বন্যার কারণে গত ১২ দিনে বিভিন্ন জেলায় অন্তত ৮৭ জন মারা গেছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমারজেন্সী অপারেশন সেন্টার।
এতে বলা হয়, সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে জামালপুর জেলায়। সেখানে ২৯ জন মারা গেছে।

এছাড়া গাইবান্ধা জেলায় ১৫ জন, নেত্রকোনায় ১৩ জন এবং টাঙ্গাইল ও সুনামগঞ্জ জেলায় পাঁচ জন করে মারা যাওয়ার কথা জানানো হয়েছে। প্রাণহানি হয়েছে লালমনিরহাট, নীলফামারী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, কুড়িগ্রাম, শেরপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া এবং ফরিদপুরে।
এসব জেলায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে পানিতে ডুবে। ১০ জুলাই থেকে শুরু করে ২২ জুলাই পর্যন্ত সময়ে বন্যায় পানিতে ডুবে প্রাণ হারিয়েছেন ৭০ জন।
এছাড়া সাপের কামড়ে আট জন, বজ্রপাতে সাত জন, আর.টি.আই’য়ে আক্রান্ত হয়ে একজন এবং অন্যান্য কারণে আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে।
বন্যা পূর্বাভাস এবং সতর্কতা কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান ভূঁইয়া জানান, গত সপ্তাহে ভারী বৃষ্টির কারণে যে বন্যা ছিলো সেটা বৃষ্টিপাত কমে যাওয়া খুব দ্রুত উন্নতি হচ্ছে।
তিনি বলেন, এখন বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। ব্রহ্মপুত্র নদের মধ্যভাগের জেলাগুলোতে গত তিন চার দিন ধরে পানি খুব হ্রাস পাচ্ছে, বিপদসীমার নিচেও নেমে যাচ্ছে। দুই তিনটি পয়েন্টে এখনো পানি বিপদসীমার উপরে থাকলেও তা খুব দ্রুত নেমে যাবে।
