সাদিকা পারভিন পপি। অভিনেত্রী ও মডেল। সম্প্রতি অনন্য মামুনের পরিচালনায় তিনি অভিনয় করেছেন ‘ইন্দুবালা’ ওয়েব সিরিজে। এই ওয়েব সিরিজ ও অন্যান্য ব্যস্ততা নিয়ে কথা হয় তার সঙ্গে-
চলচ্চিত্রের পাশাপাশি অনলাইন প্ল্যাটফর্মের কাজে আগ্রহী হলেন কেন?
সময়ের সঙ্গে অনেক কিছুই বদলে গেছে। শুধু চলচ্চিত্র নয়, অনলাইনেও বিনোদননির্ভর নানা ধরনের সিরিজ তৈরি হচ্ছে। দর্শকও ঘরে বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে স্মার্টফোন, স্মার্ট টিভি, কম্পিউটারে বিভিন্ন ওয়েব সিরিজ উপভোগ করতে পারছেন। সেই সুবাদে একের পর এক ওয়েব সিরিজ দর্শকের মাঝে সাড়া জাগাতে পেরেছে। এ ধরনের সিরিজের মাধ্যমে নতুন দর্শকের কাছে সহজেই পৌঁছানো সম্ভব। এটা ভেবেই অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কাজ করছি।
সাদিকা পারভিন পপি

সম্প্রতি ‘ইন্দুবালা’ ওয়েব সিরিজের কাজ শেষ করেছেন। কেমন ছিল ‘পপি’ থেকে ‘ইন্দুবালা’ হয়ে ওঠার অভিজ্ঞতা?
‘ইন্দুবালা’ আমার প্রথম ওয়েব সিরিজ। প্রথম কাজ বলেই আলাদাভাবে প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। ‘ইন্দুবালা’ এক শিক্ষিত সাহসী নারী, প্রতিবাদী কণ্ঠ। সমাজের অন্যায়-অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার এই নারীর প্রতিবাদ অহিংস উপায়ে। এই চরিত্রের মধ্যে চেনাজানা মানুষের ছায়া আছে। যেজন্য এই চরিত্রে অভিনয় অভিজ্ঞতা রোমাঞ্চকর ছিল।
এখন কোন কোন ছবির কাজ নিয়ে ব্যস্ত?
সাদেক সিদ্দিকীর ‘সাহসী যোদ্ধা’ ও আরিফুর জামান আরিফের ‘কাঠগড়ায় শরৎচন্দ্র’ ছবির কাজ অনেকটা শেষ করেছি। নতুন বছর শুরু করব আমিরুল ইসলাম শোভার ‘সেভ লাইফ’ ও বুলবুল বিশ্বাসের ‘কাটপিছ’ ছবির অভিনয় দিয়ে। এ বাইরে ‘টান’ এবং ‘যুদ্ধশিশু’ নামের দুটি ছবিতে অভিনয়ের কথা রয়েছে।
সাদিকা পারভিন পপি
আগামীকাল জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ নিয়ে আলাদা করে কিছু ভাবছেন?
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠ হোক- এটাই সবার আগে চাওয়া। রাত পোহালেই ভোট উৎসব, ভাবতেই ভালো লাগছে। নতুন দিনের প্রত্যাশা নিয়ে ভোট দিতে যাব। ভোটের মধ্য দিয়ে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকেই ভোট দেবো আমি। প্রতিটি বিষয়ের মতো নতুন সরকার চলচ্চিত্রের প্রতিও সুদৃষ্টি রাখবে- একজন নাগরিক হিসেবে এটাই আমার চাওয়া। সুত্র : সমকাল
