গোল বন্যার ম্যাচে ম্যানচেস্টার সিটির দুর্দান্ত জয়

খেলার শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার শুরু করে ম্যানচেস্টার সিটি। তাইতো ম্যাচের প্রথম ২৫ মিনিটের মধ্যেই লেস্টার সিটির জালে এক হালি গোল দিয়ে বসে ম্যানচেস্টার। চার গোল খাওয়ার পর যেন চেতনা ফিরে আসে লেস্টার সিটির। একের পর এক দুর্দান্ত তিনটি গোল করে দারুণভাবে লাড়াইয়ে ফেরে তারা। কিন্তু পরে আরও দুই গোল করে ব্যবধানটা স্পষ্ট করে দেয় ম্যান সিটি। ঘরের মাঠে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত ৬-৩ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পেপ গার্দিওলার দল।

ইতিহাদ স্টেডিয়ামে রবিবার বক্সিং ডে’তে প্রিমিয়ার লিগে ৯ গোলের জমজমাট ম্যাচটিতে ৬-৩ ব্যবধানে জিতেছে ম্যানচেস্টার সিটি।

ম্যানচেস্টারের দলটির হয়ে জোড়া গোল করেন রাহিম স্টার্লিং, একটি করে কেভিন ডে ব্রুইনে, রিয়াদ মাহরেজ, ইলকাই গিনদোয়ান ও এমেরিক লাপোর্ত। লিগে এটি গার্দিওলার দলের টানা নবম জয়।

খেলা শুরুর পাঁচ মিনিটের মাথায় দলকে এগিয়ে দেন কেভিন ম্যানইউ তারকা ডি ব্রইন। ফার্নান্দিনিওর কাছ থেকে বল পেয়ে বাঁ পায়ের দারুণ শটে বল জালে পাঠান এই বেলজিয়ান মিডফিল্ডার। ১৪তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রিয়াদ মাহরেজ। ২১ মিনিটেই ব্যবধান হয়ে যায় ৩-০। জোয়াও কানসেলোর নিচু ক্রস সামনে ডাইভ দিয়ে এক হাতে ক্লিয়ার করার চেষ্টা করেও পারেননি লেস্টার গোলরক্ষক কাসপের স্মাইকেল। ছয় গজ বক্সের সামনে বল পেয়ে ফাঁকা জালে পাঠান গিনদোয়ার। ম্যাচের ২৫তম মিনিটে স্পট কিককে থেকে গোল করেন ব্যবধান ৪-০ করে ফেলেন রহিম স্টার্লিং। এই গোলের ব্যবধান নিয়েই বিরতিতে যায় দুই দল।

বিরতির পরই যেন হুঁশ ফিরে আসে লেস্টার সিটির। ম্যাচের ৫৫ থেকে ৬৫ এই ১০ মিনিটের মধ্যে তিন গোল করে তারা। ম্যাডিসনের পা থেকে আসে প্রথম গোল। কেলাচি ইহেনাচোর থ্রু বল ধরে ডি-বক্সে ঢুকে পরের গোল করেন আদেমোলা লুকমান। ইহেনাচো নিজেই করেন তৃতীয়টি।

ব্যবধান আরও বাড়াতে সময় নেয়নি লেস্টারও। পরে নির্ধারিত সময়ের তিন মিনিট বাকি থাকতে গোল করে গার্দিওলার দলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি।

লিগে এই নিয়ে টানা নয় ম্যাচ জিতল ম্যানচেস্টার সিটি। সবশেষ তিন ম্যাচ মিলিয়ে প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠাল তারা ১৭ বার! গত দুই রাউন্ডে নিউক্যাসল ইউনাইটেডের বিপক্ষে ৪-০ ও লিডস ইউনাইটেডের বিপক্ষে ৭-০ গোলে জিতেছিল গত মৌসুমের চ্যাম্পিয়নরা।