পাক মহিলা ধারাভাষ্যকারকে কটাক্ষ করে বিপা;কে সাংবাদিক

তিনি দেশের প্রাক্তন ক্রিকেটার। পাকিস্তানের জার্সি গায়ে প্রায় ৬ বছর খেলেছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৩৪টি ওয়ানডে ও ৪২টি টি–২০ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা তার ঝুলিতে। অথচ সেই ক্রিকেটারকেই কিনা ‘জ্ঞান’ দিতে এলেন ক্রিকেটের বাইরের এক ব্যক্তি। যিনি পেশায় সাংবাদিক। ব্যস, যা হওয়ার তাই হল। কটাক্ষ করতে গিয়ে তা বুমেরাং হয়ে নিজেই নেটিজেনদের তীব্র রোষানলে পড়লেন ওই সাংবাদিক। মোক্ষম জবাব দিয়ে তার মুখ বন্ধ করলেন প্রাক্তন পাক ক্রিকেটারও।

মারিনা ইকবাল। পাকিস্তানের প্রাক্তন এই মহিলা ক্রিকেটার এখন দেশের প্রথম মহিলা ধারাভাষ্যকার। সম্প্রতি টিভিতে একটি ম্যাচের ধারাভাষ্য দিতে দেখা যায় তাকে। কখনও বাউন্ডারির বাইরে অন্য সঞ্চালকের সঙ্গে তো কখনও মাইক নিয়ে উইকেটের উপর দাঁড়িয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে মতামত দিতে দেখা গিয়েছিল মারিনাকে।
সেই দুই মুহূর্তের ছবিই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন এক ক্রীড়া সাংবাদিক কাদির খাওয়াজা। যার মধ্যে একটিতে দেখা যাচ্ছে মারিয়ার পায়ে পেন্সিল হিল দেওয়া জুতো। বাউন্ডারির ঠিক বাইরে চেয়ারে বসে তিনি। পরনে পাক ক্রিকেট বোর্ডের লোগোযুক্ত সবুজ টি–শার্ট আর কালো ডেনিম। অন্য ছবিটিতেও পোশাক একই, তবে পা দেখা যাচ্ছে না। সাংবাদিক ধরেই নিয়েছেন, ওই একই সময়ের ছবি বলে পায়ের জুতোও নিশ্চিতভাবে একই। তাই ছবি দুটি পোস্ট করে প্রশ্ন করেন, ‘‌পিচের মধ্যে হিল পরে ঘোরা কি ঠিক? আপনাদের মতামত চাইছি।’‌

ছবিগুলি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই সাংবাদিককে কড়া জবাব দেন মারিনা। পিচের উপর দাঁড়ানো নিজের ছবিটি পোস্ট করেন তিনি। যেখানে দেখা যাচ্ছে, তার পায়ে ফ্ল্যাট জুতো। কটাক্ষের সুরে কাদিরের উদ্দেশে লেখেন, ‘‌অর্ধেক জ্ঞান ভয়ঙ্কর হতে পারে কাদির। পিচের উপর আমি ফ্ল্যাট জুতোই পরে দাঁড়িয়েছি। আর ম্যাচের আগে হিল। আমি একজন প্রাক্তন পাক ক্রিকেটার। আমিও নিয়মকানুন জানি।’‌

তার পোস্টটির পরই ওই সাংবাদিককে তুলোধোনা করেন নেটদুনিয়ার বাসিন্দারা। নিশ্চিত না হয়ে অন্যান্যদের মতামত চাওয়া যে ঠিক নয়, সে কথায় তীব্র কটাক্ষ করে বুঝিয়ে দেন তারা।