মৃত্যুর কাছে হেরে গেলেন সেই জিয়াসমিন

৪দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন গৃহবধু জিয়াসমিন (৩৮)। শুক্রবার (৭ জুন) স্বামীর নির্যাতন সইতে না পেরে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহননের চেষ্টা করলে জরুরি অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছিল তাকে।

মঙ্গলবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৯টায় জিয়াসমিনের বড় ভাই সিরাজুল ইসলাম আরিফ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শ্রীনগর উপজেলা শ্যামসিদ্ধি ইউনিয়নের সেলামতি গ্রামের সিরাজুল ইসলাম তার স্ত্রী জিয়াসমিন (৪০) এর উপর শারীরীক ও মানসিক নির্যাতন চালায়। স্বামীর নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে সে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। প্রতিবেশীরা উদ্ধার কারার আগেই তার গায়ের বেশীর ভাগ অংশ ঝলসে যায়। জিয়াসমিনকে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আশংকাজনক অবস্থায় তাকেঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে প্রেরণ করে।

জিয়াসমিন কোলাপাড়া ইউনিয়নের ব্রাহ্মন পাইকসা গ্রামের মৃত আঃ আজিজ চৌধুরীর মেয়ে। প্রায় ২৩ বছর পূর্বে সেলামতি গ্রামের সিরাজুল ইসলামের সাথে তার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে প্রতিবন্ধী ১ মেয়ে ও মালয়েশিয়া প্রবাসী ১ ছেলে রয়েছে।

শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইউনুচ আলী জানান, ঘটনার পর থেকে জিয়াসমিনের স্বামী পলাতক রয়েছে। তিনি আর বলেন এঘটনায় সোমবার (১০জুন) রাতে মেয়ে বড় ভাই মোঃ সিরাজুল ইসলাম আরিফ বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১১ (খ) ধারা মামলা করেছেন মামলা নং ৯।