‘ও না থাকলে আমরা জয়ের রান পেতাম না’: সাকিব

‘অতিমানবীয় পারফরম্যান্স’ শব্দজোড়া হয়ত অনেক ক্রিকেটীয় সংবাদ বা নিবন্ধেই ব্যবহৃত হয়। কিন্তু সত্যিকার অর্থে অতিমানবীয় পারফরম্যান্স বলতে যা বোঝায়, সোমবার তার ‘একক প্রদর্শনী’ খুলে বসেছিলেন সাকিব আল হাসান।

হেসেখেলে কীভাবে মুখের ভাষায় হুংকার দেওয়া প্রতিপক্ষকে বুলডোজারের মত গুড়িয়ে দেওয়া যায়, সাকিব যেন তা-ই দেখালেন!

ম্যাচ শেষে ‘ম্যান অব দ্যা ম্যাচে’র পুরস্কার নিতে এসে হাসিমুখে বললেন অনেক কথাই। পাঁচ উইকেট শিকার তৃপ্তি দিয়েছে, কৃতিত্ব দিয়েছেন ব্যাটসম্যানদের, সেই সাথে আফগানিস্তানের ‘স্পিনারত্রয়ী’কে মোকাবেলার পরিকল্পনা, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের চোট আর সামনের দুই ম্যাচ নিয়েও কথা বললেন।

সাকিব বলেন, ‘এই বিশ্বকাপ দারুণ কাটছে। সৌভাগ্যবশত আমরা ভালোভাবে শুরু করেছিলাম, তাই সমর্থকরাও আমাদের সঙ্গে আছেন। পাঁচ উইকেট শিকার আমাকে অনেক তৃপ্তি দিয়েছে।’

তবে ব্যাট হাতে সাকিবের যাত্রা অতোটা স্বস্তির ছিল না, যদিও মাত্র একটি চার হাঁকিয়েই পেয়েছেন হাফসেঞ্চুরির দেখা। তিনি বলেন, ‘অর্ধ-শতকের জন্য আমাকে অনেক শ্রম দিতে হয়েছে। মুশফিক গুরুত্বপূর্ণ একটি ইনিংস খেলেছে। সে না থাকলে আমরা জয়ের রান পেতাম না। আমরা জানতাম তাদের তিন স্পিনারকে মোকাবেলা করা কঠিন হবে। তাই আমরা দলীয় প্রচেষ্টার খোঁজে ছিলাম।’

প্রশংসা করেছেন তামিম ইকবালেরও। রিয়াদের প্রশংসার পাশাপাশি জানালেন- পরের ম্যাচের আগে সেরে যাবে ম্যাচে তাকে ফিল্ডিং করতে না দেওয়া চোট। আর সমর্থকদের উদ্দেশে রাখলেন পরের দুই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে সব শক্তি ঢেলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি।

সাকিবের ভাষ্য, ‘তামিমও ভালো ব্যাট করেছে, রিয়াদের ইনিংসটিও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ফিজিও হয়ত তাকে ডেকে নিয়ে দেখবে। পরের ম্যাচের আগে এখনো এক সপ্তাহ আছে, তাই সে সেরে ওঠার সুযোগ পাবে। ভারত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। সমর্থকদের আমি এটাই বলতে পারি।’