উইলিয়াম শেক্সপিয়র বলে গেছেন, “অভাব যখন দরজায় এসে দাঁড়ায়, ভালোবাসা তখন জানালা দিয়ে পালায়”।
এটাকে যদি হাল আমলের করোনার সঙ্গে মেলানো যায়; তবে যে খুব বেশি অ’ত্যুক্তি হবে, তা কিন্তু কিন্তু নয়। বগুড়ার আম’দীঘিতে এমন ঘটনাই ঘটেছে। ঢাকা ফেরত স্বামীর শ`রীরে জ্বর থাকায় ঘর থেকে বের করে দিয়েছেন স্ত্রী’।
ওই ব্যক্তির শ`রীরে করোনাভাইরাস রয়েছে কিনা এ নিয়ে সোমবার সকাল থেকে ওই গ্রামে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। অ’ভিযোগ উঠেছে, ওই গ্রামের দুবাই ও ঢাকাফেরত আরো দুই ব্যক্তি গত ২০ মা’র্চ নিজ বাড়িতে এসে তাদের অ’ত্মগো’পন করে থাকেন।
জানা যায়, আদম’দীঘির কেশরতা গ্রামের মোজাম্মেল হকের ছেলে কাবিল উদ্দীন ঢাকা থেকে শ`রীরে জ্বর নিয়ে রাতভর ট্রাক করে সোমবার ভোরে বাড়িতে আসেন। বাড়ি আসার পর তার শ`রীরে জ্বর রয়েছে, কথাটি শুনে তার স্ত্রী’ ঘর থেকে তাকে বের করে দিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে রাখেন।
এছাড়া একই গ্রামের দুবাইফেরত নজরুল ইস’লামের ছেলে ইউসুফ আলী ও ঢাকা ফেরত বয়েজ উদ্দীনের ছেলে মেরিন প্রকৌশলী মেহেদী হাসান গত ২০ মা’র্চ নিজবাড়িতে এসে তারা আত্মগো’পন করেন। এ নিয়ে হৈচৈ শুরু হলে এলাকায় তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়।
বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমানকে অবগত করার পর তিনি উপজে’লা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মক’র্তা ডা. শহীদুল্লাহ দেওয়ানের শরনাপন্ন হন এবং পুরো মে*ডিক্যা*ল টিম নিয়ে কেশরতা গ্রামে যান। সেখানে ওই তিন পরিবারের সাথে কথা বলে ও শ`রীর পরীক্ষা করে তাদের তেমন কোন উপসর্গ নেই বলে দাবী স্বাস্থ্য কর্মক’র্তার।
পরে ওই তিন পরিবারের সকলকে ১৪দিন হোম কোয়ারেন্টিনে রেখে বাড়িগুলোতে লাল পতাকা উড়িয়ে দেন। এছাড়া হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা তিন পরিবারকে ১৪ দিনের খাবার দায়িত্ব নেন ইউপি চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান।
সূত্রঃ ওয়ার্ল্ড ট্রিবিউন
