প্রযু’ক্তির অগ্রযাত্রার সাথে তাল মিলিয়ে বর্তমানে অনেক তরুণই ক্যরিয়ার হিসেবে ডিজিটাল মা’র্কেটিং কে বেঁছে নিচ্ছেন। এমনই এক তরুণ জিশান চৌধুরী জুয়েল। যিনি ঢাকার বাংলাদেশ ইউনিভা’র্সিটি অফ বিজনেস এন্ড টেকনোলজি এর কম্পিউটার সাইন্স এর একজন ছাত্র
মাত্র ২০ বছরের এই তরুণ পড়ালেখার পাশাপাশি ডিজিটাল মা’র্কেটিং’ এ কাজ করছেন, হয়েছেন উদ্যোক্তা। করো’নাকালীন সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বেড়েছে তার কাজের পরিধিও।
জানা যায়, জিশান চৌধুরী জুয়েল যখন দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। তখনই টুকটাক আয় করার চেষ্টা করেন। প্রথমে শিখে নেন পড়াশোনার পাশাপাশি হাতের স্মা’র্টফোন দিয়ে অনলাইনে কিভাবে আয় করা যায়। ইউটিউবে সেসব ভিডিও দেখতে দেখতে শিখে নেন গুগল অ্যাডসেন্স কিভাবে করতে হয়। এরপর ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ডিজাইন আর ডিজিটাল মা’র্কেটিংও শিখে নেন।
তিনি অনলাইন জগতে চলার পথে অনেক হোঁচট খেয়েছেন এবং প্রতিবার উঠে দাড়ানো চেষ্টা করেছে।তিনি বিশ্বা’স করেন ধৈর্য ধরলে সফলতা একদিন আসবেই। এজন্যে প্রতিবার ধৈর্য ধরে অ’পেক্ষা করেছেন এবং আল্লাহ কাছে প্রার্থনা করেছেন। তার একটি যে আড্সমিডিয়া নামে একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে
প্রতিষ্ঠানটি গুগল এডক্স এর সাথে সংযু’ক্ত বিডিন্ন কোম্পানির সাথে চুক্তি করে হেডার বিডিং করে বিজ্ঞাপন প্রচার করেন এবং সেখান থেকে কিছু উপার্জন করার চেষ্টা করেনজিশান চৌধুরী জুয়েল জানান, সারা বিশ্বেই এখন ডিজিটাল মা’র্কেটিং অ’ত্যন্ত জনপ্রিয়। বাংলাদেশও পিছিয়ে নেই। দেশের আইসিটি সেক্টরে আশাতীত উন্নয়নের ফলে ডিজিটাল মা’র্কেটিংয়ের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। নামকরা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের পণ্যের ব্র্যান্ডিং করতে ডিজিটাল মা’র্কেটিং ব্যবহার করে গ্রাহক বা ভোক্তার কাছাকাছি পৌঁছাচ্ছে। যে কারণে ডিজিটাল মা’র্কেটিং খাতটিতে প্রচুর পরিমাণে কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে।
তবে আমাদের চিন্তা ভাবনা পরিবর্তন করা উচিত, কম বয়সী হলে কম জানবে এটা ঠিক না। কম বয়সী হলে নতুন কিছু আবিষ্কারের মেতে ওঠে এই তরুণরা এটি নতুন কথা নয়, ইতিহাস সাক্ষী তরুণরা এই বিশ্ব বাজারে অনেক বড় ভূমিকা রেখেছে। তাই সবাইকে আমি তরুণদের পাশে থাকার আহ্বান জানাই। বড়রা সঠিকভাবে সাপোর্ট দিলে তরুণরা অবশ্যই সাফল্য পাবে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার পাশাপাশি কেবল দক্ষতাই পারে বেকারত্ব দূর করতে। যে কোনো একটা সেক্টরে দক্ষ হতে না পারলে আপনি বাংলাদেশের সম্পদ নয়, বরং বোঝা। কর্মসংস্থানের জন্য নিজেদের তৈরি করতে হবে। আম’রা যদি নিজেকে তৈরি না করি। তাহলে সে শূন্যতায় অন্য কেউ এসে জায়গা করে নেবে- এটাই স্বাভাবিক
