চলতি মাসেই ভারতের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ বাংলাদেশের

তিনি বলেন, ‘ভারতের নতুন হাইকমিশনারের সঙ্গে বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেখানে আমাদের কিছু অনুরোধে ভারত ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। এদের মধ্যে এয়ার বাবল চালুর বিষয়টি ছিল। এ বিষয়ে আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কাছাকাছি পৌঁছে গেছি। এখন বেবিচকসহ অন্যান্য কর্তৃপক্ষএকে চূড়ান্ত করবে।’

যাত্রী পরিবহনের বিষয়ে পররাষ্ট্রসচিব বলেন, চিকিৎসার্থে ভারতে এখন একজন রোগীর সঙ্গে একজন অ্যাটেনডেন্ট যেতে পারছেন। অ্যাটেনডেন্টের সংখ্যা দু’জন করতে আমারা অনুরোধ জানিয়েছিলাম। তারা এতে রাজি হয়েছেন। হয়ত চলতি মাস থেকেই একজন রোগীর সঙ্গে দুজন অ্যাটেনডেন্ট যেতে পারবেন ।

বৈঠকে তিস্তাচুক্তি নিয়েও দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানান পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন।

তিনি বলেন, তিস্তা ছাড়াও আমাদের অনেক অভিন্ন নদী আছে। সেসব নদীর অগ্রগতি আছে। এখন সেগুলো নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করছি আমরা। তিস্তার জন্য অন্যান্য অগ্রগতি থামিয়ে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

প্রসঙ্গত, গত ২৭ আগস্ট করোনাভাইরাসের কারণে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্ধ হয়ে যাওয়া বিমান যোগাযোগ ফের চালুর প্রস্তাব দিয়েছিলেন বাংলাদেশে ভারতের বিদায়ী হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ।

এদিন সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলীর দফতরে বিদায়ী সাক্ষাত্কালে তিনি প্রতিমন্ত্রীকে দুই দেশের বিমান চলাচল শুরু করতে ভারতের এয়ার বাবলে যুক্ত হওয়ার বিষয়টি উপস্থাপন করেন।

জবাবে প্রতিমন্ত্রী এটি চালুর বিষয়ে একমত পোষণ করে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন।