আগে থেকেই জানা ছিল, চ্যাম্পিয়ন হতে পারুন আর না পারুন- ব্যক্তিগত সেরা দুটি অর্জন কিন্তু হাতে উঠতে যাচ্ছে লিওনেল মেসিরই। ফাইনালসহ মোট ৭টি ম্যাচ খেলেছেন। এর মধ্যে ৫টিতেই ম্যাচ সেরা। গোলও করেছেন সর্বোচ্চ চারটি। অ্যাসিস্ট করেছেন ৫টি। তার নিকটে থাকা লওতারো মার্টিনেজ ফাইনালে গোল পাননি।
সুতরাং, সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার গোল্ডেন বল এবং টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার গোল্ডেন বল যে মেসিই পেতে যাচ্ছেন, তা ছিল অনুমেয়। অবশেষে সেটাই হলো। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার এবং সর্বোচ্চ গোলদাতা- দুটো সেরা পুরস্কারই উঠলো মেসির হাতে।
ব্রাজিলের মারাকানা রাজত্বের অবসান ঘটালো লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। দীর্ঘ ৭১ বছর পর ঐতিহাসিক মারাকানায় হারল ব্রাজিল। আর্জেন্টিনা পেল ২৮ বছর পর শিরোপার স্বাদ। অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ার করা একমাত্র গোলে তিতের অপরাজেয় যাত্রা অবসার ঘটিয়ে কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন হলো আর্জেন্টিনা।
আজ মারাকানায় চিরপ্রতিদ্বন্দ্ব ব্রাজিলের বিপক্ষে শুরুর ২২ মিনিটের মাথায় ডি মারিয়ার গোলে ১-০ এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। ফাইনালের প্রথম একাদশে ডি মারিয়াকে ফিরিয়ে তাঁর উপর আস্থা রেখেছিলেন আর্জেন্টিনা কোচ।
আস্থার যথাযথ মর্যাদা রাখেন তিনি। মাঝমাঠ থেকে ডি’পলের বাড়ানো বল ধলে ব্রাজিল গোলকিপার এডারসনের মাথার উপর তা জালে জড়িয়ে দেন ডি মারিয়া। এক্ষেত্রে রেনান লোদির সামনে সুযোগ ছিল ডি মারিয়া বল ধরার আগেই তা প্রতিহত করার। যদিও তিনি ব্যর্থ হন। তার ভুলের সুযোগে আর্জেন্টিনা ম্যাচে লিড নিয়ে নেয়।
জানিয়ে রাখা ভালো, ২০০৪ সালে সিজার দেলগাদোর পর ডি মারিয়া প্রথম আর্জেন্টাইন ফুটবলার, যিনি কোপার ফাইনালে গোল করলেন। আজকের ম্যাচে অফফর্মে থাকা নিকোলাস গনজালেজকে বসিয়ে ফাইনালের শুরুর একাদশে ডি মারিয়াকে জায়গা দিয়েছেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি। সেই ডি মারিয়াই দলকে এনে দিলেন প্রথম সাফল্য।
