১. তেলের উৎপাদন না কমালে সৌদি আরবের যাবতীয় সামরিক সহায়তা প্রত্যাহার করা হবে বলে ট্রাম্প শাসিয়ে দিছেন সৌদি ক্রাউন এম বি এস কে। সৌদি রিজার্ভ ব্যালেন্স তলানিতে। অনৈতিক যুদ্ধে জড়িয়ে দিশেহারা। কম দামে তেল বিক্রি করেও ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না। তাই উৎপাদন বাড়িয়ে হিসাব ঠিক রাখা, হয়তো অচিরেই লোনের জন্য বিশ্ব ব্যাংকের দ্বারস্থ হতে হবে।
২. ওপেক বৈঠকের আগে পুতিনকে ফোন করেছিলেন এম বি এস , যেন তেলের উৎপাদন কমিয়ে দাম কিছু বাড়িয়ে দেন। সাড়া পজিটিভ মিলেনি, ফোনেই রেগে গিয়ে অশোভন আচরণ করেছেন। এর সব কিছুই হয়েছিলো ট্রাম্প জামাতার পরামর্শক্রমে। ৩. ভøাদিমির পুতিন খুব ঠা-া মাথার কৌশলী মানুষ, তিনি হিসাব করে দাবার গুটি ছাড়েন। সিরিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাধুনিক অস্ত্র নিয়ে উপস্থিত,
সঙ্গে বিভিন্ন ফ্রন্টে আসাদ বিরোধী যোদ্ধা। তিনি খুব কৌশলে সেখানে খেলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে হঠিয়ে দিয়েছেন, অবশ্য তা সামরিক শক্তিতে নয়, কৌশলে। পুতিন সোর্স মাধ্যমে খবর পেয়েছিলেন যে কার প্ররোচনায় সৌদি প্রিন্স তার সঙ্গে খারাপ বিহেভ করেছেন। তিনি কৌশলে কাবু করতে চেয়েছেন সৌদি প্রিন্সকে। তেলের উৎপাদন তিনি না কমিয়ে বাড়িয়ে দিয়েছেন যেন সৌদি অর্থনীতিতে ধস নামে।
৪. তেলের দাম কমিয়ে দিলেও পুতিনের তো সমস্যা নেই, কারণ তিনি সৌদির মতো তেলের উপরে নির্ভর নন, তেলের দাম কমিয়ে দিয়ে তিনি অস্ত্রের ব্যবসা করবেন। আর এদিকে ট্রাম্প তো তেলের উৎপাদন কম করার কথা পুতিনকে বলতে পারেন না, তাই চাপ দিয়েছেন সৌদি ক্রাউনকে। কিন্তু তেলের উৎপাদন কমিয়ে দিলে সৌদি আরবের পোষাবে কীভাবে?
৫. পুতিন চাইছেন, সৌদি আরব আমেরিকাকে ত্যাগ করে মস্কোমুখী হোক। আমরা এরপরে পুতিনের খেলা দেখার অপেক্ষায় আছি। ফেসবুক থেকে
