
বরগুনায় সন্ত্রাসীদের রাম দা’র কোপে নিহত রিফাত শরীফকে বাঁচাতে এগিয়ে এসেছিলেন বরগুনা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি নুরুল ইসলাম রনি। এমনটা জানিয়েছেন রিফাতের স্ত্রী আয়শা আক্তার মিন্নি।
|আরো খবর
রিফাত হত্যায় স্ত্রীকে দোষ দিয়ে আওয়ামী লীগ এমপির ফেসবুক পোস্ট!
রিফাত হত্যাকাণ্ড নিয়ে যা বললেন মন্ত্রীরা
রিফাত হত্যায় গ্রেপ্তার দুই, কাউকে ছাড় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘রনির ভাইয়ের মতো আরো ৫ জন এগিয়ে এলে আমার স্বামী রিফাত শরীফ বাঁচত’।
নুরুল ইসলাম রনি বলেন, সবাই দাঁড়িয়ে হত্যাকাণ্ড দেখবে সেটা কখনো হয় না। আমি যেহেতু মানুষ সেই হিসেবে আমার দায়িত্ব পালন করেছি। যতটুকু পেরেছি ততটুকু করেও শেষ পর্যন্ত রক্ষা করতে পারলাম না রিফাত শরীফকে।
বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রিফাতের বাড়িতে জানাজা নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
রিফাত শরীফের মরদেহ নিয়ে বরিশাল থেকে এ্যাম্বুলেন্স যোগে বরগুনায় নিজ বাড়ী সদর উপজেলার ৬ নম্বর বুড়িরচর ইউনিয়নের উত্তর বড়লবনগোলা গ্রামে দুপুর তিনটার দিকে এসে পৌঁছে।
বুধবার সকালে বরগুনা সরকারি কলেজ রোড়ে সন্ত্রাসীরা স্ত্রীর সামনেই কুপিয়ে গুরুতর জখম করে রিফাত শরীফকে। পরে বিকেলে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
