আবারো পুরো’দমে শুরু হয়েছে সিনেমার শুটিং। করোনার প্রভাবে অবসরে থাকা চিত্র তার’কারা ব্য’স্ত এখন শুটিং নিয়ে। ঢাকায় ও ঢাকার বাইরে চলছে কাজ।
এ’রমধ্যে নতুন সি’নেমা শুরু করলেন অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস। বর্তমানে সর’কারি অনু’দানের সিনেমা ‘ছায়াবৃক্ষ’তে কাজ করছেন তিনি। বিপরীতে অ’ভিনয় করছেন অভিনেতা নীরব হোসেন।
একদিকে পাহাড় ঘেরা স’বুজের সঙ্গে মেঘের লুকো’চুরি, অন্য’দিকে চা বা’গানের পাশ ঘেঁষে লুসাই কন্যা কর্ণফুলীর মন
মাতানো ঢেউ। যা খুব সহ’জেই মনকে সতেজ করে দেয়। চা বাগানের দৃষ্টি’নন্দন ব্রিটিশ বাংলো ও পাখির কিচির’মিচি’র শব্দ অন্যমাত্রা যোগ করেছে। চট্টগ্রা’মের রাঙ্গুনি’য়ার কোদালা চা বাগানে’র রূপ এমনই মনোমুগ্ধকর।
চা শ্রমিকদের প্রতি’দিনের ক্লা’ন্তিহীন কর্ম’যজ্ঞ বিকেল গড়াতেই শেষ হয়। অবশ্য এই তড়িগড়ির পেছনে কারণ র’য়েছে। স্থানী’য়দের ভাষায়, বিকেল ৫টার পর চা বাগানে বন্য হাতি আসে। হা’তির আ’ক্রম’ণে কয়ে’কজন মানু’ষ মা’রা’
গেছে’ন। মূল’ত এই ভয়ে, কাজ শেষ করে ৫টার আগে’ই সবা’ই বা’ড়ি ফিরে যান। কিন্তু ব’ন্য হা’তির আ’ত’ঙ্ক নিয়েই গত ১৫ দিন ধরে সেখা’নে চলছে ‘ছায়াবৃক্ষ’ সিনেমার শুটিং। ভো’রের সূর্যে’র আলো ছ’ড়া’নোর আগেই স’বার ‘ঘুম ভা’ঙে। সূর্য উঠা’র সঙ্গে সঙ্গে শুটিং শুরু করে শুটিং ইউ’নিট।
‘’ছায়াবৃক্ষ’ সি’নেমায় প্র’ধান চ’রিত্রে রয়েছেন চি’ত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। তিনিও তার দিন-রাত কাটা’চ্ছেন হাতি’র ভ’য়ে ভয়ে’ই। তাকে কে’ন্দ্র করেই এর গল্প এ’গিয়েছে। তাই তাকে সেখানে থাকতে’ই হবে।
তবে বিকেল ৫টা বাজার স’ঙ্গে সঙ্গে শুটিং বন্ধ করে ঘরে ফিরে আসে শুটিং ইউ’নিট। কিন্তু ইউনি’টের একটি অংশকে রাত কাটাতে হয় চা বা’গানেই। তবে সে’খানে একটি’ বাং’লোর দ’রজা বন্ধ করে ‘রাখেন তারা। রাতে বা’ইরে বের হ’ন না। বলা চলে- হাতির ভয় নিয়েই রাত কাটান তারা
