মোসাদ্দেকের বিরুদ্ধে আরেকটি গুরুতর অভিযোগ

বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের বিতর্ক যেন থামছেই না। একের পর এক অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে শিরোনামে জায়গা করে নিচ্ছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। রুবেল হোসেন, নাসির হোসেন, আরাফাত সানি, সাব্বির রহমান, মোহাম্মদ শহীদের পর এবার নারী কেলেঙ্কারিতে যোগ হলেন জাতীয় দলের উদীয়মান ক্রিকেটার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত!

তার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের মামলা করেছেন স্ত্রী সামিয়া শারমিন। ময়মনসিংহের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নং আমলি আদালতে এই মামলাটি করা হয়। এ ব্যাপারে সৈকতের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার খোঁজ পাওয়া যায়নি। তবে সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে মুখ খুলেন মোসাদ্দেক। জানান, স্ত্রী শারমিনকে আগেই তিন ডির্ভোস দিয়েছেন। কিন্তু তার পরও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে নির্যাতন ও যৌতুকের।

মোসাদ্দেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ এখানেই শেষ হচ্ছে না। কারণ সামিয়া শারমিনের দায়েরকৃত অভিযোগপত্রের সাথে সংযুক্ত বিবাহের কাবিননামায় দেখা যায় তাদের বিয়ে হয়েছে ২৮ অক্টোবর ২০১২ সালে। কিন্তু বিসিবির কাছে মোসাদ্দেকের যেসব তথ্যাদি দেয়া রয়েছে তা অনুযায়ী ২০১২ সালের ২৮ অক্টোবর তারিখে মোসাদ্দেকের বয়স মাত্র ১৬ বছর।

তাহলে কি মাত্র ১৬ বছর বয়সে বাল্যবিবাহের অপরাধ করেছিলেন মোসাদ্দেক? আপাতদৃষ্টিতে এই বিয়েকে বাল্যবিবাহই বলা যায়। কারণ ২০১২ সালে মোসাদ্দেক বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব-১৯ দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এমনকি বিয়ের ঠিক আগে যুব দলের সাথে অস্ট্রেলিয়া সফরও করেছিলেন তিনি।

পরে দেশে ফিরে এই বিয়ে করতে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছিলেন মোসাদ্দেক। সামিয়া শারমিনের বড় ভাই (সম্পর্কে মোসাদ্দেকেরও খালাতো ভাই) অভিযোগপত্র জানান যে বাল্যবিবাহের বৈধতা দিতে তখন নিজের বয়স বাড়িয়ে ২২ বছর লিখে দেন মোসাদ্দেক। কিন্তু কাগজপত্র অনুযায়ী ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে ২২ বছর পূর্ণ হয়েছে তার।