জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের নাগরিক ছিলেন না: নৌ-প্রতিমন্ত্রী

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্তকে সঠিক উল্লেখ করে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি বলেছেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের নাগরিক ছিলেন না। তিনি পা’কিস্তানের নাগরিক। তার মা-বাবাও ছিলেন পা’কিস্তানি। তিনি যদি বাংলাদেশি নাগরিক হতেন তাহলে তার মা বাবার কবর পা’কিস্তান থেকে বাংলাদেশে নিয়ে আসতেন। অ’তীতে অনেক মুক্তিযোদ্ধার কবর পা’কিস্তান থেকে বাংলাদেশে আনা হয়েছে। কিন্তু জিয়াউর রহমানের মা বাবার কবর তো আর বাংলাদেশে নিয়ে আশা হয়নি।

বিয়ানীবাজার উপজে’লার শেওলা স্থলবন্দরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও মতবিনিময় সভায় শনিবার প্রধান অ’তিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।মন্ত্রী আরও বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পরিক’ল্পিত উন্নয়নের কারণে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে পুরো দেশের চেহারা পাল্টে যাবে। অ’তীতে সরকারের অ’পরিক’ল্পিত উন্নয়ন ভাবনা এবং প্রকল্পে লুটপাটের কারণে আম’রা ক্রমশ পিছিয়ে যাচ্ছিলাম। এখন প্রতিটি প্রকল্প স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হওয়ায় উন্নয়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষের চাওয়া আম’রা পূরণ করতে পেরেছি। মানুষ কি চায়, তা জানার জন্য আম’রা ঘরে-ঘরে যাচ্ছি। গ্রামীণ উন্নয়নে প্রতিনিয়ত নতুন প্রকল্প গ্রহণ করছি। রাজনীতি, উন্নয়ন, গণতন্ত্র এক সাথে চালাতে হবে। যা চালকের আসনে থেকে পরিচালিত করছেন শেখ হাসিনা। সকল পর্যায় থেকে দু’র্নীতি দূর করতে তিনি কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। তার যোগ্য নেতৃত্বে করো’নাকালীন এই কঠিন সময়েও বাংলাদেশের অর্থনীতি মজবুত অবস্থানে রয়েছে।

বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কে এম তারিকুল ইস’লামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অ’তিথির বক্তব্য রাখেন অ’তিরিক্ত কাস্টমস কমিশনার রাশেদুল হাসান, সিলেটের জে’লা প্রশাসক কাজি এম এম’দাদুল ইস’লাম, ইউএনও মৌসুমী মাহবুব, অ’তিরিক্ত পু’লিশ সুপার (জকিগঞ্জ সার্কেল) সুদীপ্ত রায় ও আওয়ামী লীগ সভাপতি আতাউর রহমান খান।

নৌপ্রতিমন্ত্রী বলেন, ১২৪ কোটি টাকা ব্যয়ে শেওলা স্থলবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেয়া হচ্ছে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। বাংলাদেশ রিজিওনাল কানেকটিভিটি প্রজেক্ট-১ এর আওতায় বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। আগামী ২ বছরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হতে পারে। উদ্বোধনের পর প্রতিমন্ত্রী শেওলাবন্দর ঘুরে দেখেন।