সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানসহ বঙ্গব’ন্ধুর আত্মস্বীকৃত খু’নি ও মৃ’ত্যুদ’ণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি শরিফুল হক ডালিম, নুর চৌধুরী, রাশেদ চৌধুরী ও মোসলেহ উদ্দিন খানের বীর মু’ক্তিযোদ্ধার খেতাব বা’তিল হচ্ছে।
পাশাপাশি মু’ক্তিযু’দ্ধে গু’রুত্ব পূর্ণ অবদান রাখায় স্মরণীয়-বরণীয় ব্য’ক্তিদের তালিকা থেকে খন্দকার মোশতাকের নামও কাটা পড়ছে। মঙ্গলবার জাতীয় মু’ক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) ৭২তম সভায় এসব সিদ্ধা’ন্ত হয়।
এ নিয়ে এবার মুখ খু’ললেন আসিফ নজরুল। তার ফেসবুক স্টাটাসটি আনন্দবার্তা পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধ’রা হলো: বীর মু’ক্তিযোদ্ধা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বীরউত্তম খেতাব বা’তিল করার সিদ্ধা’ন্ত নিয়েছে সরকারের একটি কমিটি। উনার বি’রুদ্ধে অন্যতম অভিযোগে হচ্ছে তিনি বঙ্গব’ন্ধুর খু’নীদের দেশত্যা’গে সহায়তা করেছিলেন।
এমন একটি অ’ভিযোগে জিয়ার খেতাব বা’তিল হলে বঙ্গব’ন্ধুর খু’নী সরকারের প্রতি আনুগত্য প্রদশর্নের জন্য জনাব ওসমানী, শফিউল্লাহ ও এ. কে. খন্দকারের বীরউত্তম খেতাবও বা’তিল হওয়ার কথা।
তবে তাই হোক! নতুন আরেকটি কমিটিও করা হোক। কেড়ে নেয়া খেতাব আওয়ামী লীগের মনোনীতদের মধ্যে কারা কারা পাবে তা সেই কমিটি ঠিক করুক।
কে মু’ক্তিযু’দ্ধে যু’দ্ধের মাঠে নেতৃত্ব দিয়েছেন, কে সেক্টর কমান্ডার ছিলেন, কে কোন ফোর্স-এর প্রধান ছিল সেটাও এই কমিটি নতুন করে ঠিক করুক। মু’ক্তিযু’দ্ধের পঞ্চাশ বছর পালিত হোক নতুন নতুন ইতিহাসে।
