মারা গেছেন সাবেক সেনাপ্রধান এম হারুন-অর-রশীদ

মারা গেছেন সাবেক সেনাপ্রধান এম হারুন-অর-রশীদ
সেনাপ্রধান এম হারুন-অর-রশীদ

সাবেক সেনাপ্রধান এম. হারুন-অর-রশীদ চট্টগ্রাম ক্লাবের আবাসিক কক্ষে একা অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে আজ দুপুরে মারা যান। চিকিৎসকেরা প্রাথমিকভাবে সাধারণ মৃত্যু বলছেন। বিস্তারিত সংবাদ এখানে।

ঘটনা সংক্ষিপ্তসার

সাবেক সেনাপ্রধান এম. হারুন-অর-রশীদ আজ সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম ক্লাবের আবাসিক কক্ষ থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার হন এবং পরে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকের প্রাথমিক ধারণা, রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন।

কীভাবে ঘটনা ঘটে?

  • তিনি গত রাতেই ক্লাবের গেস্টহাউসে একা ছিলেন।

  • সকালে দীর্ঘসময় কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ক্লাব কর্তৃপক্ষ উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে।

  • দুপুর ১২টার পর পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতে কক্ষের তালা খোলা হয়।

  • ভেতরে তাঁকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ও দ্রুত হাসপাতালে আনা হয়।

চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণ

  • সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল চট্টগ্রাম থেকে ফেরা চিকিৎসক দল ঘটনাস্থলে এসে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন।

  • তাঁরা সাবেক সেনাপ্রধানকে মৃত ঘোষণা করেন।

  • প্রাথমিকভাবে এটি স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে নির্ধারণ করা হয়।

পরিচয় ও অবদান

  • এম. হারুন-অর-রশীদ জেলা: হাটহাজারী, চট্টগ্রাম, জন্ম: ১৯৪৮ সালে

  • মুক্তিযুদ্ধে তার অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ‘বীর প্রতীক’ উপাধিতে ভূষিত হন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ক্লাব কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া

  • চট্টগ্রাম ক্লাবের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফ উদ্দিন প্রথম আলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

  • তিনি জানান, “সাবেক সেনাপ্রধান ক্লাবের গেস্টহাউসে একা অবস্থায় ছিলেন। দুপুর পর্যন্ত না বের হওয়ায় ক্লাবের লোকজন উদ্বিগ্ন হন।”

  • কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল করিম জানান, চিকিৎসকেরা এটিকে স্বাভাবিক মৃত্যু  মনে করছেন।

হৃদরোগ এবং একাকীত্বের ঝুঁকি

হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তি যদি একা অবস্থানে থেকে দ্রুত চিকিৎসা না পান, তাহলে তা জীবনঘাতী প্রমাণ হতে পারে। দ্রুত সাড়া পাওয়া ও সহায়তা নিশ্চিত করা নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

আগামী করণীয়

  • স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং ক্লাব ব্যবস্থাপনা ঘটনা তদন্ত করবেন।

  • পরিচিত وস্বজন ও পরিবার কে দ্রুত খবর জানানো হয়েছে বলে জানা যায়।

  • প্রয়োজনে আইনি বা চিকিৎসা রিপোর্টের আলোকে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

হারুন-অর-রশীদ ছিলেন একজন সাহসী মুক্তিযোদ্ধা, শ্রদ্ধেয় সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা ও এক নিবেদিত মনস্ক মানুষ। তাঁর মৃত্যুতে আমরা একজন সম্মানিত নেতা হারালাম। তাঁর আত্মার শান্তি কামনায় সবাই মোনাজাত করি।