৪০০ স্ট্রাইকরেট! যার মানে ১ বলে চার রান। হ্যা এমনটাই করেছেন মোস্তাফিজুর রহমান। রংপুরের বিপক্ষে ১৯.৪ ওভারে ব্যাটিংয়ে নেমেছিলেন ফিজ। ননস্ট্রাইক থেকে পেলেন ওভারের শেষ বল ব্যাটিং করার সুযোগ। ফরহাদ রেজা হাফবলি ডেলিভারিটি কভারের উপর দিয়ে মেরে নিয়ে নিলেন ৪ রান। রাজশাহীর সংগ্রহ গিয়ে থামলো ২০ ওভার শেষে ১৪১ রান। জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ১৪২ রান।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে (বিপিএল) সন্ধ্যার ম্যাচে রংপুরের বিপক্ষে টসে জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাজশাহী কিংস দলপতি মেহেদী হাসান মিরাজ।
ব্যাটিংয়ে নেমে জনসন চার্লস মাত্র ১২ রান করে ফরহাদ রেজার বলে মাশরাফির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হয়েছেন। বেশিক্ষণ টিকতে পারননি মমিনুল হকও। তিনি ৪ রান করে ফিরে গেছেন নাহিদুলের বলে বোল্ড হয়ে।

সৌম্য সরকার ভালো শুরু পেয়েও ইনিংস লম্বা করতে ব্যর্থ হয়েছেন ১৪ রান করে রুশোর হাতে ক্যাচ দিয়ে তিনি শহিদুলের দ্বিতীয় শিকার হয়েছেন। মিরাজ ফিরেছেন ৬ রান করে নাজমুল ইসলামের বলে বোল্ড হয়ে।
ইভান্স শুরু থেকে দেখেশুনে খেলে বড় ইনিংস খেলার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তবে ৩৫ রান করে শহিদুলের বলে নাহিদুলের হাতে ক্যাচ দিলে তাঁর এই ইনিংসের সমাপ্তি ঘটে।
জোনকারও নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। তিনি ১৬ রান করে নাজমুলের বলে ক্যাচ দিয়েছেন মেহেদী মারুফের হাতে।
রংপুর রাইডার্সের একাদশ: ক্রিস গেইল, অ্যালেক্স হেলস, রাইলে রুশো, এবি ডি ভিলিয়ার্স, মোহাম্মদ মিথুন (উইকেটরক্ষক), নাহিদুল ইসলাম, মাশরাফি বিন মুর্তজা (অধিনায়ক), নাজমুল ইসলাম, ফরহাদ রেজা, শফিউল ইসলাম, শহীদুল ইসলাম।
রাজশাহী কিংসের একাদশ: জেসন চার্লস, সৌম্য সরকার, লরি ইভান্স, ক্রিস্টিয়ান জঙ্কার, ফজলে মাহমুদ, মুমিনুল হক, মেহেদি হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), আরাফাত সানী, কাইস আহমেদ, কামরুল ইসলাম রাব্বি ও মোস্তাফিজুর রহমান।
