করোনাভাইরাস রোগের উপসর্গ নিয়ে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ১১ দিন পরে একই পরিবারের পাঁচ সদস্যকে ছাড়পত্র দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতাল থেকে শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে তাদের সবাইকে ছাড়পত্র দেওয়ার পর অ্যাম্বুলেন্সে করে নিজ বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে আসে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। এদের মধ্যে দুইজন পুরুষ, দুইজন নারী ও এক শিশু রয়েছে।
জেলার স্বাস্থ্য বিভাগ জানান, শিবচর উপজেলার ইতালিফেরত এক প্রবাসীর সংস্পর্শে আসায় একই পরিবারের পাঁচ সদস্য করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত বলে সন্দেহ হয়ে থাকে। পরে গত ১৬ মার্চ জেলা সদরের আড়াইশ শয্যার হাসপাতালে তাদের করোনা ইউনিটের আইসোলেশনে দুই জন ও তিন জনকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়। তাদের কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়। পরবর্তী সময়ে তারা সুস্থ হয়ে উঠার পরে শুক্রবার তাদের হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দিয়ে থাকে।
এদিকে মাদারীপুরের পুরো জেলায় অভ্যন্তরীণ রাস্তাঘাট ও বাজার এলাকায় কমে গেছে লোকজনের চলাফেরা। এসময়ে কাঁচা বাজার, মুদি বাজার, ফার্মেসিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান ছাড়া বন্ধ আছে সব দোকান। এখন শিবচর উপজেলার সকল রাস্তা ঘাট ও বাজারগুলো মানুষশূন্য। এদিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ট্রাকে করে যাত্রীবহন করছে।
অন্যদিকে শিবচর জেলা প্রশাসন শিবচর উপজেলায় হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন তাদের ৮ম দিনেও এলাকায় খাবার পৌঁছে দেওয়া হয়।
জেলা সিভিল সার্জন ডা. শফিকুল ইসলাম জানান, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সর্বাত্মক কাজ করছে। ১১ দিন পরে সুস্থ হয়ে উঠলে পাঁচ জনকে রিলিজ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সদর হাসপাতালের আইসোলেশনে ১ জন রয়েছেন ।
