ভারতে বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইন পাসের প্রতিবাদে ‘স্বাধীন আসাম প্রতিষ্ঠার’ ডাক দেওয়া হয়েছে। এজন্য তিন আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয় বলে জানিয়েছে ভারতীয় গনমাধ্যম।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ‘স্বাধীন আসামের’ ডাক দেওয়া ও ভারতের সম্পর্কে ‘বিতর্কিত’ মন্তব্য করার অভিযোগে দেশটির পুলিশ হিরেন গোহাইল, অখিল গগৈ ও মনজিৎ মোহন্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে। এদের মধ্যে গোহাইলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ভারতের বিষয়ে ‘বিতর্কিত’ মন্তব্য করেছেন।
অপর দুইজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা ‘স্বাধীন আসাম’ প্রতিষ্ঠার ডাক দিয়েছেন। সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আখ্যায়িত ‘ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব আসামের’ (উলফা) মতাদর্শের সঙ্গে তাদের বক্তব্য মিলে যায়। ইন্ডিয়া টুডে তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এই আইনটি ১৯৮৫ সালের আসাম অ্যাকর্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
১৯৮৫ সালের আসাম অ্যাকর্ডে বলা হয়েছিল, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের আগে থেকে যারা আসামে বাস করছে, তারাই শুধু নাগরিকত্ব পাবে। ‘মিজ জিরলাই পাওয়ালের’ (এমজেডপি) সাধারণ সম্পাদক লালনুনমাউই পাউটু মনে করেন, উত্তর-পূর্ব ভারতের নাগরিকরা ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব দেওয়ার বিষয়টি সমর্থন করে না। এই আইন পাস হয়ে গেলে মিজোরামে ‘বাংলাদেশ থেকে যাওয়া বৌদ্ধ ধর্ম পালনকারী চাকমারা’ ভারতের নাগরিকত্ব পেয়ে যাবে।’
আরো পড়ুনঃ ভারতে বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইন পাসের প্রতিবাদে ‘স্বাধীন আসাম প্রতিষ্ঠার’ ডাক দেওয়া হয়েছে। এজন্য তিন আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয় বলে জানিয়েছে ভারতীয় গনমাধ্যম।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ‘স্বাধীন আসামের’ ডাক দেওয়া ও ভারতের সম্পর্কে ‘বিতর্কিত’ মন্তব্য করার অভিযোগে দেশটির পুলিশ হিরেন গোহাইল, অখিল গগৈ ও মনজিৎ মোহন্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে। এদের মধ্যে গোহাইলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ভারতের বিষয়ে ‘বিতর্কিত’ মন্তব্য করেছেন।
অপর দুইজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা ‘স্বাধীন আসাম’ প্রতিষ্ঠার ডাক দিয়েছেন। সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আখ্যায়িত ‘ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব আসামের’ (উলফা) মতাদর্শের সঙ্গে তাদের বক্তব্য মিলে যায়। ইন্ডিয়া টুডে তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এই আইনটি ১৯৮৫ সালের আসাম অ্যাকর্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
১৯৮৫ সালের আসাম অ্যাকর্ডে বলা হয়েছিল, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের আগে থেকে যারা আসামে বাস করছে, তারাই শুধু নাগরিকত্ব পাবে। ‘মিজ জিরলাই পাওয়ালের’ (এমজেডপি) সাধারণ সম্পাদক লালনুনমাউই পাউটু মনে করেন, উত্তর-পূর্ব ভারতের নাগরিকরা ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব দেওয়ার বিষয়টি সমর্থন করে না। এই আইন পাস হয়ে গেলে মিজোরামে ‘বাংলাদেশ থেকে যাওয়া বৌদ্ধ ধর্ম পালনকারী চাকমারা’ ভারতের নাগরিকত্ব পেয়ে যাবে।—বার্তাবাহক
