প্রথমে কিছুটা জটিলতা দেখা দিলেও অবশেষে রাজধানীর বনানী ক’বরস্থানেই দা’ফন করা হলো চিত্রনায়ক শাহীন আলমকে। মঙ্গলবার (৯ মা’র্চ) সকাল ১০টায় তার দা’ফন সম্পন্ন হয়। এ সময় চিত্রনায়ক ওম’র সানি এবং শাহীন আলমের পরিবাবের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বাদ ফজর নিকেতন ম’সজিদে তার জা’নাজা হয়। সেখানে চলচ্চিত্র সংশ্লি’ষ্ট কাউকে দেখা যায়নি।জা’না গেছে, সকালে বনানী ক’বরস্থানে শাহীন আলমের লা’শ দা’ফন ক’রতে এসে চরম বি’পাকে প’ড়েন তার ছে’লে ফাহিম আলম। অস’হায়ের মতো ক’বরস্থানের সামনে বাবার ম’রহেদ নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি।
সময়নিউজকে ফাহিম বলেন, আমা’র বাবার লা’শ বনানী ক’বরস্থানে দা’ফনের জন্য নিয়ে এসেছি। এখানে আমা’র চাচার ক’বরের স্থানে বাবার ম’রদে’হ দা’ফনের কথা ছিল। কিন্তু ক’বর কমিটির লোকেরা তাতে বা’ধা দেয়। তাদের বক্তব্য, মেয়রের অনুমতি নিয়ে সেখানে দা’ফন ক’রতে হবে।
এ বিষয়ে দা’ফনে অংশ নেওয়া মজার টিভির কন্টেন্ট ডিরেক্টর মাহসান স্বপ্ন সময়নিউজকে বলেন, আমি শাহীন আলমকে নিয়ে কয়েকবার সাক্ষাৎকার নিয়েছি। সেই সুবাদে তার স’ঙ্গে আমা’র স’ম্পর্ক খুব ভালো। তার জন্য দা’ফনে এসেছি। কিন্তু এসে দেখছি এখানে একজনের ক’বরের ওপর আরেকজনের দা’ফন ক’রতে চাইলে একটি নির্দিষ্ট সময় পার ক’রতে হয়। সেই সময়ও পার হয়েছে কিন্তু তারা দা’ফন ক’রতে দিচ্ছে না।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে শাহীন আলমের ছে’লে শিল্পী সমিতির একাধিক নেতার স’ঙ্গে যোগাযোগ করলেও তারা কোনো সহযোগিতা করেননি।যদিও এর আগে নিজেদের ফেসবুকে ছবি শেয়ার করে ওম’র সানী, জায়েদ খান ও মিশা সওদাগর আবেগঘন স্ট্যাটান দেন।সোমবার (৮ মা’র্চ) রাত ১০টা ৫ মিনিটে রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতা’লে লাইফ সাপো’র্টে থাকা অব’স্থায় মা’রা যান বাংলা সিনেমা’র এক সময়ের ব্যস্ত চিত্রনায়ক শাহীন আলম।
ঢাকায় বেড়ে ওঠা শাহীন আলম শুরুতে মঞ্চে অ’ভিনয় ক’রতেন। ‘নতুন মুখের সন্ধানে’ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ১৯৮৬ সালে সিনেমায় পা রাখেন তিনি। ১৯৯১ সালে শাহীন অ’ভিনীত ‘মায়ের কা’ন্না’ সিনেমাটি মু’ক্তির পর নজরে আসেন তিনি। একস’ঙ্গে সাতটি সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হন শাহীন। এরপর দেড় শতাধিক সিনেমায় অ’ভিনয় ক’রেছেন এ অ’ভিনেতা।
শাহীন আলম অ’ভিনীত সিনেমাগুলোর মধ্যে ‘ঘাটের মাঝি’, ‘এক পলকে’, ‘প্রে’ম দিওয়ানা’, ‘চাঁদাবাজ’, ‘প্রে’ম প্র’তিশোধ’, ‘টাইগার’, ‘রাগ-অনুরাগ’, ‘দাগি সন্তান’, ‘বাঘা-বাঘিনী’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘আরিফ লায়লা’, ‘আঞ্জুমান’, ‘অজা’না শত্রু’, ‘গরিবের সংসার’, ‘দেশদ্রোহী’, ‘আমা’র মা’, ‘পাগলা বাবুল’, ‘তেজী’, ‘শ’ক্তির ল’ড়াই’, ‘দলপতি’, ‘পাপী সন্তান’, ‘ঢাকাইয়া মাস্তান’, ‘বিগবস’, ‘বাবা’, ‘বাঘের বাচ্চা’, ‘বিদ্রোহী সালাউদ্দিন’, ‘তেজী পুরুষ’ ইত্যাদি অন্যতম।
