পা’কিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের মুলতানের এক নারী ও তার স্বামী এক আজব ঘ’টনা ঘটিয়েছেন ।
বিয়ের পর ওই নারী তার অ’তি প্রিয় চাচাত বোনটিকে চোখের আড়াল করে থাকতে পারছিলেন না। তাই নিলেন এক চ’মকানো সিদ্ধা’ন্ত যা মানতে পারছে না সমাজ।
দেশটির দুনিয়া নিউজ টিভি থেকে জা’না যায়, ছোট বেলা থেকে তার সুখ-দুঃখের সাথী ছিল চাচাতো বোন। কিন্তু বিয়ের পর অ’তি প্রিয় সেই চাচাতো বোনটি চোখের আড়াল হয়ে যায়। এতে একাকিত্ব অ’নুভব করছিলেন।
তাই নিজে’র স্বামীর স’ঙ্গে ই ওই চাচাতো বোনকে বিয়ে দিয়ে দিলেন তিনি। কিন্তু বিধিবাম- তাদের এই চকমপ্রদ সিদ্ধা’ন্তে ক্ষেপে গেছে দুইবোনের পরিবার ও স্থানীয় সমাজে’র লোকজন।
পাঞ্জাব প্রদেশের মুলতানের সামিজাবাদ এলাকার ফারাজ নামে এক টিনএজার মাস দেড়েক আগে বিয়ে করেন আলিনা নামের এক তরুণীকে। এরপর নববধূ আলিনা তার চাচাতো বোন আলিস্মাকেও কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বিয়ে দেন নিজে’র স্বামীর স’ঙ্গে ।
এদিকে দুই বোনের স্বামী ফারাজ জা’নান, তার স্ত্রী’দের স্বজনরা তাকে খুঁজছে এবং লা’গাতার হ’ত্যা’র হু’মকি দিয়ে আ’সছে। এরই মধ্যে আলিনা এবং আলিস্মা’র পরিবার মা’মলা করেছে তাদের স্বামী ও তাদের বি’রুদ্ধে।
ঘ’টনা জা’নাজানি হলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আলিনা বলেন, নিজে’র জ্ঞাতী বোনকে না দেখে থাকতে পারছিলেন না। তাই তাকে সব সময় কাছে রাখার জন্য নিজ স্বামীর স’ঙ্গে বিয়ে দিয়ে দিয়েছেন। তার সদ্য বনে যাওয়া সতীন আলিস্মা’ও বোনের স’ঙ্গে একই সুরে কথা বলেছেন।
আলিনা জা’নান, ছোটবেলা থেকে দুই চাচাতো বোন মানিকজোড়ের মতো একইস’ঙ্গে বেড়ে উঠেছেন, প’ড়েছেন একই স্কুলে। জীবনে যা কিছুই ক’রেছেন, দু বোনে একস’ঙ্গে ক’রেছেন। তাই বোনের স্ম’রণ তাকে অস্থির করে দিতে থাকে। এরপর আলিস্মাকেও ফারাজে’র বউ করে আনার সিদ্ধা’ন্ত নেন।
অ’পরদিকে, আলিস্মা জা’নান, বোনকে ছাড়া তারও দিন কাটছিল না। অবস্থা এমন হয় যে আ’লাদা হয়ে দুজনের পক্ষে বেঁ’চে থাকা অসম্ভব হয়ে প’ড়ে।
