কুয়েতে ক্রেতাশূন্য মার্কেট, বিপাকে প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা

উপসাগরীয় দেশ কুয়েতের বাজারগুলোতে এখনও কাটেনি মন্দাভাব। আগের মতো জমে উঠেনি মার্কেটগুলোর ক্রয়-বিক্রয়।

প্রায় ক্রেতাশূন্য দোকানলোতে লোকসান গুনছে প্রবাসী বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা।তাই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন তারা।মার্কেটের দোকান-ভাড়া,কর্মীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে হিমশিম খাচ্ছেন।

দেশটিতে চতুর্থ ধাপে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দিলেও এখনো তেমন ক্রেতাদের আগমন নেই মার্কেটগুলোতে।চলমান কোভিড-১৯ মহামারির কারণে প্রবাসী অনেক কর্মীই চাকরী হারিয়ে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন।

এর প্রভাব পড়েছে প্রবাসী বাংলাদেশী মালিকাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে।দোকানগুলোতে আর আগের মত বেচাকেনা হচ্ছে না।
হুদিনের কষ্টে গড়া নিজেদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অনেকেই বিক্রি করে দেশে চলে যাচ্ছেন।

যারা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালাতে হিমসিম খাচ্ছেন, তাদের অনেকেই আশাবাদী আবারো পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে।

এদিকে কুয়েতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ বাসেল আল সাবাহ তার প;রিকল্পনাগুলো পর্যালোচনা করে বলেছেন যে, যদি কো;ভিড-১৯ এর সং;ক্রমণের ঘ;টনা আগামী ৬ থেকে ১০ সপ্তাহের মধ্যে বৃদ্ধি পেতে থাকে তাহলে রাত ৯ টা থেকে ভোর ৪ টা পর্যন্ত আংশিক কা;রফিউ জা;রি করা হবে ও কুয়েত থেকে বিমানের সকল ধরনের বাণিজ্যিক ফ্লাইট ব;ন্ধ থাকবে।

এ ছাড়াও রেস্তোঁরা ও মার্কেটগুলো ব;ন্ধ থাকবে এবং শুধু বাড়িতে খাবার পৌঁছে দেওয়ার জন্য “ফুড ডেলিভারি” সার্ভিসগুলো চালু থাকবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ বাসেল আল সাবাহ আরও জানান যে, ২০২০ সালের ২৬ জুন পর্যন্ত ক;রোনা সং;ক্রমণের হার সবচাইতে বেশি ছিল। তারপর, পুরোপুরি ল;কডাউন দেওয়ার পর তা ৪০ শতাংশ কমে এসেছে।