দেশের বেশির ভাগ এলাকায় রোববার রাত থেকে তাপমাত্রা আরও কমবে। একই সঙ্গে শৈত্যপ্রবাহের এলাকাও বিস্তৃতি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, বাংলাদেশের আকাশ থেকে মেঘ সরে যাওয়ায় দিনে রোদ বাড়তে শুরু করেছে। আর রাতে তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ধারাবাহিকভাবে শীত বাড়ার পাশাপাশি শৈত্যপ্রবাহ ছড়িয়ে পড়তে পারে।
আবহাওয়া অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, জানুয়ারি মাসে দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। যার মধ্যে একটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ রূপ নিতে পারে।
বড় এলাকাজুড়ে তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেলে তাকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়। তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রির মধ্যে থাকলে মাঝারি এবং তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলে।
আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, দেশে এখন কাগজে কলমে শৈত্যপ্রবাহ নেই। তবে উত্তুরে হাওয়া বেশ থাকায় ও কুয়াশার দাপটে শীতের অনুভূতি থাকে বেশ রাতে ও সকালে। এমন আবহাওয়া আরও দু’দিন থাকবে বলে জানা গেছে। তবে দু’তিন দিন পরে তাপমাত্রা কমতে থাকবে। এসময় দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় আরেকদফা শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাবে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন এলাকায় গত ২-১ দিনে তাপমাত্রা ১ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত কমেছে। শীতের পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলে কুয়াশা বেড়ে গেছে। বিশেষ করে নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোতে কুয়াশা বেশি বেড়েছে। আগামী কয়েক দিন উত্তরাঞ্চল এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ ছড়াতে পারে।
গত ২৪ ঘণ্টায় শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন ৯.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।এছাড়া বরিশাল, যশোর, তেঁতুলিয়া, রংপুর, রাজশাহী, নওগাঁর বদলগাছী, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড, সন্দ্বীপ, মাদারীপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১-১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রয়েছে।
