শেষ মূহুর্তের নাটকে জমে উঠেছিল বাংলাদেশ-উইন্ডিজ ২য় ওয়ানডে। একজন হোপই দলকে নিয়ে এসেছিলেন জয়ের বন্দরে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত লড়ে গেলেন তিনি।
ম্যাচটা একসময় বাংলাদেশের দিকেই কাত হয়ে পড়েছিল। শেষ ২ ওভারে জয়ের জন্য ২২ রানের প্রয়োজন ছিল ক্যারবীয়দের। কিন্তু মুস্তাফিজের এক ওভারেই পুরো ম্যাচের পাল্লা নিজেদের দিকে করে নেয় উইন্ডিজ। ৪৯তম ওভারে মুস্তাফিজের ১৬ রান খরচে জয় সহজ করে নেয় উইন্ডিজ। শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল মাত্র ৬ রান। মাহমুদউল্লাহর প্রথম ৪ বলেই ৬ রান তুলে নিয়ে ৪ উইকেট হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় ক্যারবীয়রা। ১৪৬ রান করে অপরাজিত থেকে যান হোপ।
এর আগে ওপেনার চন্দরপল মেহরাজকে এলবিডব্লিউ করে শুরুতেই আঘাত হেনেছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ৫ রানে ১ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু সেখান থেকে দলকে টেনে তুলেন ড্যারেন ব্রাভো আর শাই হোপ। দ্বিতীয় উইকেটে ৬৫ রানের জুটিতে বাংলাদেশকে দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছিলেন তারা।
চোখ রাঙানো জুটিটি ভেঙেছেন রুবেল হোসেন। বাঁহাতি ড্যারেন ব্রাভোকে বোকা বানিয়ে পেছন দিকে পড়া ডেলিভারিতে লেগস্ট্যাম্প উড়িয়ে দিয়েছেন এই পেসার।
এরপর ভয়ংকর হয়ে উঠতে থাকা স্যামুয়েলসকেও ফেরান মুস্তাফিজ। ২৬ রান করে ফিজের বলে ক্যাচ আউটের শিকার হয়ে মাঠ ছাড়েন স্যামুয়েলস।
গত ম্যাচেও ক্যাচ মিসের কাঠগড়ায় দাড়াতে হয়েছিল টাইগারাদের। আজও তার ব্যতিক্রম ঘটলো না। উইন্ডিজ একাদশে দূর্দান্ত ফর্মে থামা হেটমায়ারকে শূণ্য রানেই জীবন দিয়ে বসলেন ইমরুল কায়েস। রুবেলের বলে হেটমায়ারের শটটি সরাসরি চলে যায় ইমরুলের হাতে। কিন্তু ইমরুলের হাত থেকে বলটি ফসকে যাওয়ায় এ যাত্রায় বেঁচে যান তিনি।
শূন্য রানে জীবন পাওয়া হেটমায়ারকে ভয়ংকর হতে দিলেন না রুবেল। তার উইকেটও তুলে নেন তিনি। ১২ রান করেই ফিরে যান তিনি।
রুবেল মোস্তাফিজের পর দলীয় ৫ম ও নিজের ১ম উইকেট তুলে নেন মাশরাফি। উইন্ডিজ অধিনায়ক পাওয়েল ফিরে যান রানের খাতা না খুলেই। এরপর ৬ষ্ট উইকেটের আঘাত হানেন মুস্তাফিজ। ৬ রান করেই মুস্তাফিজের বলে ক্যাচ আউটের ফাঁদে পড়েন চেজ।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে মোটে ২৫৫ রান তুলতে পারে বাংলাদেশ।
