ডেঙ্গু রোগীতে হাসপাতালগুলো যখন কানায় কানায় পূর্ণ, তখন বিভিন্ন গণমাধ্যমে আলোচনায় আসে ডাব, মাল্টার দাম বাড়িয়ে ডেঙ্গু রোগীদের ‘জিম্মি’ করার নানা খবর। সরেজমিনে তখন দেখা যায়, ডেঙ্গুর সুযোগে হাসপাতালের গেট ও আশপাশের ফুটপাতে মানুষের পকেট কাটছেন ডাবসহ বিভিন্ন ফল বিক্রেতারা। তারা দ্বিগুণেরও বেশি দাম নিচ্ছেন। সবমিলিয়ে গরীব ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের রোগীরা খুবই অসহায় বোধ করেছেন।</p>
<p>সরেজমিনে আরও দেখা যায়, ডেঙ্গুর প্রকোপ পুঁজি করে রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় সক্রিয় হয়ে ওঠে ডাব সিন্ডিকেট। বিশেষ করে হাসপাতাল-সংশ্লিষ্ট এলাকায় বেশি বেপরোয়া হয়ে ওঠে সিন্ডিকেটটি। শুধু ডাব নয়, প্রতিটি ফলের দামেই যেন আগুন লেগেছিল তখন।</p>
<p>জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-সংলগ্ন ফুটপাতে গিয়ে তখন দেখা যায়, সেখানে চড়া দামে বিক্রি হয় ডাব, কমলা, আপেল ও মাল্টাসহ নানা ফল। প্রতিটি ডাবের দাম রাখা হয় স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। যে ডাব ৮০ থেকে ১০০ টাকায় পাওয়া যেত, সেটি হাসপাতাল গেটে বিক্রি হয় ১৪০ থেকে ২০০ টাকায়। আপেল বিক্রি হয় ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায়, যা সাধারণত বিক্রি হয় ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়। মাল্টা বিক্রি হয় ২০০ থেকে ২৫০ টাকায়, যা সাধারণত বিক্রি হয় ১৫০ থেকে ১৮০ টাকায়।</p>
<p>এবারও ডেঙ্গুতে নাকাল স্বাস্থ্য খাত : কী হবে নতুন বছরে</p>
<p>ডেঙ্গু সংক্রমণে কেমন ছিল ২০২৩ সাল, ডেঙ্গুতে বিপর্যয়ের কারণ এবং ২০২৪ সালে দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি কেমন হবে— এসব বিষয়ে একাধিক বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা হয় ঢাকা পোস্টের। এ বিষয়ে ডা. মুশতাক আহমেদ বলেন, ‘করোনার রেশ না কাটতেই আমাদের ডেঙ্গু মোকাবিলায় পর্যুদস্ত হতে হয়েছে। বছরের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরোটা সময় আমাদের ডেঙ্গু নিয়ে কেটেছে। ডেঙ্গু মোকাবিলা করতে গিয়ে স্বাস্থ্যের অন্য দিকগুলোতে আমরা পিছিয়ে পড়েছি। সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমাদের যতটা অগ্রগতি হওয়ার কথা ছিল, তা আমরা করতে পারিনি।’</p>
<p>ডেঙ্গু মোকাবিলায় আমরা কতটা সফল হয়েছি– জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আমরা সফল হয়েছি, এটা আমি বলতে চাই না। আমার মতে, ডেঙ্গু সংক্রমণ আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি। এর কারণ হলো, আমরা সময় মতো যথাযথ পদক্ষেপ নিতে পারিনি।’</p>
<p>বিপর্যয়ের কারণ প্রসঙ্গে ড. আবু জামিল ফয়সাল বলেন, ‘আমাদের খুবই দুর্ভাগ্যের ব্যাপার হলো, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সমন্বিতভাবে কোনো কাজ করতে পারলাম না। এমনকি সমন্বিতভাবে কাজের কোনো চেষ্টাও করলাম না। আমরা দেখলাম না দুই মন্ত্রণালয় আর সিটি কর্পোরেশনকে যৌথ কোনো মিটিং করতে। অন্তত দুই মন্ত্রণালয়ের সচিবদের উচিত ছিল একসঙ্গে বসা এবং পরিকল্পনা করে ব্যবস্থা নেওয়া। আমরা সেটিও দেখলাম না। এটা খুবই দুর্ভাগ্যের বিষয়।’</p>
<p>নতুন বছরে ডেঙ্গু সংক্রমণ পরিস্থিতি কেমন হবে– জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বছর যেমনটা হয়েছে, নতুন বছরেও তেমনটা হবে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আমাদের কার্যক্রম এভাবে চলতে থাকা মানে আমরা আমাদের নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছি না। সমন্বিতভাবে কাজ না করলে ডেঙ্গু যে সারা বছর চলতেই থাকবে, বিশ্ববাসীর জন্য তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ হলো বাংলাদেশ।’</p>
<p>আবু জামিল ফয়সাল আরও বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করতে হলে এখন আমাদের সর্বোচ্চ লেভেল থেকে হস্তক্ষেপ দরকার। এক্ষেত্রে মনে হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী হস্তক্ষেপ করলেই কাজ হবে। সবকিছু যেন হয়ে গেছে প্রধানমন্ত্রীকেন্দ্রিক। প্রধানমন্ত্রী যদি বলতেন, এটা খুবই জরুরি, তোমরা সবাই কাজ করো, তাহলে সব মন্ত্রণালয় ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে উঠে-পড়ে লাগত। সামনে নির্বাচন, যে কারণে প্রধানমন্ত্রীও এদিকে নজর দিতে পারছেন না। ডেঙ্গুর মৌসুম পার হলেও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আসছে না।</p>
<p>ব্যক্তি সচেতনতা ছাড়া ডেঙ্গু প্রতিরোধের বিকল্প নেই : অধ্যাপক নাজমুল</p>
<p>দেশে চলমান ডেঙ্গু সংক্রমণ ও নতুন বছরে করণীয় প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, অন্য যেকোনো বছরের তুলনায় এবার দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। একসময় ডেঙ্গু শুধু ঢাকাতে সীমাবদ্ধ থাকলেও এবার তা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এটা আমাদের জন্য খুবই উদ্বেগের বিষয়।</p>
<p>‘২০২৩ সাল যেমনই হোক, নতুন বছরে আমরা কীভাবে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করব, সেটাই বড় ভাবনা। আমরা বিষয়টা নিয়ে কাজ করছি। তবে, আমরা যত কিছুই করি না কেন ব্যক্তিপর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানো ছাড়া ডেঙ্গু প্রতিরোধের বিকল্প নেই।’</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%93-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a4/">তেইশেও বিপর্যস্ত ডেঙ্গুতে, হুঁশ ফিরবে কি চব্বিশে?</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%93-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a4/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আরও কমে সয়াবিনের দাম ২২ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন!</title>
		<link>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%93-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a7%a8%e0%a7%a8-%e0%a6%ae/</link>
					<comments>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%93-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a7%a8%e0%a7%a8-%e0%a6%ae/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪]]></dc:creator>
		<pubDate></pubDate>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://breakingbdnews24.net/bn/?p=586201</guid>

					<description><![CDATA[<p>আন্তর্জাতিক বাজারে সয়াবিনের দাম আরও কমেছে। বুধবার (১১ অক্টোবর) গত ২২ মাসের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমে গেছে তেলবীজটির দর। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী বাণিজ্যিক সংবাদমাধ্যম নাসডাকের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। এতে বলা হয়, এবার বিশ্বের বৃহত্তম উৎপাদক যুক্তরাষ্ট্রে সয়াবিনের কেমন ফলন হবে, সেই পূর্বাভাসের দিকে মনোযোগ দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ফলে আপাতত এ &#8230;</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%93-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a7%a8%e0%a7%a8-%e0%a6%ae/">আরও কমে সয়াবিনের দাম ২২ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন!</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>আন্তর্জাতিক বাজারে সয়াবিনের দাম আরও কমেছে। বুধবার (১১ অক্টোবর) গত ২২ মাসের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমে গেছে তেলবীজটির দর। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী বাণিজ্যিক সংবাদমাধ্যম নাসডাকের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।</p>
<p>এতে বলা হয়, এবার বিশ্বের বৃহত্তম উৎপাদক যুক্তরাষ্ট্রে সয়াবিনের কেমন ফলন হবে, সেই পূর্বাভাসের দিকে মনোযোগ দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ফলে আপাতত এ খাতে বিনিয়োগে সতর্ক রয়েছেন তারা। এতে চাপে পড়েছে ভোজ্যতেল, সাবান, শ্যাম্পু, গ্লিসারিন ও লুব্রিকেন্টস জাতীয় পণ্য তৈরির মূল উপাদানের বাজার।</p>
<p>আলোচ্য কার্যদিবসে শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে (সিবিওটি) সবচেয়ে সক্রিয় সয়াবিনের চুক্তি মূল্য হ্রাস পেয়েছে ১৯ সেন্ট বা ১ দশমিক ৫ শতাংশ। প্রতি বুশেলের দাম স্থির হয়েছে ১২ ডলার ৫২ সেন্টে। এদিন একপর্যায়ে যা ছিল ১২ ডলার ৫১ সেন্টে। ২০২১ সালের ১৫ ডিসেম্বরের পর তা সবচেয়ে কম।</p>
<p>বিশ্লেষকরা প্রত্যাশা করছেন, মার্কিন মুলুকে ধারণার চেয়ে বেশি সয়াবিন উৎপন্ন হবে। ফলে কৃষিজ পণ্যটির দরপতন ঘটেছে। বৈশ্বিক কৃষি পণ্য সরবরাহ ও চাহিদা পূর্বানুমানের (ডব্লিউএএসডিই) প্রতিবেদনে এসব কথা জানিয়েছেন তারা।</p>
<p>ইলিনয়-ভিত্তিক কৃষি ঝুঁকি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ক্লেইটন পোপ কম্মোডিটিজের পরিচালক ক্লেইটন পোপ বলেন, অসংখ্য লোক বলছেন, এ বছর যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে রেকর্ড সয়াবিন উৎপাদন হবে। ইতোমধ্যে মার্কিন তেলবীজটির চাহিদায় পতন ঘটেছে। তাতে দরও নিম্নমুখী হয়েছে।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ) জানিয়েছে, বিশ্বের শীর্ষ ভোক্তা চীনের ক্রেতাদের কাছে ১ লাখ ২১ হাজার মেট্রিক টন সয়াবিন বিক্রি করেছে দেশটি। এছাড়া অন্যান্য গ্রাহকদের নিকট ২ লাখ ১৩ হাজার টন তেলবীজটি সরবরাহ করেছে তারা।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%93-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a7%a8%e0%a7%a8-%e0%a6%ae/">আরও কমে সয়াবিনের দাম ২২ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন!</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%93-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a7%a8%e0%a7%a8-%e0%a6%ae/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শ্বাসকষ্ট, আলসার, অর্শ, বদহজম সারাবে এই গাছ!</title>
		<link>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b6-%e0%a6%ac%e0%a6%a6%e0%a6%b9/</link>
					<comments>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b6-%e0%a6%ac%e0%a6%a6%e0%a6%b9/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪]]></dc:creator>
		<pubDate></pubDate>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://breakingbdnews24.net/bn/?p=586177</guid>

					<description><![CDATA[<p>যে কোনো গাছ থেকেই লজ্জাবতী গাছকে সহজে আলাদা করা যায়। বিশেষ বৈশিষ্ট্য থাকায় অন্য যে কোনো গাছ থেকে এ গাছকে চোখেও পড়ে সহজে। ছুঁয়ে দিলেই যেন গাছটি নিজেকে গুটিয়ে নেয় নিজের মধ্যে। শুধু বৈশিষ্ট্য নয়, উপাদানেও অনন্য এবং নানা রহস্যে ভরা এই লজ্জাবতী গাছ। গাছটির নাম লজ্জাবতী হলেও অনেকের কাছে এটি লাজবন্তী গাছ নামেও পরিচিত। &#8230;</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b6-%e0%a6%ac%e0%a6%a6%e0%a6%b9/">শ্বাসকষ্ট, আলসার, অর্শ, বদহজম সারাবে এই গাছ!</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>যে কোনো গাছ থেকেই লজ্জাবতী গাছকে সহজে আলাদা করা যায়। বিশেষ বৈশিষ্ট্য থাকায় অন্য যে কোনো গাছ থেকে এ গাছকে চোখেও পড়ে সহজে। ছুঁয়ে দিলেই যেন গাছটি নিজেকে গুটিয়ে নেয় নিজের মধ্যে। শুধু বৈশিষ্ট্য নয়, উপাদানেও অনন্য এবং নানা রহস্যে ভরা এই লজ্জাবতী গাছ।</p>
<p>গাছটির নাম লজ্জাবতী হলেও অনেকের কাছে এটি লাজবন্তী গাছ নামেও পরিচিত। দেখতে একধরনের কাঁটাযুক্ত উদ্ভিদ। অন্যান্য গাছের চেয়ে এ গাছ যেন অনেক বেশি স্পর্শকাতর। যে কারণে এ গাছ স্পর্শ করার সঙ্গে সঙ্গে এর পাতা অনেকটাই নেতিয়ে পড়ে।</p>
<p>তবে আপনি জানেন কি লজ্জাবতী গাছ শুধু লাজুকই নয়, এতে লুকিয়ে রয়েছে হাজারো গুণের রহস্য। আসুন আজকের আয়োজনে জেনে নিই এ গাছের নানা রহস্যময়ী গুণ সম্পর্কে।</p>
<p>লজ্জাবতীর বোটানিক্যাল নাম মিমোসা পুডিকা। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে এর নানা রহস্যে ভরা গুণের কথা উল্লেখ রয়েছে। যেমন: কফ দূর করতে, নাক ও কান থেকে রক্ত পড়া বন্ধ করতে, ডায়রিয়া, যে কোনো প্রদাহ, জ্বালাপোড়া, আলসার, কুষ্ঠ কিংবা যোনি রোগ থেকে মুক্তি পেতে লজ্জাবতী গাছের ব্যবহার দারুণ কার্যকরী।</p>
<p>শ্বাসকষ্ট, আলসার, অর্শ বা পাইলস, পেট ফাঁপা, বদহজম, যে কোনো ক্ষত সারাতে এ গাছের রস ভীষণ কাজে দেয়। এসব সমস্যার সমাধান পেতে ৫ মিলি পরিমাণ লজ্জাবতী পাতার পেস্ট সেবন করতে পারেন। এই ৫ মিলি পরিমাণ লজ্জাবতী পাতার পেস্টই কাবু করে দিতে পারে এসব নানা শারীরিক সমস্যাগুলোকে।</p>
<p>যাদের দাঁত ও মাড়িতে ক্ষত আছে তারা ২০ সেমি লম্বা লজ্জাবতী গাছের মূল পরিষ্কার করে পানিতে ১৫ মিনিট সিদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে কুলকুচি করতে পারেন। নিয়মিত এ অভ্যাসেই ম্যাজিকের মতো দাঁত ও মাড়ির ক্ষত নিমেষে দূর হবে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরাও। সূত্র: টিভি নাইন</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b6-%e0%a6%ac%e0%a6%a6%e0%a6%b9/">শ্বাসকষ্ট, আলসার, অর্শ, বদহজম সারাবে এই গাছ!</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b6-%e0%a6%ac%e0%a6%a6%e0%a6%b9/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>এই ৫ টি খাবারে রয়েছে দুধের চেয়েও বেশি ক্যালশিয়াম</title>
		<link>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%8f%e0%a6%87-%e0%a7%ab-%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%a7%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%8f%e0%a6%87-%e0%a7%ab-%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%a7%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪]]></dc:creator>
		<pubDate></pubDate>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://breakingbdnews24.net/bn/?p=586076</guid>

					<description><![CDATA[<p>শরীরের কার্যকারিতায় ক্যালসিয়াম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কারণ, আমাদের শরীরের হাড়ের গঠনের জন্য ক্যালসিয়াম অন্যতম উপাদান। অর্থাৎ জন্ম থেকে বর্তমান পর্যন্ত আমাদের শরীরের বৃদ্ধির জন্য ক্যালসিয়ামের প্রয়োজন। যেসব শিশু লম্বা হতে চায় তাদের অবশ্যই ক্যালসিয়াম খাওয়া উচিত। ক্যালসিয়ামের অভাবে ধীর বৃদ্ধি, ভঙ্গুর হাড়,অস্টিওপরোসিস ইত্যাদি হয়। এছাড়াও, ক্যালসিয়াম শরীরের প্রক্রিয়াগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করে যা আমরা দেখতে &#8230;</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%8f%e0%a6%87-%e0%a7%ab-%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%a7%e0%a7%87/">এই ৫ টি খাবারে রয়েছে দুধের চেয়েও বেশি ক্যালশিয়াম</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>শরীরের কার্যকারিতায় ক্যালসিয়াম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কারণ, আমাদের শরীরের হাড়ের গঠনের জন্য ক্যালসিয়াম অন্যতম উপাদান। অর্থাৎ জন্ম থেকে বর্তমান পর্যন্ত আমাদের শরীরের বৃদ্ধির জন্য ক্যালসিয়ামের প্রয়োজন। যেসব শিশু লম্বা হতে চায় তাদের অবশ্যই ক্যালসিয়াম খাওয়া উচিত।</p>
<p>ক্যালসিয়ামের অভাবে ধীর বৃদ্ধি, ভঙ্গুর হাড়,অস্টিওপরোসিস ইত্যাদি হয়। এছাড়াও, ক্যালসিয়াম শরীরের প্রক্রিয়াগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করে যা আমরা দেখতে পাই না। </p>
<p>উদাহরণস্বরূপ; পেশী, স্নায়ুতন্ত্র, নির্দিষ্ট হ&#8217;রমোনের কাজ, হৃদস্পন্দন। বেশির ভাগ মানুষই ভাবেন যে, তারা যদি উচ্চ পরিমাণে ক্যালসিয়াম পেতে চান তবে তাদের অবশ্যই প্রচুর দুধ পান করতে হবে, যা ভুল নয়।</p>
<p>তবে এমন কিছু খাবার আছে যা আরও বেশি ক্যালশিয়াম সমৃদ্ধ। এই ৫ টি খাবারে রয়েছে দুধের চেয়েও বেশি ক্যালশিয়াম! চলুন সেগুলো কী কী তা জেনে নেওয়া যাক।</p>
<p>১. পনির : পনির হল দুধের তৈরি প্রোটিন সমৃদ্ধ একটি খাবার। পনিরে দুধের চেয়ে দ্বিগুণ ক্যালসিয়াম বেশি। পারমেসান পনিরে ক্যালোরি বেশি থাকলেও দুধের চেয়ে কম ল্যাকটোজ রয়েছে। </p>
<p>শিশুদের খাবার তৈরিতে পারমেসান পনির ব্যবহার করলে তাদের ল্য়াকটোজ ও ক্য়ালসিয়ামের চাহিদা পূরণ হয়। তবে ওজন বাড়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। সুস্বাস্থ্যের জন্য পরিমিত পরিমাণে পনির খান।</p>
<p>২. দই : গরুর দুধে যাদের অ্যালার্জি আছে তাদের জন্য বিকল্প হল দই। মিষ্টি ছাড়া প্রাকৃতিক দই ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম। এছাড়া দইয়ে রয়েছে অণুজীব যা পরিপাকতন্ত্রের জন্য খুবই উপকারী। শুধু তাই নয়, আমরা যখন দুধের সমান পরিমাণে দই খাই, তখন ক্যালসিয়ামও বেশি পাওয়া যায়।</p>
<p>৩. শষ্য বীজ : বেশিরভাগ বীজেই রয়েছে পুষ্টিগুণ। যেমন সাদা তিলের বীজ, চিয়া বীজ এবং বিশেষ করে কালো তিলের বীজ পুষ্টি সমৃদ্ধ। এইগুলোতে গরুর দুধের চেয়ে আট গুণ বেশি ক্যালসিয়াম রয়েছে। প্রতিদিনের ক্যালসিয়াম বৃদ্ধির জন্য আপনার খাবারে ভাজা কালো তিল ছিটিয়ে দিন। প্রতিদিনের খাবারে শষ্য বীজ রাখলে ক্যালসিয়ামের অভাব হবে না।</p>
<p>৪. বাদাম : বাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমান ক্যালসিয়াম। বিকালের নাস্তায় একমুঠ বাদাম খেতেই পারেন। এতে আপনার পেটও ভরবে আবার পুষ্টিও পাবেন। কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার ও ক্যালসিয়াম থাকে। এবং হাড় এবং মস্তিষ্ককে পুষ্ট করে।</p>
<p>৫. কলাইশুটি : মটরশুটি ছাড়াও যে বীজগুলো খাওয়া হয় যেমন কালো মটরশুটি, সাদা মটরশুটি, লাল মটরশুটি, শিমবীজ ইত্যাদি পুষ্টি সমৃদ্ধ। এগুলিতে প্রোটিন, ভিটামিন এবং খনিজ, বিশেষত ক্যালসিয়াম প্রচুর। সূত্র : দ্য ট্র্যাভেল ব্রীজ</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%8f%e0%a6%87-%e0%a7%ab-%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%a7%e0%a7%87/">এই ৫ টি খাবারে রয়েছে দুধের চেয়েও বেশি ক্যালশিয়াম</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%8f%e0%a6%87-%e0%a7%ab-%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%a7%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>হার্ট অ্যাটাকের পূর্বে ৩টি লক্ষণ, থাকলে এখনই সতর্ক হন</title>
		<link>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%85%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a7%a9-2/</link>
					<comments>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%85%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a7%a9-2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪]]></dc:creator>
		<pubDate></pubDate>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://breakingbdnews24.net/bn/?p=585958</guid>

					<description><![CDATA[<p>বেশিরভাগ মানুষ হার্ট অ্যাটাক নিয়ে সতর্ক নয়। এ কারণে হার্ট অ্যাটাকের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে। আগে থেকে জানা না থাকার কারণে শরীরে বিভিন্ন লক্ষণ দেখেও মানুষ বুঝতে পারে না। অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন ও অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস এ সমস্যার পেছনে অন্যতম কারণ হিসেবে কাজ করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সারা শরীরের মতো আমাদের হৃৎপিণ্ডেরও প্রয়োজন হয় রক্তের। তিনটি রক্তবাহী নালীর মাধ্যমে &#8230;</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%85%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a7%a9-2/">হার্ট অ্যাটাকের পূর্বে ৩টি লক্ষণ, থাকলে এখনই সতর্ক হন</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বেশিরভাগ মানুষ হার্ট অ্যাটাক নিয়ে সতর্ক নয়। এ কারণে হার্ট অ্যাটাকের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে। আগে থেকে জানা না থাকার কারণে শরীরে বিভিন্ন লক্ষণ দেখেও মানুষ বুঝতে পারে না। অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন ও অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস এ সমস্যার পেছনে অন্যতম কারণ হিসেবে কাজ করে।</p>
<p>বিশেষজ্ঞদের মতে, সারা শরীরের মতো আমাদের হৃৎপিণ্ডেরও প্রয়োজন হয় রক্তের। তিনটি রক্তবাহী নালীর মাধ্যমে রক্ত হার্টে পৌঁছায়। সেই নালীতে কোনো কারণে ব্লক হলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এ সমস্যাকেই আমরা চিনি হার্ট অ্যাটাক নামে। ধূমপান, ডুবো তেলে ভাজা খাবার, অতিরিক্ত ওজন হার্ট অ্যাটাকের জন্য দায়ী হতে পারে।</p>
<p>এবার জেনে নিন যেসব লক্ষণ দেখলে সতর্ক হতে হবে। হার্ট অ্যাটাকের পূর্বে এই ৩টি লক্ষণ থাকলে এখনই সতর্ক হন!</p>
<p>১. হার্ট অ্যাটাক হওয়ার আগে বুকে ব্যথা এবং শরীরে একটি অদ্ভূত অস্থিরতা হতে থাকে। এ পরিস্থিতিতে সঙ্গে সঙ্গেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।</p>
<p>২. কিছু মানুষের এ পরিস্থিতে মাথাও ঘুরতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তি অজ্ঞান হয়ে যেতে পারেন। সেই সঙ্গে শরীরে ক্লান্তির অনুভূত হতে পারে। এ ধরনের কিছু মনে হলেই কথা বলুন চিকিৎসকের সঙ্গে।</p>
<p>৩. বিনা কারণে অতিরিক্ত ক্লান্তি, শরীরে অস্থিরতা এবং বমি বমি ভাব হার্ট অ্যাটাক আসার আগে সংকেত হতে পারে। মনে রাখা দরকার এ ধরনের লক্ষণ অধিকাংশ ক্ষেত্রে মহিলাদের মধ্যেই দেখা দেয়।</p>
<p>এ ধরনের কোনো লক্ষণ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। কারণ এ ধরনের রোগীর ক্ষেত্রে প্রতিটি মুহূর্ত অনেক গুরুত্বপূর্ণ। পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর খাবার খান। প্রতিদিন রুটিন মেনে চলুন। নে&#8217;শা করার অভ্যাস থাকলে তা বাদ দিতে হবে।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%85%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a7%a9-2/">হার্ট অ্যাটাকের পূর্বে ৩টি লক্ষণ, থাকলে এখনই সতর্ক হন</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%85%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a7%a9-2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বড় বিপদ হবে যা না জেনে শজনে পাতা খেলে</title>
		<link>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%ac%e0%a6%a1%e0%a6%bc-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%a6-%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%9c%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%ac%e0%a6%a1%e0%a6%bc-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%a6-%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%9c%e0%a6%a8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪]]></dc:creator>
		<pubDate></pubDate>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://breakingbdnews24.net/bn/?p=585949</guid>

					<description><![CDATA[<p>কথায় বলে ‘ঝোঁকে বাঙালি’। অতীব সত্য কথা। ঝোঁকে বাঙালি কথাটি মানুষ নেতিবাচক অর্থে নিলেও আমার কাছে এর ব্যাখ্যা ভিন্ন। বাঙালি এতই সহজ-সরল যে, যে যা কিছু বলে, আমরা তা সহজে বিশ্বাস করি। প্রসঙ্গ ছিল মরিঙ্গা বা শজনে পাতা। ইংরেজিতে ড্রাম স্টিক নামে পরিচিত ফলটি আমরা তরকারি হিসেবে খাদ্যে ব্যবহার করি। খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞানী, চিকিৎসাবিজ্ঞানী, উদ্ভিদবিজ্ঞানী, &#8230;</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%ac%e0%a6%a1%e0%a6%bc-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%a6-%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%9c%e0%a6%a8/">বড় বিপদ হবে যা না জেনে শজনে পাতা খেলে</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>কথায় বলে ‘ঝোঁকে বাঙালি’। অতীব সত্য কথা। ঝোঁকে বাঙালি কথাটি মানুষ নেতিবাচক অর্থে নিলেও আমার কাছে এর ব্যাখ্যা ভিন্ন। বাঙালি এতই সহজ-সরল যে, যে যা কিছু বলে, আমরা তা সহজে বিশ্বাস করি। প্রসঙ্গ ছিল মরিঙ্গা বা শজনে পাতা।</p>
<p>ইংরেজিতে ড্রাম স্টিক নামে পরিচিত ফলটি আমরা তরকারি হিসেবে খাদ্যে ব্যবহার করি। খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞানী, চিকিৎসাবিজ্ঞানী, উদ্ভিদবিজ্ঞানী, রসায়নবিদসহ দেশীয় ও আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা কর্তৃক গবেষণায় দেখা গেছে যে শজনের পাতায় রয়েছে বহুবিধ পুষ্টি ও ঔষধি গুণ। এসব গুণ অন্য অনেক খাবারে নেই। তাই শজনের পাতাকে বলা হয় সুপার ফুড।</p>
<p>শজনের এই বহুবিধ পুষ্টি উপাদান ও ঔষধি গুণাগুণের কথা বিভিন্ন যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে সাধারণ মানুষের মধ্যে পৌঁছে গেছে এবং মানুষ মরিঙ্গা খাওয়ার দিকে ঝুঁকে পড়েছে। যেভাবে একসময় মানুষ ঝুঁকেছিল জিংসেং, মাশরুম ও কালিজিরার দিকে।</p>
<p>কিন্তু মরিঙ্গা বা শজনে পাতা খাওয়ার আগে কিছু বিষয় ভালোভাবে জেনে-বুঝে তারপর খেতে হবে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দুর্গাপুরের শজনে যাচ্ছে সারা দেশেস্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দুর্গাপুরের শজনে যাচ্ছে সারা দেশে</p>
<p>রাস্তার পাশে, ইটখোলার পাশে, ইন্ডাস্ট্রিজের পাশে এখন প্রচুর শজনে চাষ হচ্ছে। এই শজনে পাতা আপনার ভালো করার চেয়ে ক্ষতি করবে বেশি। এ পাতার কার্বন শোষণক্ষমতা বেশি। তাই যেখানে-সেখানে জন্মানো শজনে পাতা খাওয়া মানেই হচ্ছে দূষণে ভরা পাতা খাচ্ছেন।</p>
<p>তাতে লাভের চেয়ে ক্ষতি হচ্ছে বেশি। বাহারি চটকদার বিজ্ঞাপনে না তাকিয়ে আপনাকে বুঝতে হবে, যাঁরা এটি বিক্রি করছেন, তাঁদের পাতা জোগাড় করার উৎস কোথায়। তাঁরা যেখান থেকে পাতা সংগ্রহ করে বিক্রি করেন সেটা দূষণমুক্ত কি না। এসব ভেবে তারপর শজনে পাতা খেতে পারেন।</p>
<p>বাণিজ্যিকভাবে শজনে চাষে আগ্রহ বেড়েছে চাষিদেরবাণিজ্যিকভাবে শজনে চাষে আগ্রহ বেড়েছে চাষিদের শজনে পুষ্টিসমৃদ্ধ উদ্ভিদ যা বহু শতাব্দী ধরে ঐতিহ্যগত ওষুধে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।</p>
<p>হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে: শজনে পাতা কোলেস্টেরলের মাত্রা ও বিভিন্ন প্রদাহ কমাতে এবং হৃদ্‌রোগ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করতে পারে।</p>
<p>রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো: এটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের ভালো উৎস, যা ফ্রি র‌্যাডিক্যালের কারণে হওয়া ক্ষতি থেকে শরীরকে রক্ষায় সাহায্য করতে পারে।রক্তশূন্যতার চিকিৎসায়: শজনে আয়রনের ভালো উৎস, যা লোহিত রক্তকণিকা গঠনের জন্য অপরিহার্য খনিজ।</p>
<p>উচ্চ রক্তচাপ ও রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে: শজনের সবুজ পাতায় থাকে ক্লোরোফিল। এটি শরীরের তাপ ঠিক রাখতে সহায়তা করে, যে কারণে অতিরিক্ত চিনি রক্তে না রেখে কোষে পাঠিয়ে দেয়। ফলে রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে। ঠিক একই কারণে উচ্চ রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকে।</p>
<p>হজম-প্রক্রিয়া উন্নত করে: শজনে খাদ্য আঁশের একটি ভালো উৎস। ফলে এটি হজম-প্রক্রিয়াকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করতে পারে।</p>
<p>অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য: শজনের প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য দেখানো হয়েছে বিভিন্ন গবেষণায়। প্রদাহ আঘাত বা সংক্রমণের একটি স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া, তবে এটি দীর্ঘস্থায়ীও হতে পারে। দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ হৃদ্‌রোগ, ক্যানসার এবং আর্থ্রাইটিসসহ বেশ কয়েকটি রোগের সঙ্গে যুক্ত। শজনে এ ধরনের প্রদাহ রোধ করতে সহায়তা করে।<br />
এমন স্বাস্থ্যগুণের মরিঙ্গা বা শজনে খাওয়া উচিত জেনে-বুঝে।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%ac%e0%a6%a1%e0%a6%bc-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%a6-%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%9c%e0%a6%a8/">বড় বিপদ হবে যা না জেনে শজনে পাতা খেলে</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%ac%e0%a6%a1%e0%a6%bc-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%a6-%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%9c%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>যে লক্ষণে বুঝবেন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল</title>
		<link>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%a3%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%9d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4/</link>
					<comments>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%a3%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%9d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪]]></dc:creator>
		<pubDate></pubDate>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://breakingbdnews24.net/bn/?p=585734</guid>

					<description><![CDATA[<p>রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সাদা রক্তকণিকা, লিম্ফ নোড এবং অ্যান্টিবডি দ্বারা গঠিত হয়ে থাকে এবং শরীরকে বাহ্যিক সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে। কিছু লক্ষণ আছে যেগুলো দেখে আপনি বুঝবেন যে আপনার রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে। ঘন ঘন সংক্রমিত: চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, যে প্রাপ্তবয়স্করা সাধারণত বছরে দুই থেকে তিনবার সাধারণ সর্দিতে ভুগতে পারেন। তবে &#8230;</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%a3%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%9d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4/">যে লক্ষণে বুঝবেন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সাদা রক্তকণিকা, লিম্ফ নোড এবং অ্যান্টিবডি দ্বারা গঠিত হয়ে থাকে এবং শরীরকে বাহ্যিক সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে। কিছু লক্ষণ আছে যেগুলো দেখে আপনি বুঝবেন যে আপনার রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে।</p>
<p>ঘন ঘন সংক্রমিত:  চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, যে প্রাপ্তবয়স্করা সাধারণত বছরে দুই থেকে তিনবার সাধারণ সর্দিতে ভুগতে পারেন। তবে যাদের প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল তাদের ক্ষেত্রে প্রায় সারা বছর জুড়ে দীর্ঘস্থায়ী কাশি হতে পারে।</p>
<p>দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা: বিজ্ঞানের মতে, প্রায় ৭০ থেকে ৭৫ ভাগ রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা হজমের সাথে সম্পর্কযুক্ত। তাই সঠিক খাবার না খাওয়ার ফলে হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এজন্য কোষ্ঠ্যকাঠিন্য, অ্যাসিডিটি, গ্যাস, ডায়রিয়া দেখা দিতে পারে ঘন ঘন।</p>
<p>পেশীতে ব্যাথা:  শরীরের ভেতরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী না হলে আপনি রক্তনালীতে প্রদাহ, ভ্যাসকুলাইটিসের সমস্যায় ভুগতে পারেন। এতে করে পেশীতে ব্যাথা হবে।</p>
<p>অবসাদ: রাতে পর্যাপ্ত ঘুম হলেও অনেকের খুব শরীর দুর্বল লাগে সারাদিন। বলা যায় যে দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার জন্য আপনার সারাদিন ঘুম ভাব থাকে বজায়। এতে করে শরীর ক্লান্ত হবে ধীরে ধীরে ও আপনার মনমেজাজ ভালো থাকবে না।</p>
<p>অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা: অনেকে খুব সাধারণ ব্যাপারেই সারাক্ষন দুশ্চিন্তা করতে থাকেন। আপনার যদি যে কোন বিষয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা হয় তবে তা ভালো লক্ষণ না এটাও জেনে রাখুন। কারণ দীর্ঘদিন ধরে এমন হতে হতে আপনার রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার উপর প্রভাব পড়তে পারে।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%a3%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%9d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4/">যে লক্ষণে বুঝবেন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%a3%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%9d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কোন খাবার হজম হতে কত সময় লাগে</title>
		<link>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%a8-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%ae-%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%a4-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b2/</link>
					<comments>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%a8-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%ae-%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%a4-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪]]></dc:creator>
		<pubDate></pubDate>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://breakingbdnews24.net/bn/?p=585704</guid>

					<description><![CDATA[<p>এক এক ধরনের খাবার হজম করতে আলাদা আলাদা সময় লাগে। খাওয়ার আগে জেনে নিন, কোন ধরনের খাবার কতক্ষণ সময় নেয় হজম করতে? যে কোনও সিড বা বীজ, যেমন কুমড়োর বীজ, সূর্যমুখীর বীজ বা সেসামি সিড হজম করতে ৬০ মিনিট সময় লাগে। আমন্ড হোক বা কাজু, যে কোনও ধরনের বাদাম হজমে সময় নেয় ১২০ মিনিট। লেটুস, &#8230;</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%a8-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%ae-%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%a4-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b2/">কোন খাবার হজম হতে কত সময় লাগে</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>এক এক ধরনের খাবার হজম করতে আলাদা আলাদা সময় লাগে। খাওয়ার আগে জেনে নিন, কোন ধরনের খাবার কতক্ষণ সময় নেয় হজম করতে?</p>
<p>যে কোনও সিড বা বীজ, যেমন কুমড়োর বীজ, সূর্যমুখীর বীজ বা সেসামি সিড হজম করতে ৬০ মিনিট সময় লাগে। আমন্ড হোক বা কাজু, যে কোনও ধরনের বাদাম হজমে সময় নেয় ১২০ মিনিট।</p>
<p>লেটুস, শশা, টমেটোর মতো সবজি, যেগুলোতে পানির পরিমাণ বেশি, সেগুলো হজমে ৩০-৪০ মিনিট সময় নেয়। এছাড়া, রুট ভেজিটেবল অর্থাৎ গাছের শিকড় বা মূলযুক্ত সবজি হজম করতে ৫০-৬০ মিনিট সময় লাগে।</p>
<p>মসুর বা মুগের মতো সব রকম ডাল খাবার হজম করতে ৪০-৫০ মিনিট সময় লাগে। দুগ্ধজাত পণ্য যেমন দই, দুধ, ছানা অথবা পনির ইত্যাদি হজম করতে সময় লেগে যায় ৬০-৯০ মিনিট।</p>
<p>একটি ডিম হজম করতে সময় নেয় ৪৫ মিনিট। তাই খাওয়ার সময় হিসেব করে খেলে আপনার হজমের সমস্যা থাকবে না।</p>
<p>যে কোনও জুস খুব তাড়াতাড়ি হজম হয়। কারণ জুসে অনেক কম ফাইবার থাকে। মাত্র ১৫ মিনিটেই হজম হয়ে যায়।</p>
<p>ফাইবার-যুক্ত ফল যেমন আপেল, নাশপাতি হজম হয় ৪০ মিনিটে। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল ৩০ মিনিট সময় নেয়। তরমুজ খুব তাড়াতাড়ি, ২৫-৩০ মিনিটে হজম হয়।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%a8-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%ae-%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%a4-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b2/">কোন খাবার হজম হতে কত সময় লাগে</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%a8-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%ae-%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%a4-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায়</title>
		<link>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪]]></dc:creator>
		<pubDate></pubDate>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://breakingbdnews24.net/bn/?p=585688</guid>

					<description><![CDATA[<p>গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় কমবেশি সবাই ভোগেন। ভাজা-পোড়া খাবার বেশি খাওয়া হলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বাড়তে থাকে। আর গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় বুক জ্বালা-পোড়া করলেই ওষুধ খান কমবেশি সবাই। তবে দীর্ঘদিন এভাবেই যদি আপনার জীবন চলতে থাকে, তাহলে লিভার বা কিডনি অকেজো হতে সময় লাগবে না বেশিদিন। কারণ এসব গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ নিয়মিত খাওয়া মোটেও স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। এজন্য প্রতিদিনের &#8230;</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0/">গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায়</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় কমবেশি সবাই ভোগেন। ভাজা-পোড়া খাবার বেশি খাওয়া হলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বাড়তে থাকে। আর গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় বুক জ্বালা-পোড়া করলেই ওষুধ খান কমবেশি সবাই।</p>
<p>তবে দীর্ঘদিন এভাবেই যদি আপনার জীবন চলতে থাকে, তাহলে লিভার বা কিডনি অকেজো হতে সময় লাগবে না বেশিদিন। কারণ এসব গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ নিয়মিত খাওয়া মোটেও স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়।</p>
<p>এজন্য প্রতিদিনের জীবনধারায় সামান্য পরিবর্তন ও খাদ্যতালিকায় কিছু পুষ্টিকর খাবার যোগ করলেই এই সমস্যা থেকে স্বস্তি পাবেন দ্রুত।</p>
<p>শুধু তাই নয়, জীবনধারা পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কয়েকটি অভ্যাসও পরিবর্তন করা জরুরি। না হলে দ্রুত মুক্তি মিলবে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে।</p>
<p>অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিক কেন হয়?</p>
<p>পাকস্থলীর গ্যাসট্রিক গ্ল্যান্ডে অতিরিক্ত অ্যাসিড নিঃসরণের ফলে অ্যাসিডিটি বা গ্যাসের সমস্যা হয়।<br />
সাধারণত অনেকক্ষণ খালি পেটে খাকলে, অতিরিক্ত চা, কফি খেলে বা অতিরিক্ত মদ্যপান, ধূমপান, দুশ্চিন্তা, অনিদ্রা ইত্যাদি কারণে পেটে গ্যাস হতে পারে।</p>
<p>গ্যাস্ট্রিকের কারণেই পেট ফুলে ওঠে, ঢেকুর ওঠে, বুক জ্বালা করে ও পেটের অন্যান্য সমস্যা দেখা দেয়।</p>
<p>গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা এড়াতে যে বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন-</p>
<p>> সাইট্রাস ফল খুব বেশি পরিমাণে খাবেন না।</p>
<p>> দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকবেন না।</p>
<p>> কোনো বেলার খাবার বাদ দিবেন না।</p>
<p>> অসময়ে ও অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন।</p>
<p>> রাতের খাবার ৭-৮টার মধ্যেই খেতে হবে।</p>
<p>> অতিরিক্ত পরিমাণে রসুন, লবণ, তেল, মরিচ ইত্যাদি খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।</p>
<p>> সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো, খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়বেন না।</p>
<p>> ধূমপান, অ্যালকোহল, চা, কফি ও অ্যাসপিরিনের মতো ওষুধ এড়িয়ে চলুন।</p>
<p>> নিজেকে দুশ্চিন্তামুক্ত রাখুন।</p>
<p>গ্যাস্ট্রিকের সমাধান কী?</p>
<p>১. পুদিনা পাতা অ্যাসিড নিঃসরণের গতি কমায় এবং হজম ক্ষমতা বাড়ায়। এই পাতায় থাকা উপাদানসমূহ অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সঙ্গে গলা, বুক জ্বালা কমায়।</p>
<p>এজন্য কয়েকটি পুদিনা পাতা একটি পাত্রের জলে নিয়ে ফুটিয়ে সেই জল ছেঁকে ঠান্ডা করে পান করলে উপকার পাবেন।</p>
<p>২. তাৎক্ষণিকভাবে অ্যাসিড কমিয়ে স্বস্তি দিতে পারে মৌরি। এজন্য খাওয়ার পর মৌরি চিবিয়ে খেলে বদহজম ও পেট ফাঁপা রোধ হয়।</p>
<p>এছাড়া এক গ্লাস জলে কয়েকটি মৌরি সারারাত ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে তা পান করলে শরীর ঠান্ডা থাকবে এবং গ্যাস অম্বলের সম্ভাবনাও কমবে।</p>
<p>৩. টকদইয়ে থাকা ক্যালসিয়াম পাকস্থলীতে অ্যাসিড জমা হওয়া প্রতিরোধ করে। এর সঙ্গে গোলমরিচ যোগ করলে আরও ভালো ফল পাওয়া যাবে। টকদইয়ের ল্যাকটিক অ্যাসিড হজম প্রক্রিয়াকেও শক্তিশালী করে। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0/">গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায়</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://breakingbdnews24.net/bn">ব্রেকিংবিডিনিউজ২৪</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://breakingbdnews24.net/bn/%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
