‘ট্রলারে করোনাআ,ক্রান্ত ব্যক্তির লা’শ’ ম’সজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে হা’মলা

দেশব্যাপী চলমান নিষেধাজ্ঞার পরও নারায়ণগঞ্জ থেকে ট্রলারযোগে গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন কয়েকটি পরিবারের সদস্যরা। ওই ট্রলারে করোনাআ,ক্রান্ত ব্যক্তির লা’শ রয়েছে বলে ম’সজিদের মাইকে ঘোষণা দেওয়া হয়।

এরপর নদীর একপাড়ের অ’তিউৎসাহী মানুষের দফায় দফায় ছোড়া ইট-পাট’কেলের আ’ঘাতে ট্রলারের পাঁচ যাত্রী আ’হত হন।

পু’লিশ ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে বরিশালের গৌরনদী উপজে’লার টরকী’ বন্দর সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আ’হতদের বরাত দিয়ে গৌরনদী উপজে’লা আওয়ামী লীগের সাবেক তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কাম’রুল ইস’লাম দিলীপ গণমাধ্যমকে জানান, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সড়ক ও নৌ-পথে সারা দেশের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। তবে জীবিকার তাগিদে নারায়ণগঞ্জ শহরে দিনমজুরের কাজ করে এমন কয়েকটি পরিবার বানারীপাড়া ও স্বরূপকাঠী উপজে’লায় গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। তারা বৃহস্পতিবার রাতে গৌরনদী উপজে’লার টরকী’ বন্দর সংলগ্ন এলাকা অ’তিক্রমকালে তাদের ট্রলারের তেল শেষ হয়ে যায়।

কাম’রুল ইস’লাম আরও জানান, এ সময় নতুন টরকী’র চরে (কালকিনি উপজে’লার রমজানপুর) ট্রলারটি থামানোর পরপরই নদীপাড়ের বাসিন্দারা কিছু জিজ্ঞাসা না করেই স্থানীয় ম’সজিদের মাইকে ঘোষণা দেন, ট্রলারে করোনায়আ,ক্রান্ত ব্যক্তির লা’শ রয়েছে, এদের প্রতিহত করুন। পরে দফায় দফায় ট্রলারটিতে ইট-পাট’কেল নিক্ষেপ করা হয়। এতে পাঁচজন জ’খম হন। খবর পেয়ে থানা পু’লিশের সদস্য ও উপজে’লা আওয়ামী লীগ নেতারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

ওই আওয়ামী লীগ নেতা জানান, হা’মলাকারীদের দাবি, ট্রলারে শোয়ানো অবস্থায় রাখা একটি আলমা’রি দেখে তারা ভেবেছিলেন করোনায়আ,ক্রান্ত হয়ে কেউ মা’রা গেছেন, সেই লা’শ ট্রলারে করে নেওয়া হচ্ছে।

গৌরনদী মডেল থানার পরিদর্শক (ত’দন্ত) মো. মাহাবুবুর রহমান বলেন, ‘পু’লিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পর আ’হতদের প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে নিরাপদে ওইসব পরিবারগুলোর সদস্যদের বানারীপাড়া ও স্বরূপকাঠীর উদ্দেশে পাঠানো হয়। ’

মাহাবুবুর রহমান আরও বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে এভাবে ঝুঁ’কি নিয়ে কাউকেই গ্রামের বাড়িতে আসা উচিত নয়। পাশাপাশি ম’সজিদের মাইকে এমন গুজব ছড়িয়ে হা’মলা চালানোও ঠিক হয়নি।’