সেনাবাহিনীর সদস্যরা কুমিল্লাতে নেমেছে

কুমিল্লার সব উপজেলায় আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরাপত্তায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। সেনা সদস্যরা আগামীকাল সোমবার সকাল থেকে তাদের কাজ শুরু করবেন।

কুমিল্লার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আবুল ফজল মীর সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আগামী ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর সদস্যরা কুমিল্লার সব উপজেলায় স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মাঠে থাকবেন।

সেনা মোতায়েন নিয়ে আওয়ামী লীগে প্রতিক্রীয়া

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সেনাবাহিনী মোতায়েন করায় দেশের নির্বাচনী পরিবেশ আরও উন্নত হবে বলে মনে করছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। তারা কোনো দলের বা পক্ষের নয়। সুতরাং, এ নিয়ে কারও উচ্ছ্বসিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

সোমবার নির্বাচন কমিশনে (ইসি) অভিযোগ জমা দিতে গিয়ে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিদলের প্রধান মো. আখতারুজ্জামান এসব কথা বলেন।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর একটি সর্বজনীন মর্যাদা রয়েছে। এ বাহিনীকে প্রশ্নবিদ্ধ বা বিতর্কিত করতে পারে এমন বক্তব্য দেওয়া থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে।

আখতারুজ্জামান বলেন, ‘বিএনপি-ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে আমাদের দেশপ্রেমিক পেশাদার ও সুশৃঙ্খল সশস্ত্র বাহিনীকে নিয়ে যে বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে সেটি খুবই আপত্তিজনক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’

এ সময় সারা দেশে বিএনপি-জামায়াত কর্তৃক আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, দলীয় নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন আখতারুজ্জামান।