ভিডিও বার্তায় মামুনুল হকের সকল গোপন তথ্য ফাঁস করলেন দ্বিতীয় স্ত্রীর বড় ছেলে

শনিবার (৩ এপ্রিল) সোনারগাঁও রয়্যাল রিসোর্টে হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক জান্নাত আরা ঝর্ণা নামের যে সঙ্গী নিয়ে অবকাশযাপনের জন্য গিয়েছিলেন, তার বড় ছেলে আব্দুর রহমানের একটি ভিডিও বার্তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভা’ইরাল হয়েছে।
সোমবার (৫ এপ্রিল) ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিও বার্তায় তিনি বলার চেষ্টা করেছেন, তার বাবা-মা’র দা’ম্প’ত্য জী’বনে হেফাজত নেতা মামুনুল হক কী ধরনের ভূমিকা পালন করেছেন।

কীভাবে একটা সুখী পরিবারের মধ্যে অশা’ন্তির আ’’গু’ন জ্বা’লি’য়ে দিয়েছেন তিনি। এর আগে, রোববার (৪ এপ্রিল) আব্দুর রহমান এবং তার মা জান্নাত আরা ঝর্ণার একটি ফো’নালা’প ফাঁ’’স হয়।

সোমবার (৫ এপ্রিল) ভাইরাল হওয়া ভিডিও বার্তায় আব্দুর রহমান বলেন, ‘আমি তো অলরেডি বড় হয়ে গেছি, অনেক কিছু শিখছি, জানছি, ম্যাচুউরিটির একটা ভাব আইছে। আমি কিছুটা স’হ্য করে নিতে পারি, কিন্তু আমার তো একটা ছোট ভাই আছে, তের-চৌ’দ্দ বছর বয়স। কেবল উঠতি বয়স। এই সময়ে মানুষের কতো কথা শোনা লাগতেছে। সমাজের সামনে আইসা মুখ দেখাইতে পা’র’তেছি না।’

‘আমার ছোট ভাইটা কাল রাতে যখন এই ঘট’নটা ঘ’টলো, ও কোনোদিন আমি দেখি নাই রাত ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত জাইগা রইছে। কাল দেখি ওর চোখে কোনো ঘুমই নাই। ও বিষয়টা নিয়ে টোটালি মেন্টালি শকড হইছে। ও বাসা থেকে বের হয়ে গেছিল। বাসায় থাকলে কি উ’ল্টা-পা’ল্টা করব আমি নিজেও জানি না, এইটা বইলা বের হয়ে গেছে’— বলেন আব্দুর রহমান।

তিনি বলে, ‘আরও বলতে হয়, এটা আমি বলব যে, আমার বাবার কর্মের ফল। আমার বাবা মানুষকে অ’ন্ধের মতো বিশ্বাস করে। পাগলের মতো ভালোবাসে। ওই লোকটা, কিছুদিন আগে- মোল্লারহাটে একটা মাহফিল ছিল। সেখানে পুলিশ তাকে করতে দেবে না। সে একটা জায়গায় লু’কা’য়া ছিল। আমার বাবা সেটা দেখে আইসা কিভাবে যে কানছে। তার আগেই বিষয়টা আমি জানছি যে, আমার মায়ের সঙ্গে তার একটা সম্পর্ক ছিল। আমি তখন হা’সতে ছিলাম যে, এই লোকটা যার জন্য অঝোর ধারায় কানতেছে আর ওই লোকটা (মাওলানা মামুনুল হক) এই লোকটার (বাবা শহীদুল ইসলাম) সঙ্গে বি’শ্বাসঘা’তক’তা করতেছে।’

আব্দুর রহমান বলেন, ‘তারপরে যখন ওনাকে জেলে নিল, মাওলানা মামুনুল হককে জেলে নিল, তখন আমার বাবা থা’নার ওসি কামরুজ্জামানকে বলে যে, আমাকে রেখে ওনাকে ছেড়ে দেন। কতটা ভালোবাসলে একটা মানুষকে এই কথা বলতে পারে। আর সেই লোকটা এভাবে গা’দ্দা’রি করল।’

তিনি বলেন, ‘আরও আগের ঘ’ট’না যখন ডি’ভোর্স হয়নি, আমি তখন অনেক ছোট। আমার ছোট ভাই আরও অনেক ছোট, দু’গ্ধশি’শু ছিল। তখন আমার বাবা বাসায় ছিলেন না। তখন আমি ছিলাম। আমি ঘু’মায়া ছিলাম নাকি বাইরে ছিলাম। আমার মা নাকি আমার ছোট ভাইকে দু’গ্ধ পান করাচ্ছিল, তখন উনি আমার মায়ের রুমে ঢুকে গিয়ে একটা কুপ্র’স্তাব দেয়।

কিন্তু আমার মা সেটা প্রত্যাখান করেছিল, না এটা কোনোদিনই সম্ভব না। আ’পনি তো ঠ’কা’চ্ছেন, আপনার কাছের বন্ধুকে, মানুষটাকে। সে তখন ফিরে এসেছিল। কিন্তু তার তখনই মনে কামভাব ঢুকে গেছে। সে লোভ সামলাইতে পারতেছিল না। সে একটা সুযোগে ছিল, কিন্তু এত তা’ড়াতা’ড়ি হয়ে যাবে সে এইটা বুঝতে পারে নাই।’

আব্দুর রহমান বলন, ‘যখনই সুযোগ পাইছে এনাদের মধ্যে ডিসট্যান্স বাড়াইয়া দিছে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তো ঝ’গ’ড়া হবেই। সে তখনই নক করছে। তখন দুই জনের মধ্যে আরও ডিসট্যান্স বাড়াইয়া দিছে। এইভাবে করে সে একটা পরিবারের খুশি, ভালোবাসা, একটা পরিবারের মধ্যে যে মিলমিশ সম্পর্ক পুরোপুরি সে ধ্বং’’স করে দিছে। আরও যে এভাবে কত মানুষের, কত পরিবারের ভালোবাসা যে ধ্বং’’স করে দিছে এর কোনো ঠিক নাই।’

আব্দুর রহমান আরও বলে, ‘আমি বাংলাদেশের মানুষের কাছে আশা করব, এর যেন সঠিক বিচার হয়। আপনারা কারও অ’ন্ধ ভ’ক্ত হয়েন না। কাউকে অ’ন্ধভা’বে বিশ্বাস কইরেন না। কারণ সবারই আ’ড়ালে আরেকটা চেহারা থাকে। এই লোকটা আলেম নামধারী মু’খো’শ’ধা’রী একটা জা’’নো’য়া’র। তার মধ্যে কোনো ম’নুষ্য’ত্ব নেই। সে সুযোগের অপেক্ষায় থাকে কাকে কীভাবে দু’র্ব’ল করা যায়। আমার আর কিছু বলার ভাষা নাই।’