মনে হচ্ছে জে’লখানায় আছি: মিরাজ

নিউজিল্যান্ডে সিরিজ খেলতে গিয়ে স’ম্পূর্ণ ভিন্ন এক অ’ভিজ্ঞতার মু’খোমুখি বাংলাদেশ দল। একই হোটেলে সবাই, কিন্তু কেউ কারো সাথে দেখা করার সুযোগ পাচ্ছেন না। এক রুম থেকে আরেক রুমে কথা বলতে হচ্ছে টেলিফোন বা ভিডিও কলের মাধ্যমে।

দেশে থাকা পরিবার-পরিজনের সাথেও ভিডিকল দিয়ে কথা চালিয়ে যাচ্ছে টাইগাররা।নিউজিল্যান্ডে তিনদিন পর ৩০ মিনিটের জন্য বাইরে হাঁটতে বেরিয়ে মেহেদী হাসান মিরাজে’র মনে হচ্ছে যেন ‘জে’ল থেকে’ ছাড়া পেয়েছেন।রোববার রুমের বাইরে এসে মিরাজ বলেন, ‘বুঝতেই পারছেন কেমন লাগছে। এই প্রথম পাঁচটা দিন হোটেলের ভেতর কা’টিয়েছি। প্রথম দিকে সময় কাটছিল না, কারো স’ঙ্গে দেখাও হয়নি।

প্রথম তিনদিন তো ফোনে ফোনে কথা হয়েছে সবার স’ঙ্গে । ভিডিও কলে কথা হয়েছে এক রুম থেকে আরেক রুমে। অনেকটা বির’ক্ত লাগছিল। তবে যেহেতু পাঁচদিন কে’টে গেছে। আশা করি আরও দুদিন সহ’জেই কে’টে যাবে।’

মিরাজ আরো বলেন, ‘প্রথম তিনদিন তো রুমের ভেতরেই ছিলাম। তারপরে আধাঘণ্টা করে বের হওয়ার সুযোগ পেয়েছি। আমি যখন প্রথম’দিন বেরিয়েছিলাম গতকাল, আমা’র মা’থা একটু ঘুরছিল। তারপর আস্তে আস্তে ১০-১৫ মিনিট পর ঠিক হয়েছে। প্রথম তিন দিন যে ঘরের ভেতর ব’ন্দি ছিলাম। আমা’র নিজে’র মনে হচ্ছিল জে’লখানায় আছি। হ’তাশা কাজ করছিল, এরকম অনুভূতি হচ্ছিল আরকি। বাইরে বেরিয়ে এসে এখানকার আবহাওয়ার স’ঙ্গে মানালাম তখন একটু ভালো অনুভূতি হচ্ছিল। একটু ফ্রেশ লে’গেছে।’

১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন শেষ হলে নিউজিল্যান্ড আর কোনো জৈব সুর’ক্ষা বলয়ে থাকতে হবে না ক্রিকেটারদের। একদম স্বা’ভাবিক সময়ের মতো ঘুরতে ফিরতে পারবেন তারা।২০ মা’র্চ ওয়ানডে দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ডের সিরিজ। ২৩ ও ২৬ মা’র্চ হবে বাকি দুই ম্যাচ। ২৮ মা’র্চ প্রথম টি-টোয়েন্টি, ৩০ মা’র্চ দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ও ১ এপ্রিল শেষ ম্যাচ খেলে দেশে ফিরবে বাংলাদেশ দল।