বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেন, ‘আজকেও যতক্ষণ মাশরাফি আমার সাথে ছিলো একই কথা বলেছে যে, পাপন ভাই আমার এটি লাগবে, ওটা লাগবে। আমি শুধু বলেছি সব হবে, আগে শপথটি নিয়ে নাও, মন্ত্রীপরিষদ গঠন হোক, তুমি যা যা চাও সব হবে। এগুলো নিয়ে চিন্তা করো না। ও এগুলো নিয়ে অনেক বেশি আগ্রহী। এলাকায় কাজ করতে চায়।
তবে এটি যেমন সত্যি, তেমন ওর মনের মধ্যে যে সারাক্ষণ ক্রিকেটই আছে এতে কোনও সন্দেহ নেই। কারণ ও একদম ওখান থেকে সরাসরি অনুশীলনে চলে গিয়েছে। বিপিএল শুরু হতে যাচ্ছে। সুতরাং নিজের খেলার প্রতি সম্পূর্ণ সিরিয়াস আছে। একটুকুও পরিবর্তন হয়নি।
এর বড় প্রমাণ হচ্ছে, যখন আমরা নির্বাচনের মাঠে চলে গিয়েছি এবং এলাকায় কাজ করছি তখন কিন্তু সে খেলছিলো এবং খেলার মধ্যে ছিলো। ও অনেক দেরি করে গিয়েছে। এটাই প্রমাণ করে যে, এখনও খেলাটিই তার কাছে বেশি প্রাধান্য পায়।’
বিপিএলের প্রস্তুতি দেখতে আজ মিরপুরে শেরে বাংলায় সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে মাশরাফির প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন বিসিবি বস।
ক্রিকেটার মাশরাফি ও সাংসদ মাশরাফি, মাশরাফি আসলে কি চান? তার ভাললাগার ক্ষেত্রটা কোথায়, তাও বেশ ভালই জানা পাপনের। তাইতো তার কন্ঠে একথা, ‘একটি জিনিস মনে রাখবেন, মাশরাফি রাজনীতিতে এসেছে এবং সে অনেক বেশি সিরিয়াস। ওর কিন্তু রাজনীতি করার পেছনে ওই কি হবো এটার চিন্তা নেই। একটাই চিন্তা ওর মাথায়, সেটি হলো এলাকার কাজ। এলাকার মানুষের জন্য ও কিছু করতে চায়।’
এদিকে কেউ কেউ মনে করছেন ক্রিকেটার-অধিনায়ক মাশরাফির জন্য সামনের সময়গুলো বেশ চ্যালেঞ্জিং। কারণ তাকে এখন অনেক কিছুই সামলাতে হবে। ক্রিকেট, মাঠ, জাতীয় দল, এলাকার উন্নয়ন এবং সংসদ সদস্যের দায়-দায়িত্ব সামলানো হবে বেশ কঠিন। কাজটি কঠিন।
এখন একদিকে যেমন ক্রিকেট, অন্যদিকে রাজনীতি, এলাকার উন্নয়ন এবং সংসদীয় রীতি-নীতি মেনে চলা ও নতুন সাংসদ মাশরাফির জন্য কাজটি চ্যালেঞ্জিং। তবে বিসিবি বিগ বসের তা মনে হয় না। তার স্থির বিশ্বাস, মাশরাফি একজন সত্যিকার বীর। সাহসী যোদ্ধা। সে ঠিক সব কিছু সামলে নিতে পারবে।
