
রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ‘৩৬ জুলাই উদ্যাপন’ অনুষ্ঠানে গ্যাস বেলুন বিস্ফোরণে ১০ জন দগ্ধ হয়েছেন। আগুন দ্রুত ড্রোনের বাতাসে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, আহতদের কেউ গুরুতর নন।
মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে গ্যাস বেলুন বিস্ফোরণে ১০ জন দগ্ধ
ঘটনাস্থল: মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, ঢাকা
তারিখ: ৫ আগস্ট, মঙ্গলবার
সময়: দুপুর ২টা ২০ মিনিট
গ্যাস বেলুন তারে লেগে বিস্ফোরণ ঘটায় আগুন
রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে আজ দুপুরে ‘৩৬ জুলাই উদ্যাপন’ অনুষ্ঠানে গ্যাস বেলুন বিস্ফোরণে অন্তত ১০ জন দগ্ধ হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি বড় আকারের হিলিয়াম গ্যাস বেলুন অনুষ্ঠানস্থলের ওপরে থাকা বৈদ্যুতিক তারে লেগে বিস্ফোরিত হয়। এরপর মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে, যা পাশে থাকা ব্যক্তিদের গায়ে লাগে।
আহতদের অবস্থা কেমন?
জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয় আহতদের
আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, “আহতদের কারও অবস্থাই গুরুতর নয়। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।”
কীভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা হয় আগুন?
ড্রোনের বাতাসে নিভে যায় আগুন
আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গেই একটি বিশেষভাবে প্রস্তুত ড্রোন ব্যবহার করে বাতাসের মাধ্যমে আগুন নিভানো হয়। এটি ছিল অনুষ্ঠানের পূর্ব-পরিকল্পিত নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ।
কী ছিল ‘৩৬ জুলাই উদ্যাপন’ অনুষ্ঠান?
‘ফ্যাসিস্ট পলায়নের ক্ষণ’ উদ্যাপনে বেলুন ওড়ানো
‘৩৬ জুলাই উদ্যাপন’ ছিল একটি رم্বিত রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আয়োজন, যেখানে ‘ফ্যাসিস্ট পলায়নের ক্ষণ’ উদ্যাপনের অংশ হিসেবে হেলিকপ্টারের আদলে গ্যাস বেলুন তৈরি করে শত শত বেলুন ওড়ানো হয়। বিস্ফোরণের ঘটনার পরও ২টা ২৫ মিনিটে বেলুন ওড়ানো হয় এবং অনুষ্ঠান অব্যাহত থাকে।
নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ সতর্কতা
ঘটনার পর উপস্থিত আয়োজক ও নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ভবিষ্যতে গ্যাস বেলুন ব্যবহারে অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়া হবে। অনুষ্ঠানস্থলে তার বা বৈদ্যুতিক লাইনের কাছাকাছি বেলুন ওড়ানো বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ছবি ও ভিডিও (অপশনাল – ওয়েবসাইটে যুক্ত করতে হবে)
-
দুর্ঘটনার সময়কার ভিডিও ফুটেজ
-
আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার দৃশ্য
-
ড্রোন দিয়ে আগুন নিভানোর প্রক্রিয়া
মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে আজকের এই গ্যাস বেলুন বিস্ফোরণের ঘটনা বড় দুর্ঘটনার ইঙ্গিত দিলেও, সৌভাগ্যবশত কেউ গুরুতর আহত হননি। নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব।
