যশোরের কেশবপুরে ছিনতাইকারীদের হা***য় গুরুতর আ** কিশোর শাহীনের মাথায় সফল ভাবে অ***োপচার সম্পূর্ণ হয়েছে। ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে থাকবে সে।
রাত আড়াইটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন জানান, শাহিনের সকল দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী নিয়েছেন।
আশরাফুল আলম খোকন তার ফেসবুক পেইজে জানিয়েছেন, ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালিয়ে সংসার চালানো অবুঝ কিশোরটির সকল দায়িত্ব নিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে আশরাফুল আলম খোকন অবুঝ কিশোর শাহীনের পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।
আশরাফুল আলম খোকন তার ফেসবুক পেইজে লিখেছেন, ‘সমালোচনা করে, উহ-আহ দুঃখ প্রকাশ করে আপনারা তখন হয়তো ঘুমিয়ে আছেন। টিভিতে সংবাদ দেখেছেন, টকশো দেখেছেন কিংবা হিন্দি সিরিয়াল দেখে ক্লান্ত আপনি হয়তো ভালো মন্দ খেয়ে শান্তির ঘুম দিয়েছেন। সারাদিনের খাটাখাটুনি শেষে শাহীনের মা’ও হাসপাতালের বারান্দায় গা এলিয়ে দিয়েছে।
রাত আড়াইটায় যখন ঢাকা মেডিকেল কলেজে গেলাম তখন জেগে আছে অগোছালো জামা কাপড় পড়া কিছু তরুণ। এরা সবাই ছাত্রলীগের সাবেক নেতাকর্মী। ছাত্রলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি Joydeb Nandee ,Debashish Aich ও ঢা,বি’র বঙ্গবন্ধু হলের্ জিএস Mehedi Hasan Shanto সহ ২০ জন।
ছাত্রলীগকে যারা কথায় কথায় গালিগালাজ করে যাতে উঠার চেষ্টা করেন তারা একটু জেনে রাখেন। এই শাহীনকে যশোর থেকে এম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করে ঢাকায় নিয়ে এসেছেন ছাত্রলীগেরই কর্মীরাই। কোনো জাতি উদ্ধারকারী সমালোচক এগিয়ে আসেনি। শাহীন কিন্তু ছাত্রলীগের কারো আত্মীয়ও নয়। ঢাকা মেডিকেলে আনার পর শাহীন এর জন্য এবি পজেটিভ র** জোগাড় করা করেছে এই জয়দেব নন্দীরাই। রাতে যখন সোয়া ১২টার সময় জয়দেব নন্দী আমাকে ফোন করে জানায়, তার অপারেশন করতে হবে এবং এরপর আইসিঊ লাগবে। সাথেই সাথেই আমি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার S.m. Khurshid Ul Alam ও আওয়ামীলীগ নেতা Suvas Singho Roy মেডিকেল কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে অপারেশন ও আইসিউর ব্যবস্থা করি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী তাঁর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার Biplab Barua ও তাদের সঙ্গে সবসময় যোগাযোগ রাখছিলেন।
অপারেশন শেষে রাত তিনটা থেকে শাহীনকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। ডাক্তার বলেছেন, ৭২ ঘন্টা না গেলে কিছু বলা যাবেনা। অপারেশন চলার সময় যখন শাহীনের মা ও চাচার সাথে কথা বলি, ফেল ফেল চোখে তাকিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে তারা শুধু একটি কথাই বলেছেন, আমরা আর নিজেদেরকে অসহায় মনে করছিনা। আমার ছেলের জন্য দোয়া করবেন। আর্থিক সহযোগিতাসহ সবরকমের সাপোর্টই দেয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, সাতক্ষীরায় ছিনতাইকারীরা রিকশাচালক শাহীনের রিকশা ছিনতাই করার সময় তাকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ও কু**** মার***ভাবে আ** করে। তার বাড়ি যশোরের কেশবপুরে।’
