এবাদত হোসেন আগে ছিলেন ভলিবল খেলোয়াড়। সেখান থেকে এলেন ক্রিকেটে। হলেন টেস্ট ক্রিকেটার। এখন ম্যাচ উইনার। কিভাবে সম্ভব হলো? জবাবে এবাদত বলেন, ‘ভলিবল থেকে ক্রিকেটে আসার গল্পটা অনেক লম্বা। আমি ক্রিকেটটা উপভোগ করছি। বাংলাদেশ ও বিমানবাহিনীর প্রতিনিধিত্ব করাটাও।’ টেস্ট ক্যারিয়ারে এমন উদযাপনের সুযোগটা কমই এসেছে এবাদত হোসেনের জীবনে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এই টেস্ট নিয়ে খেলেছেন মাত্র ১১ টেস্ট।
আগের ১০ টেস্টে নিয়েছিলেন কেবল ১১ উইকেট। সেরা বোলিং ২০১৯ সালে কলকাতায় ভারতের বিপক্ষে ৯১ রানে ৩ উইকেট। এবাদত হোসেনকে তার আগে থেকেই দেখা গেছে, উইকেট নেয়ার পর বিশেষ একটি উদযাপন করতে। উইকেট নিয়েই জায়গায় দাঁড়িয়ে যেতেন। এরপর কপালে হাত দিয়ে পা ঠুকে স্যালুট দেয়ার ভঙ্গি করতেন। অনেকটা এমন উদযাপন করেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেসার শেলডন কটরেলও। তবে এবার এবাদত হোসেনের এই উদযাপন দেখার সুযোগ হয়েছে বেশ কয়েকবার।
এবাদত হোসেন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নিয়েছেন মোট ৭ উইকেট। প্রথম ইনিংসে ১টি এবং বাকি ৬টি দ্বিতীয় ইনিংসে। তার এই বিধ্বংসী বোলিংই দ্বিতীয় ইনিংসে নিউজিল্যান্ডকে গুঁড়িয়ে দিয়েছে মাত্র ১৬৯ রানে। এবাদত যতবারই উইকেট নিয়েছেন, ততবারই দিয়েছেন একটি করে স্যালুট। বিষয়টা বেশ আগ্রহী করে তুলেছে অন্যদেরও।
একেবারে সেনা সদস্যদের মত করে এমন স্যালুট দেয়ার রহস্য কী? প্রশ্ন করা হলো পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের পর সঞ্চালকের পক্ষ থেকে। জবাবে এবাদত হোসেন জানালেন তিনি বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একজন সদস্য। স্যালুট দেয়াটা তার অভ্যাস। এবাদত বলেন, ‘আমি বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একজন সদস্য, জানি কীভাবে স্যালুট দিতে হয়।’
