শিবচরের অ’বরুদ্ধ এলাকায় চতুর্থ দিনের মতো খাবার ও ও’ষুধ বিতরণ

মাদারীপুরের শিবচরের অ’বরুদ্ধ এলাকায় চতুর্থ দিনের মতো হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা প্রবাসী পরিবার ও নিম্ন আয়ের মানুষের বাড়িতে জরুরী প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী ও জীবন রক্ষাকারী ও’ষুধ পৌছে দিচ্ছে শিবচর উপজে’লা প্রশাসন।

জানা যায়, সম্প্রতি শিবচরের ৬টি এলাকার মানুষ ক’রোনা ভাই’রাসের ঝুঁ’কিতে থাকায় চতুর্থ দিনের মতো অ’বরুদ্ধ তারা। অ’বরুদ্ধ এলাকাগুলো হলো শিবচর পৌরসভার ২টি ওয়ার্ড, পাঁচ্চর ইউনিয়নের ২টি গ্রাম ও দক্ষিন বহেরাতলা ইউনিয়নের ২টি গ্রাম। সোমবার থেকে এসকল গ্রামের হোমকোয়ারেন্টাইনে থাকা প্রবাসী পরিবার ও নিম্ন আয়ের মানুষের প্রত্যেক বাড়ির পরিবারদের চাল, ডাল, তেল, পেয়াজ, লবণ, সাবান ও ও’ষুধসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য বিতরণ করেছে শিবচর উপজে’লা প্রশাসন। প্রথম পর্যায়ে ১৫ মে.টন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে জানা গেছে। এছাড়া মাদারীপুর জে’লা পুলিশের পক্ষ থেকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা পরিবারের বাড়ির দেয়ালে স্টিকার ও লাল পতাকা টাঙ্গিয়ে দেওয়া হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন শিবচর উপজে’লা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শামসুদ্দিন খান, উপজে’লা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান, উপজে’লা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আঃ লতিফ মুন্সী, সাধারণ সম্পাদক ডা. মো: সেলিম, পৌর মেয়র আওলাদ হোসেন খান, উপজে’লা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শশাংক চন্দ্র ঘোষ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম, শিবচর প্রেসক্লাবের সভাপতি একেএম নাসিরুল হক প্রমুখ।

উল্লেখ্য, গত ১৯ মার্চ বৃহস্পতিবার মাদারীপুর জে’লা প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও পুলিশ বিভাগের সমন্বয় শিবচর পৌরসভার ২টি ওয়ার্ড, পাঁচ্চর ইউনিয়নের ২টি গ্রাম ও দক্ষিন বহেরাতলা ইউনিয়নের ২টি গ্রামে কনটেইনমেন্ট ঘোষনা করে এলাকার মানুষদের চলাচল সীমিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় ১৬টি পয়েন্টে পুলিশ টহল দিচ্ছে যাতে কেউ এসব এলাকায় ঢুকতে না পারে। পুলিশের সহযোগিতায় কিছু প্রয়োজন হলে তা সংগ্রহ করছেন। এছাড়া কালকিনি উপজে’লা হতে বরিশালগামী কোন পরিবহন চলাচল করতে দেয়া হচ্ছে না। এতে দক্ষিণাঞ্চলের অন্য জে’লার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন আছে। আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) মাদারীপুর জে’লায় হোম কোয়ারেন্টাইনে আছে ৩২৬ জন, আইসোলেশনে ৩ আছে জন ও প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে আছে ৩ জন।

শিবচর পৌর মেয়র আওলাদ হোসেন খান জানান, অ’বরুদ্ধ মানুষের মাঝে খাবারের ব্যবস্থা করায় তারা অনেক উপকৃত হয়েছেন। যেহেতু তারা ঘর থেকে বের হচ্ছেনা তাই তাদের জন্য খাবার ব্যবস্থা প্রয়োজন ছিল অবশ্যই।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান জানান, চীফ হুইপের নির্দেশে অ’বরুদ্ধকৃত সকল এলাকায় খাদ্য সামগ্রী ঘরে ঘরে পৌছে দিয়েছি। বিদেশ ফেরত প্রবাসীরা যেহেতু হোম কোয়ারেন্টেইনে তাদের এবং সমাজের নিরাপত্তার জন্য পুলিশিং পাহাড়ার ব্যবস্থা করেছি। সে কারণে তারা কেনাকা’টা করতে বাহিরে যেতে পারছে না। এই উপলব্দি থেকেই আমরা হোম কোয়ারেন্টেইনে থাকা মানুষের কাছ থেকে নিরাপদ দূরুত্বে থেকে আমরা খাবার পৌছে দিচ্ছি।