উড়ন্ত শুরুর পর ১৮০ রানে থামলো রোহিত শর্মা-লুকেশ রাহুল জুটি। ৩০তম ওভারে এসে ৯২ বলে ১০৪ রান করে সৌম্যর শিকার হয়ে ফিরলেন রোহিত।
তখনও স্কোর প্রেডিক্টরে ভারতের টার্গেট ৩৫০ ছুই ছুই করছিল। কিন্তু মোস্তাফিজের বিধ্বংসী বোলিংয়ে শেষটা দূর্দান্তভাবে করল বাংলাদেশ।
৫০ ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে ভারতের ইনিংস শেষ হল ৩১৪ রানে। জয়ের জন্য বাংলাদেশের টার্গেট ৩১৫ রান।
অসাধারণ বোলিং করেছেন মোস্তাফিজ। নিজেরে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্পেলে এসে চারটি উইকেট তুলে নিলেন ফিজ। ১০ ওভার শেষে ৫৯ রান খরচে ৫ উইকেট পেয়েছেন মোস্তাফিজ।
এর আগে ইনিংসের শুরুতেই রোহিত শর্মার সহজ ক্যাচই হাত থেকে ফেলে দেন বাংলাদেশি ওপেনার তামিম ইকবাল! এরপরই সেঞ্চুরি তুলে নেন রোহিত।
বাংলাদেশের ইনিংসের ৫ম ওভারে মোস্তাফিজের বল পুল শট খেলতে গিয়ে ডিপ স্কোয়ার লেগে তামিমের হাতে ক্যাচ তুলে দেন রোহিত! কিন্তু বিধিবাম! সহজ ক্যাচটি হাত থেকে ছেড়ে দেন তামিম।
সেঞ্চুরি করা রোহিত শর্মাকে তুলে নেয়ার পর বেশিক্ষণ আর অপেক্ষা করতে হয়নি। তার সঙ্গী লোকেশ রাহুলতেও অসাধারণ এক ডেলিভারিতে তুলে নিলেন বাংলাদেশ দলের পেসার রুবেল হোসেন।
তার অসাধারণ সেই ডেলিভারিতে ব্যাটের কানায় বল লাগিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন লোকেশ। মুশফিকের নেয়া ক্যাচটাও ছিল দুর্দান্ত। ৯২ বলে ৭৭ রান করে ফেরেন লোকেশ।
৩৯তম ওভারে এসে পরপর দুই উইকেট তুলে নেন মোস্তাফিজ। প্রথমে কোহলিকে ২৬ রানে ফেরানোর পর পান্ডিয়াকে শূন্য রানেই সৌম্যর ক্যাচে পরিণত করেন মোস্তাফিজ।
বাংলাদেশ একাদশ : তামিম ইকবাল্, সৌম্য সরকার, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহীম, লিটন দাস, সাব্বির রহমান, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মোহাম্মদ সাইফউদ্দীন, মাশরাফি বিন মর্তুজা, মোস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন।
ভারত একাদশ : রোহিত শর্মা, লোকেশ রাহুল, বিরাট কোহলি, রিশাভ পান্ত, এমএস ধোনি, দিনেশ কার্তিক, হার্দিক পান্ডিয়া, মোহাম্মদ শামি, ভুবনেশ্বর কুমার, ইউজবেন্দ্র চাহাল, জসপ্রিত বুমরাহ।
