‘গ্রেফতার’ করার ক্ষমতা পেল সেনাবাহিনী

আর মাত্র কয়েকদিন পরেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান নির্বাচন। এই নির্বাচন নিয়ে সবার মাঝে কাজ করছে অন্যরকম উত্তেজনা। আগামী ২৪ ডিসেম্বর থেকে ২ জানুয়ারি নির্বাচন উপলক্ষে মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী।

শনিবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেলে কমিশনের সভা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদাকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা বলেন, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড রয়েছে, কোনো সমস্যা হচ্ছে না, সব দল প্রচারণা করতে পারছে।

সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা প্রসঙ্গে সিইসি নূরুল হুদা বলেন, ”স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে তারা জরুরি প্রয়োজনে ম্যাজিস্ট্রেটের সহায়তায় গ্রেফতার করতে পারবে।” ‘সেনাবাহিনী সিআরপিসি অনুযায়ী পরিস্থিতি বিবেচনায় যে কাউকে আটক করতে পারবে। তবে তাদের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়া হয়নি।’

নির্বাচন চলাকালীন সময়ে সাংবাদিকরা অবাধে প্রবেশ করলে নির্বাচনে বিঘ্ন ঘটে উল্লেখ করে সিইসি বলেন, ভোট চলাকালীন সময়ে গণমাধ্যম কর্মীরা সীমিত আকারে প্রবেশ করতে পারবে। ড. কামালের গাড়িবহরে হামলার বিষয়ে কেএম নূরুল হুদা বলেন, তার গাড়িবহরে হামলা দুঃখজনক। এ বিষয়ে আমরা ব্যবস্থা নেব।

তিনি আরও বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে হামলার বিষয়ে আমাদের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে আমাদের নির্বাচনী তদন্ত কমিটি আছে, তাদের কাছে এ অভিযোগ পাঠানো হবে।