বাংলাদেশের ভক্ত-সম*র্থকদে বড় অংশের ধারণা ছিল সাকিবই হয়ত হবেন বিশ্বকাপ সেরা পারফরমার। ৬০৬ রান আর সাথে ১১ উইকেট তো আর কম কৃতিত্ব নয়! আর কারো তা নেইও।
তাই হয়ত সাকিবের হাতেই উঠবে বিশ্বকাপ সেরা পারফরমারের পুরষ্কার।
এমন ভাবনা আর আশায় গুড়েবালি পড়লো ফাইনাল শেষেই; ঘোষণা আসলো নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়মাসন আসর সেরা পারফরমার। কাজেই সাকিব ইস্যু নয়। তারপরও এমন একটি প্রসঙ্গ উঠেছিল, যেখানে বাংলাদেশের নাম উচ্চারিত না হলেও বাংলাদেশ ঠিকই ছিল।
প্রশ্ন উঠলো, আচ্ছা! ম*রগান আপনাদের এবারের বিশ্বকাপ প্রস্ততি, যাত্রা আর প্রাপ্তি নিয়ে কিছু বলুন? সে প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে ম*রগ্যান ফিরে গেলেন ২০১৫ সালে।
বলার অপেক্ষা রাখে না চার বছর আগে বাংলাদেশের কাছে হেরেই বিশ্বকাপ স্বপ্ন ভেঙ্গে গিয়েছিল ইংলিশদের। গ্রুপ পর্ব থেকে শূন্য হাতে বিদায়ও নিতে হয়েছিল। সেবার গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ পড়া ইংল্যান্ড চার বছরে নিজেদের তিলে তিলে তৈরি করেছে।
সে প্রসঙ্গ টেনে ম*রগ্যান বাংলাদেশের নাম উচ্চারণ না করেও বলে উঠলেন, ‘হ্যাঁ, আম*রা চার বছর আগে বিশ্বকাপ থেকে খালি হাতে ফিরে এসেছিলাম। আসলে সেই ব্যর্থতা ও না পারা থেকেই শুরু হয় আমাদের দিন বদলের চেষ্টা। সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে ওপরে ওঠার সম্ভাব্য সব রকম পরিকল্পনা নেয়া হয়। আম*রা নিজেদের উন্নত করার সম্ভাব্য সব চেষ্টাই করেছি। তারই পুরস্কার এ বিশ্বকাপ বিজয়।’
বলার অপেক্ষা রাখে না ২০১৫ সালে বিশ্বকাপ থেকে শূন্য হাতে ফেরার পর সেই ‘শোককে শক্তি’তে পরিণত করার চেষ্টা করেছে ইংলিশরা। ক্রিকেটারদের মানসিকতা, শরীরি অভিব্যক্তি, ব্যাটিং স্টাইল আর বোলিং ও ফিল্ডিংয়ে আমূল পরিবর্তন আনার কাজটিও হয়েছে প্রচুর।
