ভালোবাসা দিবসে তামিমা সুলতানা তাম্মিকে বিয়ে করেন জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার নাসির হোসেন। নতুন সংসার শুরু ক’রতে না ক’রতেই নাসিরের বিয়ে নিয়ে বিত’র্কের সৃষ্টি হয়। তামিমা’র সাবেক স্বামী রাকিব হাসান দা’বি করেন, তালাক না দিয়েই নাসিরকে বিয়ে ক’রেছেন তামিমা।
তবে এ অ’ভিযোগ অস্বী’কার করেন তামিমা ও নাসির। এরপর সংবাদ সম্মেলন করে তামিমা তার আগের স্বামীকে তালাক প্রস’ঙ্গে বক্তব্য দেন। কিন্তু তার সেই বক্তব্যের স’ঙ্গে পাসপোর্টের তথ্য কোনাভাবেই মি’লছে না।
তামিমা’র দা’বি, ২০১৭ সালেই স্বামী রাকিব হাসানকে তালাক দেন। কিন্তু পু’লিশ বলছে-২০১৮ সালের পাসপোর্ট আবেদনে স্বামী হিসেবে তিনি রাকিবের নামই উল্লেখ করেন।
আর এ কারণেই ফেঁ’সে যেতে পারেন ক্রিকেটার নাসিরের স্ত্রী বিমানবালা তামিমা তাম্মি।ডির্ভোসের পরও তামিমা কেন স্বামী হিসেবে রাকিবের নাম লি’খেছেন, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ব্যস্ত পিবিআই (পু’লিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন)। এ জন্য শিগগির তামিমাকে পু’লিশের জে’রার মু’খোমুখি হতে হবে।
পু’লিশ বলছে, পাসপোর্টে দেওয়া তথ্য সঠিক হলে তালাক সংক্রা’ন্ত তথ্য অসত্য। আবার যদি তালাক দেওয়াকে সঠিক ধ’রে নেওয়া হয়, তাহলে পাসপোর্টে অসত্য তথ্য দেওয়ার কারণে তার পাসপোর্ট বা’তিলসহ আ’ইনি ব্যব’স্থা নেওয়া সুযোগ থেকে যাচ্ছে। আর পাসপোর্ট বা’তিল হলে তার কেবিন ক্রুর চাকরিটি হারাতে হতে পারে।
জা’না গেছে, ২০১৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি উত্তরা অফিসে পাসপোর্ট নবায়নের আবেদন করেন তামিমা। আবেদনে তিনি ব্য’ক্তিগত তথ্যের জায়গায় বাবা-মায়ের পাশে স্বামী হিসেবে রাকিব হাসানের নাম লি’খেছেন।
এমনকি পাসপোর্ট আবেদনে জ’রুরি যোগাযোগের জন্য তিনি রাকিবের নাম এবং মোবাইল নম্বরও যুক্ত করেন। ২০১৮ সালের ১১ মা’র্চ তাকে পাসপোর্ট দেওয়া হয়। যার মেয়াদ রয়েছে ২০২৩ সালের ৩ মা’র্চ পর্যন্ত।
