বয়সে সে কিশোর (১৮)। কিন্তু থা’নায় তার নামে মা’দ’কের একাধিক মামলা রয়েছে। পুলিশের খাতায় মা’দকসে’বন ও কা’রবারি তা’লিকায় রয়েছে তার নাম। এবার এক সহযোগীসহ ১০০ ইয়া’বা নিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়েছে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে। কিন্তু তল্লা’শির এক পর্যায়ে পুলিশ সদস্যের ঘা’ড়ে কা’ম’ড় দিয়ে দৌড়ে পা’লানোর চেষ্টা করে। তবে ব্যর্থ হয়ে অবশেষে ঠাঁই হয়েছে শ্রীঘরে।
শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে নেত্রকোনা সদর উপজেলার নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ সড়কের হিরণপুর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটক ওই কিশোরের সঙ্গে থাকা সহযোগী হলেন আতিক মিয়া (২২)। এছাড়া আ’হ’ত পুলিশ সদস্য মিজানুর রহমান। তিনি জেলা ডিবি পুলিশে কর্মরত।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই কিশোর দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মা’দ’ক সে’বন ও বি’ক্রি করতো। তার নামে থা’নায় একাধিক মা’ম’লা রয়েছে। শুক্রবার আতিক মিয়া নামে তার এক সহযোগীকে নিয়ে হিরণপুর বাজার এলাকায় ১০০ পিস ইয়া’বা নিয়ে বিক্রির জন্য অপেক্ষা করছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ফরিদ আহমেদের নেতৃত্বে এসআই তপন চন্দ্র বাকালি,
এসআই শাহিদুল ইসলাম, এএসআই মশিউল হক, কনস্টেবল মিজানুর রহমানসহ একটি দল অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। পরে ত’ল্লাশির সময় ওই কিশোরের কাছ থেকে ১০০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। এ সময় সে পুলিশ সদস্য মিজানুর রহমানের ঘা’ড়ে কা’মড়ে আ’হ’ত করে পালা’নোর চেষ্টা ক’রে। কা’মড় সহ্য করে মিজান তাকে জা’পটে ধরে।
এ ব্যাপারে ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ফরিদ আহমদ বলেন, আ’হ’ত পুলিশ সদস্য চিকিৎসা নিয়ে এখন সুস্থ। ওই কিশোর এবং আতিকের নামে নেত্রকোনা মডেল থা’নায় এসআই শাহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে মা’দ’কদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও সরকারি কাজে বাধার অভিযোগে মামলা করেন। পরে বিকেলে তাদের আদা’লতের মাধ্যমে কা’রাগা’রে পাঠানো হয়।
