ল্যাটিন আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই কোপার ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দল ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। যাকে বলা সুপার এল ক্লাসিকো। ব্রাজিলের ঐতিহাসিক মারাকানা স্টেডিয়ামে এই মর্যাদার লড়াইয়ে খেলার ২২ মিনিটে ডি মারিয়ার দুর্দান্ত গোলে ১-০ গোলে এগিয়ে গেছে আর্জেন্টিনা।
এদিকে আজ মেসির ফাইনাল ঘিরে খানিকটা শঙ্কা আর গুঞ্জন ছিল আর্জেন্টাইন শিবিরে। তবে শঙ্কা শঙ্কা ধূলোয় মিশিয়ে আকাশি সাদা জার্সি পড়ে নেমে পড়েছেন লিওনেল মেসি। মারাকানায় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীতের বিপক্ষে মাঠে নেমেই রেকর্ড গড়ে ফেললেন তিনি।
কোপা আমেরিকার ইতিহাসে এখন সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা ফুটবলারের নাম লিওনেল মেসি। চলতি আসরের ফাইনালসহ মোট ৩৪টি ম্যাচ খেললেন তিনি। তবে এ রেকর্ডে মেসি একা নন। ১৯৫৩ সালের চিলির গোলরক্ষক সার্জিও লিভিংস্টোন ঠিক ৩৪ ম্যাচ খেলার রেকর্ড গড়ে গেছেন।
ফাইনাল ম্যাচটিতে মেসির সামনে রয়েছে আরেকটি রেকর্ডে নিজের নাম লেখানোর। চলতি আসরে ৪ গোলসহ কোপা আমেরিকায় মেসির মোট গোলসংখ্যা ১৩টি। এ টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ ১৭ গোলের রেকর্ড রয়েছে ব্রাজিলের জিজিনহো এবং আর্জেন্টিনার নর্বার্তো মেন্ডেজের।
কিছুটা অবিশ্বাস্য শোনালেও, ফাইনালে ব্রাজিলের বিপক্ষে যদি ৪ গোল করতে পারেন মেসি, তাহলে জিজিনহো এবং মেন্ডেজের সমান ১৭ গোল হয়ে যাবে মেসিরও। তবে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ব্রাজিলের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করলেও, কখনও ৪ গোল করতে পারেননি মেসি।
সেটি না করতে পারলেও কোপায় সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় লোলো ফার্নান্দেজ ও সেভেরিনো ভারেলা (দুজনই ১৫ গোল) কিংবা পাওলো গুরেরো ও এডুয়ার্ডো ভারগাসকে (দুজনই ১৪ গোল) ছোঁয়ার সুযোগ থাকছে মেসির সামনে। কোপায় মেসির সমান ১৩ গোল রয়েছে ছয়জন ফুটবলারের।
