স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে রাস্তায় ফেলে পেটাল পুলিশ (ভিডিও)

ভোলা শহরের বাংলাস্কুল মোড়ে মোটরসাইকেলের কাগজপত্র যাচাইয়ের সময় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সম্পাদক আওলাদ হোসেনকে বেধড়ক পিটিয়েছে ভোলার ট্রাফিক পুলিশের এটিএসই মো. শাহে আলম।

এ সময় শাহে আলম তাকে মাটিতে ফেলে পা দিয়ে লাথি মারতে থাকে। এক পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হলে লোকজন জড়ো হয়ে যায়।

রোববার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে শহরের বাংলাস্কুল মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরে বোরহানউদ্দিন উপজেলা আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতৃবৃন্দ পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযোগ করে অভিযুক্ত এটিএসআই শাহে আলমের বিচার দাবি করেন।

আহত আওলাদ জানান, সে নিজে ও তার এক বন্ধু ছাত্রলীগ নেতা দুটি আলাদা মোটরসাইকেল যোগে বোরহানউদ্দিন থেকে ভোলা জেলা শহরে আসেন। শহরের বাংলাস্কুল মোড়ে ট্রাফিক পুলিশ তাদের মোটরসাইকেল দাড় করায়। পরে মোটরসাইকেল কাগজপত্র যাচাই করে আওলাদের কাগজপত্র ঠিক থাকায় পুলিশ তাকে ছেড়ে দেয়। কিন্তু তার অপর সঙ্গীর হেলমেট না থাকাসহ কাগজে কিছু ত্রুটির জন্য মোটরসাইকেল আটকে রাখে।

এসময় আওলাদ তার বন্ধুর মোটরসাইকেলটি ছেড়ে দেয়ার অনুরোধ করতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন সেখানে দায়িত্বরত এটিএসআই শাহে আলম। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে এটিএসআই শাহে আলম আওলাদের উপর চড়াও হন। গলার মাপলার ধরে টেনে মাটিতে ফেলে দিয়ে লাথি মারতে থাকেন। স্থানীয়রা এমন দৃশ্য দেখে হতবাক হন। ওই সময় বেশ কয়েকজন পথচারী এই দৃশ্য মোবাইল ভিডিওতে ধারন করেন। অনেকে আবার ভিডিওটি ফেসবুকে আপলোড দিয়েছেন। পরে শাহে আলম এমন ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন।

এর আগেও এই ট্রাফিক পুলিশের এটিএসআই একই স্থানে বেশ কয়েকবার ব্যাটারী চালিত অটো চালকদের মারধর করেছেন বলে চালকরা অভিযোগ করেছেন।

এব্যাপারে ভোলা ট্রাফিক পুলিশের এটিএসআই শাহে আলমকে একাধিকবার তার ব্যবহৃত মুঠোফোনে কল দিয়েও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। ভোলা থানার ওসি মো. ছগির মিয়া জানান, দু’জনের মধ্যে সামান্য ভুল বুঝাবুঝি হয়ে ছিল। বোরহানউদ্দিন উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা এহছানুল হক কিশোর, সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি বেলায়েত হোসেনসহ নেতৃবৃন্দকে নিয়ে সমঝোতা করে দেয়া হয়েছে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন…