২৪ বলে ৬১ করে দলকে চ্যাম্পিয়ন করলেন ডি ভিলিয়ার্স

দীর্ঘদিন বাইশ গজের বাইরেই থাকুন অথবা করোনার জেরে স্তব্ধ হয়ে যাক ক্রিকেট। এবি ডি ‌ভিলিয়ার্স একবার মাঠে নামার সুযোগ পেলে নিজের জাত চিনিয়েই ছাড়েন। শনিবার ফের সেই চেনা দুর্দান্ত ছন্দে ধরা দিলেন মিস্টার ৩৬০ ডিগ্রি। মহামারীর মধ্যেও মন ভালো করে দেওয়া একটা ইনিংস উপহার দিলেন প্রোটিয়া তারকা। আর সেই সৌজন্যে অভিনব তিন দলের সলিডারিটি কাপে জয়ী হলো তাঁর দল।

করোনা আবহে একেবারে ভিন্ন স্বাদের ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজিত হলো দক্ষিণ আফ্রিকায়। যেখানে মুখোমুখি দুই নয়, তিন দল! হ্যাঁ। তিনটি দলই একসঙ্গে খেলল। যেখানে ইগলসের জার্সি গায়ে চাপিয়ে ২৪ বলে চোখ ধাঁধানো ৬১ রান করলেন এবি। বহুদিন পর তাঁর এই অনবদ্য পারফরম্যান্স দেখার সুযোগ পেয়ে মুগ্ধ ক্রিকেটভক্তরা। এবির সঙ্গে তাল মিলিয়ে খেললেন এইডেন মার্করাম। ৩৩ বলে ৭০ রান করে দলকে অনায়াসে জয় এনে দিলেন।

১২ ওভারে ৪ উইকেটে ১৬০ রান করে গোল্ড বা সোনা উঠল ঈগলসের মাথায়। আর সিলভার দখল করল কাইটসরা। ১২ ওভারে তাদের সংগ্রহ তিন উইকেটে ১৩৮। ব্রোঞ্জ পেয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো কিংফিশারকে। পাঁচ উইকেট হারিয়ে ১১৩ রানে শেষ করে তারা। ম্যাচের ফলাফল শুনে ক্রিকেট কম, ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডের কথা বেশি মনে হতেই পারে। তিনটে দল যখন, প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় হওয়ারই তো কথা। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক এই অভিনব ম্যাচের নিয়ম কানুন ঠিক কেমন?

মোট ৩৬ ওভারের খেলা। প্রতিটি দল খেলবে ১২ ওভার করে। তবে দুই অর্ধে। অর্থাৎ ছয় ওভার করে। সেই অর্ধে যে দল সবচেয়ে বেশি স্কোর করবে সে আবার পরের ইনিংস আগে শুরু করবে। এরপর মোট ১২ ওভারে যার রান সর্বোচ্চ হবে, সেই দলের হাতে উঠবে সোনা। ফিল্ডিংয়ের ক্ষেত্রেও রয়েছে আলাদা নিয়ম। প্রতি ইনিংসে ৬ জন ফিল্ডার থাকতে পারেন। গোটা মাঠটিকে মোট ছটি জোনে ভাগ করা হয়। প্রতিটা জোনে একজন করে ফিল্ডার থাকার অনুমতি রয়েছে। একজন বোলার তিন ওভারের বেশি বল করতে পারবেন না।