দেশে ফিরছেন কুয়েতে সরকারের দেওয়া সাধারণ ক্ষমার আওতাধীন অবৈধ প্রবাসীরা। আসন্ন মে মাসের প্রথম সপ্তাহে তাদের দেশে পাঠানো হতে পারে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত এস এম আবুল কালাম। তিনি বলেন, ‘মে মাসের প্রথম সপ্তাহে সাধারণ ক্ষমা পাওয়া অবৈধ প্রবাসীদের দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চালু হতে পারে। তাদের জন্য বিশেষ ফ্লাইটে চালু হতে পারে।’
রাষ্ট্রদূত আবুল কালাম আরও বলেন, ‘নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অবৈধ বাংলাদেশিদের কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। কয়েকটি ধাপে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে।’
গত ১ এপ্রিল বাংলাদেশিসহ অন্যান্য দেশের অবৈধ প্রবাসীদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে কুয়েত সরকার। এর আওতায় বিশেষ সাধারণ ক্ষমাপ্রাপ্ত বিভিন্ন অপরাধে জেলে থাকা প্রবাসী ও চলতি সাধারণ ক্ষমায় নিবন্ধনকৃত প্রবাসীদের ধাপে ধাপে দেশে ফেরত পাঠানো প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।
দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, কুয়েত সরকারের নির্ধারিত কর্মসূচি হিসেবে গত রোববার হতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সকল দেশের নাগরিক, যারা এখনো আবেদন করতে পারেননি, তাদের সুযোগ বৃদ্ধি পেল।
কুয়েতে এখন পর্যন্ত সাধারণ ক্ষমায় প্রায় ৫ হাজার প্রবাসী দেশে ফিরতে নাম নিবন্ধন করেছেন। এ ছাড়া দেশটির মাহবুল্লাহ, গ্রিন কসুর, ফিন্তাস ও ছেবদি এলাকার ৪টি ক্যাম্পে যারা আছেন, তারা কুয়েত সরকারের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। তাদের থাকা-খাওয়াসহ বিমান টিকিটের ব্যায় কুয়েত সরকারই বহন করবে।
এদিকে কিছুদিন আগে ক্যাম্পগুলোতে অবস্থান করা বাংলাদেশি প্রবাসীরা তাদের সঙ্গে বিরুপ আচরণের অভিযোগ তোলেন। বেশ কয়েকটি ভিডিওতে দেখা গেছে- তারা খাবারের খোঁজ করছেন। তাদের অভিযোগ, রোজার আগে তাদের মাত্র দুবেলা খাবার দেওয়া হতো। রোজা শুরু হলে তাদের সাহরী ও ইফতাদের পর্যাপ্ত খাবার দেওয়া হয় না।
প্রবাসীদের এমন অভিযোগের ব্যাপারে কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত এস এম আবুল কালামকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘ক্যাম্পে থাকা প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনেছি। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে তাদের সমস্যার কথা জানানো হয়েছে।’
