ঝলকাঠিতে এমভি অভিযান-১০ লঞ্চের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নারী, শিশুসহ পাঁচজনকে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের বেশিরভাগেরই অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন বার্ন ইউনিটের প্রধান সমন্বয়ক ডা. সামন্তলাল সেন।
এদিকে বরিশাল শেরে-ই-বাংলা মেডেকেলে ভর্তি আছে ৮১ জন। এর মধ্যে ঢাকায় রেফার করা হয়েছে ১৬ জনকে। যাদের অবস্থান আশংকাজনক। এছাড়া পাঁচজনকে অ্যাম্বুলেন্সে করে এবং র্যাবের হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় আনা হচ্ছে।
দুপুরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে ঢাকা নিয়ে আসা হয় ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা জেসমিন আক্তারসহ তার আট বছরের শিশু সন্তান তানিমকে। আসার পথে মাওয়ায় তার ছয় বছরের কন্যা মেহরিন মারা যায়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তানিমের শরীরে দগ্ধের পরিমাণ ৩০ শতাংশের ওপরে। আর জেসমিন দগ্ধ হয়েছেন ১০ শতাংশ। ইসরাত জাহানের ২২ শতাংশ, শাহিনুর খাতুন ২৫ শতাংশ, বাচ্চু মিয়া ৬ শতাংশ। সাদিকুর রহমানকে (১৬) প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে বরিশাল মেডিকেলে চিকিৎসা সহায়তা দিতে সাত সদস্যের একটি মেডিকেল টিম ঢাকা থেকে পাঠানো হয়েছে বলেও জানিয়েছেন ডা. সামন্তলাল সেন। প্রসঙ্গত, এখন পর্যন্ত লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৪০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত- দগ্ধ আছে প্রায় শতাধিকের উপরে। এ ছাড়া অগ্মিদগ্ধ হয়ে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৮০ জন।
